পলাশ ও আমার সেক্স


ছেলেটা দুদিন হল আমাদের পাশের ফ্ল্যাটে উঠেছে। ঠিক বিকেল হলেই সে ছাদে আসে। আমি আমাদের বাসার ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওকে দেখি। ছেলেটার মাঝে একটা অদ্ভুত আকর্ষণ আছে। ওর মুখের খোঁচা খোঁচা দাড়ি আমার ভালো লাগে। মানুষ এতো সুন্দর হয় কেন?

আজ বিকেলটা বেশ ঠান্ডা ঠান্ডা। গায়ে একটা সোয়েটার পরে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আছি। অপেক্ষায় ছিলাম কখন সে আসবে।
একটু পরেই সে আসল। আমি হাবার মত তাকিয়ে আছি।
ছেলেটা আমাকে ইশারায় ডাকল। আমার মনে হচ্ছিল আমি বোধহয় ভুল দেখছি কিংবা ¯^প্ন দেখছি। আমি কিছু বললাম না।
এবার ছেলেটা বলল, এক্সকিউজ মি, একটু কথা বলতে পারি?
আমি খুশিতে ডগমগ কওে বললাম, কেন নয়?
ছেলেটা আগ বাড়িয়ে বলল, আমি পলাশ, এই ফ্লাটে নতুন এসেছি। নর্থ সাউথে পড়ি। আপনি?

আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললাম, আমি শাওন, এবার গ্র্যাজুয়েশন পাশ করলাম।
পলাশ আমাকে বলল আপনাকে প্রায়ই এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি বিকেলে। তাই আজ কথা বললাম। আপনার যদি প্রবলেম না থাকে তবে আজ আমাদেও বাসায় চা খেতে আসতে পারেন।
আমি আনন্দে আত্মহারা। ওরে বাপ! এযে মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি!
তাড়াতাড়ি হ্যাঁ বলে দিলাম। বললাম , দাাঁড়াও এক্ষুনি আসছি।

এই কথা বলে দৌড়ে সিড়ি ভেঙে ছুটলাম।
পলাশদের ফ্ল্যাট ৫ তলায়। লিফট দিয়ে উঠতেই সে আমাকে তাদের ড্রয়িং রুমে নিয়ে গেল। ছিমছাম গোছানো ড্রয়িং রুমটা । আমি সোফায় বসে চারপাশে চোখ বুলালাম। ও এসে বলল, আমি আর আমার মা থাকি । বাবা মারা গেছেন বেশ কয়েক বছর হল।
আমি ওকে বললাম, সো সেড!
ও হেসে বলল, ওকে ম্যান। কি খাবে ? চা না কফি?
আমি হেসে বললাম , চা।
পলাশ বলল, বাসায় আম্মু নেই। তাই আজ আমিই তোমাকে চা কওে খাওয়াব। তুমি একটু বস।
আমি বললাম, চল আমরা দুজনই বানাই।

দুজন মিলে রান্নাঘরে গেলাম। পলাশ কেটলিতে পানি দিল দুই মগ।
আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওকে দেখতে লাগলাম।
ওর পরনে একটা হাফ প্যান্ট। ওর লোমশ সুঠাম উরু দেখে আমার ছুঁয়ে দেখতে মন চাচ্ছিল।
উপরের ফুলহাতা টিশার্ট ভেদ কওে তার ব্যায়াম করা বুকের গঠন অনুভব করতে পারছি আমি।
আমি যে ভেতরে ভেতরে উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছি তা টের পেলাম ।

এরই মাঝে পলাশের চা বানানো শেষ । দুটো মগে করে চা নিয়ে পলাশ আর আমি ড্রয়িং রুমে আসলাম।
আমি ইচ্ছে করেই পলাশের কাছাকাছি বসলাম। এইচবিও চ্যানেলে একটা মুভি দেখছি দুজন। কথা বলছি আর চা খাচ্ছি। হঠাৎ আমি ইচ্ছে করেই পলাশের উরুতে চা ফেলে দিলাম । পলাশ চিৎকার দিয়ে উঠল।
আমি তাড়াতাড়ি দৌড়ে ওকে বাথরুমে টেনে নিয়ে ওর হাফপ্যান্টের কিছু অংশ সরিয়ে পানি ঢাললাম।
আমার চোখ তখন ওর পুরুষাঙ্গেও দিকে। প্যান্ট সরানোর সাথে সাথে ওর পুরুষাঙ্গটাতেও আলগোছে হাত বুলাতে লাগলাম।
বুঝতে পারছিলাম ওর ধোনটা ফুলে যাচ্ছে। পলাশ এবার লজ্জা পেল। সে কিছু না বলে বোকার মত তাকিয়ে থাকল।
আমি এই সুযোগ মিস করতে চাইলাম না।
পলাশের ধোন টা মুঠ করে ধরলাম।
পলাশ তখনও চুপ।
এবার সময় নষ্ট না করে প্যান্টের চেইন খুলে তার ৭ ইঞ্চি বাড়াটা দেখে অবাক হলাম।
মুন্ডিটা যেন আমার জিভের ছোঁয়া পাবার জন্যে দাঁড়িয়ে আছে।
জিভের আগাটা মুন্ডিটার ফুটোটাতে ছোঁয়ালাম।
পলাশ আহ করে আমার মাথাটা চেপে ধরল।
আমি এবার গোল মুন্ডিটা চুষতে থাকলাম।
পলাশ দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ালো । আমি তার হাফ প্যান্ট পুরো নামিয়ে দিয়ে বিচিগুলা হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকলাম আর ধোনটা আস্তে আস্তে মুখে পুরে লজেন্সের মত চুষতে থাকলাম।
পুরো ধোনটাই মুখের ভেতর নিলাম। মনে হল একটা সাগর কলা মুখে নিয়েছি।
পলাশ আমার মুখে হালকা ঠাপ দিতে শুরু করল। আমার গলা পর্যন্ত ধোনটা যেতে আসতে লাগল।
আমি শুধু চুষেই যাচ্ছি।
পলাশ মুখে শুধু আহ আহ করছে আর বলছে, সোনা এতদিন তুমি কই ছিলা ?
তুমি আগে কেন আমার ধোন চুষলা না। তাহলেতো আমার কষ্ট কওে হাত দিয়ে মাল ফেলতে হত না।
আমি পলাশের ধোন মুখ ঘুড়িয়ে ঘুড়িয়ে চুষতে লাগলাম।

কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারলাম পলাশ এবার মাল ফেরবে। আমি শক্ত কওে ওর ধোনের পুরোটা মুখে রাখলাম । ও আর পারল না। আমার মাথা ধওে কেঁপে উঠে ওর ধোনের মাল আমার মুখে ফেলল।
আমি পুরোটা চুষে খেয়ে নিলাম।

পলাশ আমার দিকে তাকিয়ে বলল, থ্যাংকস শাওন।
আমি পলাশের দিকে তাকিয়ে বললাম, শুধু থ্যাংকস দিলে হবে না। আমাকে একদিন চুদতে হবে।
পলাশ বলল, অবশ্যই। তবে আজ না । আরেকদিন সোনা।
পলাশ ও আমার সেক্স

ছেলেটা দুদিন হল আমাদের পাশের ফ্ল্যাটে উঠেছে। ঠিক বিকেল হলেই সে ছাদে আসে। আমি আমাদের বাসার ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওকে দেখি। ছেলেটার মাঝে একটা অদ্ভুত আকর্ষণ আছে। ওর মুখের খোঁচা খোঁচা দাড়ি আমার ভালো লাগে। মানুষ এতো সুন্দর হয় কেন?

আজ বিকেলটা বেশ ঠান্ডা ঠান্ডা। গায়ে একটা সোয়েটার পরে ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে আছি। অপেক্ষায় ছিলাম কখন সে আসবে।
একটু পরেই সে আসল। আমি হাবার মত তাকিয়ে আছি।
ছেলেটা আমাকে ইশারায় ডাকল। আমার মনে হচ্ছিল আমি বোধহয় ভুল দেখছি কিংবা ¯^প্ন দেখছি। আমি কিছু বললাম না।
এবার ছেলেটা বলল, এক্সকিউজ মি, একটু কথা বলতে পারি?
আমি খুশিতে ডগমগ কওে বললাম, কেন নয়?
ছেলেটা আগ বাড়িয়ে বলল, আমি পলাশ, এই ফ্লাটে নতুন এসেছি। নর্থ সাউথে পড়ি। আপনি?

আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললাম, আমি শাওন, এবার গ্র্যাজুয়েশন পাশ করলাম।
পলাশ আমাকে বলল আপনাকে প্রায়ই এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখি বিকেলে। তাই আজ কথা বললাম। আপনার যদি প্রবলেম না থাকে তবে আজ আমাদেও বাসায় চা খেতে আসতে পারেন।
আমি আনন্দে আত্মহারা। ওরে বাপ! এযে মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি!
তাড়াতাড়ি হ্যাঁ বলে দিলাম। বললাম , দাাঁড়াও এক্ষুনি আসছি।

এই কথা বলে দৌড়ে সিড়ি ভেঙে ছুটলাম।
পলাশদের ফ্ল্যাট ৫ তলায়। লিফট দিয়ে উঠতেই সে আমাকে তাদের ড্রয়িং রুমে নিয়ে গেল। ছিমছাম গোছানো ড্রয়িং রুমটা । আমি সোফায় বসে চারপাশে চোখ বুলালাম। ও এসে বলল, আমি আর আমার মা থাকি । বাবা মারা গেছেন বেশ কয়েক বছর হল।
আমি ওকে বললাম, সো সেড!
ও হেসে বলল, ওকে ম্যান। কি খাবে ? চা না কফি?
আমি হেসে বললাম , চা।
পলাশ বলল, বাসায় আম্মু নেই। তাই আজ আমিই তোমাকে চা কওে খাওয়াব। তুমি একটু বস।
আমি বললাম, চল আমরা দুজনই বানাই।

দুজন মিলে রান্নাঘরে গেলাম। পলাশ কেটলিতে পানি দিল দুই মগ।
আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ওকে দেখতে লাগলাম।
ওর পরনে একটা হাফ প্যান্ট। ওর লোমশ সুঠাম উরু দেখে আমার ছুঁয়ে দেখতে মন চাচ্ছিল।
উপরের ফুলহাতা টিশার্ট ভেদ কওে তার ব্যায়াম করা বুকের গঠন অনুভব করতে পারছি আমি।
আমি যে ভেতরে ভেতরে উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছি তা টের পেলাম ।

এরই মাঝে পলাশের চা বানানো শেষ । দুটো মগে করে চা নিয়ে পলাশ আর আমি ড্রয়িং রুমে আসলাম।
আমি ইচ্ছে করেই পলাশের কাছাকাছি বসলাম। এইচবিও চ্যানেলে একটা মুভি দেখছি দুজন। কথা বলছি আর চা খাচ্ছি। হঠাৎ আমি ইচ্ছে করেই পলাশের উরুতে চা ফেলে দিলাম । পলাশ চিৎকার দিয়ে উঠল।
আমি তাড়াতাড়ি দৌড়ে ওকে বাথরুমে টেনে নিয়ে ওর হাফপ্যান্টের কিছু অংশ সরিয়ে পানি ঢাললাম।
আমার চোখ তখন ওর পুরুষাঙ্গেও দিকে। প্যান্ট সরানোর সাথে সাথে ওর পুরুষাঙ্গটাতেও আলগোছে হাত বুলাতে লাগলাম।
বুঝতে পারছিলাম ওর ধোনটা ফুলে যাচ্ছে। পলাশ এবার লজ্জা পেল। সে কিছু না বলে বোকার মত তাকিয়ে থাকল।
আমি এই সুযোগ মিস করতে চাইলাম না।
পলাশের ধোন টা মুঠ করে ধরলাম।
পলাশ তখনও চুপ।
এবার সময় নষ্ট না করে প্যান্টের চেইন খুলে তার ৭ ইঞ্চি বাড়াটা দেখে অবাক হলাম।
মুন্ডিটা যেন আমার জিভের ছোঁয়া পাবার জন্যে দাঁড়িয়ে আছে।
জিভের আগাটা মুন্ডিটার ফুটোটাতে ছোঁয়ালাম।
পলাশ আহ করে আমার মাথাটা চেপে ধরল।
আমি এবার গোল মুন্ডিটা চুষতে থাকলাম।
পলাশ দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়ালো । আমি তার হাফ প্যান্ট পুরো নামিয়ে দিয়ে বিচিগুলা হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করতে থাকলাম আর ধোনটা আস্তে আস্তে মুখে পুরে লজেন্সের মত চুষতে থাকলাম।
পুরো ধোনটাই মুখের ভেতর নিলাম। মনে হল একটা সাগর কলা মুখে নিয়েছি।
পলাশ আমার মুখে হালকা ঠাপ দিতে শুরু করল। আমার গলা পর্যন্ত ধোনটা যেতে আসতে লাগল।
আমি শুধু চুষেই যাচ্ছি।
পলাশ মুখে শুধু আহ আহ করছে আর বলছে, সোনা এতদিন তুমি কই ছিলা ?
তুমি আগে কেন আমার ধোন চুষলা না। তাহলেতো আমার কষ্ট কওে হাত দিয়ে মাল ফেলতে হত না।
আমি পলাশের ধোন মুখ ঘুড়িয়ে ঘুড়িয়ে চুষতে লাগলাম।

কিছুক্ষণ পর বুঝতে পারলাম পলাশ এবার মাল ফেরবে। আমি শক্ত কওে ওর ধোনের পুরোটা মুখে রাখলাম । ও আর পারল না। আমার মাথা ধওে কেঁপে উঠে ওর ধোনের মাল আমার মুখে ফেলল।
আমি পুরোটা চুষে খেয়ে নিলাম।

পলাশ আমার দিকে তাকিয়ে বলল, থ্যাংকস শাওন।
আমি পলাশের দিকে তাকিয়ে বললাম, শুধু থ্যাংকস দিলে হবে না। আমাকে একদিন চুদতে হবে।
পলাশ বলল, অবশ্যই। তবে আজ না । আরেকদিন সোনা।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s