গ্রামের যৌন অভিজ্ঞতা ( কোন এক বন্ধুর অভিজ্ঞতা অবলম্বনে লেখা)

তখন ক্লাস এইটে পড়ি । গ্রীষ্মের ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছি। গ্রামের মাঠ, খাল, নদী সব ঘুরে ঘুরে দেখছি… ভালোই লাগছে। তবে সবচাইতে ভালো লাগত নদীর পাড়।
একদিন দুপুর বেলা..ঘড়িতে তখন বোধহয় ২ টা ৩০…দুপুরের খাওয়া দাওয়া সেওে সবাই তখন ভাত ঘুমে ব্যস্ত।
আমার বিছানায় শুয়ে থাকতে একদম মন চাচ্ছিল না। কি করব বুঝতে পারছিলাম না। চুপি চুপি পা টিপে টিপে ঘর থেকে বেরুলাম। কেননা পাশের ঘরে মা ঘুমুচ্ছিলেন । যদি জানতে পারেন এই ভর দুপুরে আমি না ঘুমিয়ে বেরুচ্ছি তাহলে চেচামেচি করবেন।
খা খা রোদ। তার মাঝেই মনের আনন্দে হাঁটছি আমি। নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে নদী দেখছিলাম। হঠাৎ চোখ পড়ল একটু দূরে কেউ সাঁতার কাটছে। আমি সাঁতার পারি না। তাই একটু আগ্রহ নিয়ে দেখছি।
আস্তে আস্তে সাঁতার কাটা মানুষটার অবয়ব স্পষ্ট হতে লাগল।
লোকটার বয়স ৩০-৩৫ হবে। সুঠাম শরীর। তামাটে শরীরের লোমশ বুকের লোমগুলো লেপ্টে আছে ভেজা বুকে। হাতের ফুলে ওঠা পেশিই বলে দিচ্ছে লোকটা কঠোর পরিশ্রম করে।
পানি থেকে ওঠার সাথে সাথেই আমার চোখ আটকে গেল লোকটার সুঠাম উরুতে। পুরুষের সৌন্দর্য বোধহয় তার উরুতেই থাকে।
কাছে গেলাম লোকটার। সারা শরীরে তার পানির বিন্দু বিন্দু ফোঁটা । বুকের কাল বৃন্তের দিকে তাকিয়ে ইচ্ছে করছিল একটু ঠোঁট ছুঁয়ে দিই । ভেজা লুঙ্গির ওপর দিয়ে বুঝতে পারছিলাম একটা আসল পুরুষের পুরুষত্ব কোথায়।
আমার দিকে তাকিয়ে হেসে বলল, কোন বাড়ির পোলা তুমি ?
আমি বললাম, আকরাম মুন্সি আমার দাদা হন ।
ও, তুমিতো আমার সম্পর্কে ভাতিজা হও। তা কদিন থাকবা গেরামে।
আমি বললাম এইতো ৪-৫ দিন।
হুম,ভালো, তা একদিন সময় কইরা আমাগো বাড়িত আইও…তোমাগো বাড়ির দুই বাড়ির পরেই আমার বাড়ি । নাম আমার মোকলেস। কইলেই বাড়ি দেহাইয়া দিব যে কেউ।
আমি আচ্ছা বলে চলে আসলাম।
সারা রাত ঘুমাতে পারলাম না। চোখ বুজলেই সেই ভেজা লোমশ বুক, সেই সুঠাম উরু, সেই ভেজা লুঙ্গিও সৌন্দর্য । উহ সব অসহ্য লাগছে।

পরদিন দুপুরে মোকলেস চাচার বাড়ি খুঁজে বের করলাম। শুনশান দুপুর।
বাড়িতে ঢুকে বললাম, মোকলেস চাচা…বাড়িতে আছেন?
কোন উত্তর নেই।
কি করব বুঝতে পারছিলাম না।
দোচালা টিনের ঘর। দরজা খোলা । উঁকি দিতেই আমার মাথা চক্কর দিয়ে উঠল। ও আল্লাহ! এ আমি কি দেখছি!
মোকলেস চাচা বেঘোরে ঘুমাচ্ছেন । তার পরনের লুঙ্গিটা কোমর থেকে নাভির উপরে উঠে আছে। পুরুষাঙ্গটা সোজা দাঁড়িয়ে আছে। কখনও উপরের দিকে উঠছে, কখনও নিচের দিকে নামছে।
আমি ঘরের ভেতর ঢুকলাম। পা টিপে টিপে। কাছ থেকে এমন দৃশ্য দেখার লোভ সামলাতে পারলাম না।
ধোনের গোড়ায় কোকড়ানো বাল। ইস্, যদি ছুঁতে পারতাম।
ধোনের বিচিগুলার সাইজ পুরাই বড় বড় সুপারির মত। আর ধোনের মুন্ডিটার কথাতো বাদই দিলাম । একটা বড়সড় কালো লিচু।
আমার একটা হাত আমার প্যান্টের ভিতরে ঢুকিয়ে আমার ধোনটা নাড়তে লাগলাম। চাচার ধোনটা তখনও সমান তালে মাথা নেড়েই যাচ্ছে।
হঠাৎ চাচা ঘুমের মধ্যে পাশ ফিরতে গিয়েই চোখ মেলে আমাকে দেখেই ভুত দেখার মত করে তাড়াতাড়ি পরনের লুঙ্গি ঠিক করল। কিন্তু ধোন বাবাজি তখনও তাবুর মত উঁচু হয়ে আছে ।
আমার একহাত তখনও প্যান্টের ভেতর। তাড়াতাড়ি হাত বের করলাম। প্যান্টটার জিপার পুরা ফুলে আছে।
চাচা উঠে বসে বললেন, আমার এই এক বদ অভ্যাস। ঘূমানোর সময় লূঙ্গি ঠিক থাকে না।
আমি পুরাই অপ্রস্তুত।
চাচা উঠে দরজাটা লাগিয়ে দিলেন। একা একা বলতে লাগলেন, তোমার চাচি ৭ দিন হল বাড়িত নাই। তাই বুঝতেই পারতাস। কিছু মনে করো না।
আমি চাচকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে লুঙ্গিও উপর দিয়েই ধোনটাকে ধরলাম । এবার যা হোক হবে।
চাচা হাসলেন। বললেন, ধোন ধরতে বালা লাগে?
আমি মুচকি হাসলাম।
মোকলেস চাচা একটানে তার লুঙ্গি খুলে দু পা দুদিকে দিয়ে চকিতে শুয়ে পরলেন ।
আমি তখন নেশায় বুঁদ। একটা পরিপূর্ণ উদোম পুরুষ আমার সামনে সব উজাড় কওে শুয়ে আছে।
আমি বেহুঁসের মত ধোনটা মুঠ করে ধরলাম। আমার প্যান্টের ভেতরটা ফুঁসে উঠল। চাচার লিচুর মত মুন্ডিটাতে জিবের ছোঁয়া দিতেই চাচা আহ্ করে উঠল। আমি এবার পুরো ধোনটার গা ছুঁয়ে ঠোঁট দুটোকে চেপে ধরলাম।
পুরো গরম একটা কলা। আমার মুখের লালা লেগে কালো ধোনটা চকচক করছিল।
বাম হাতে ধোনটাকে ধরে চুষেই চলছি আর ডান হাতে আমার নিজের কলাটা চটকাচ্ছি। চাচার গোঙ্গানি শুরু হল।
আহ। আহ। একি করতাস সোনা। ধোন চুষাতে এত মজা আগে জানতাম না। আহ। তুমার চাচি জীবনে আমার ধোন মুখে নেয় নাই । আহ।
আমি চাচার কথা শুনে চাচার বিচি দুটাতে জিব ছুঁয়ালাম । চাচা এবার আর শুয়ে থাকতে পারলেন না। উঠে বসে আমার মাথাটা সজোরে চেপে ধরলেন তার বিচিগুলোতে।
আমি ২-৩ মিনিট পরে উঠে দাঁিড়য়ে আমার টি শার্ট আর প্যান্ট খুলে পুরোপুরি উলঙ্গ হলাম ।
চাচা আমার কাছে এগিয়ে এসে আমার ধোনটা ধরে খেচতে লাগল । ততক্ষণে চাচার ধোন এর মুন্ডি থেকে হালকা রস বেরুচ্ছে।
চাচা তার মুন্ডির রস আমার ধোনের মুন্ডিতে মাখিয়ে দিলেন।
আমার এত ভালো লাগছিল যে বলার মত না। এত সুখ!
চাচা বলল, তোমাকে আজ করব।
আমি একটু ভয় পেলাম। এত মোটা সোনা কেমন করে যে নেব। আবার রাজিও হলাম। এমন ধোন দেখলে যে কেউই রাজি হতে বাধ্য।
চাচা ঘরের কোনার তেলের শিশি থেকে খানিকটা তেল নিযে তার ধোনে লাগালেন। তারপর তার দু আঙ্গুলে তেল লাগিয়ে আমার পাছার ফুটাতে ঢুকাতে লাগলেন। আমি আরামে আহ করে উঠলাম।
চাচা আমাকে বিছানায় কুকুর স্টাইলে বসালেন। এবার নিজে দাঁড়িয়ে মুন্ডিটা আমার ফুটাতে ঘসতে লাগলেন।
আমি আরামে চোখ বুঁজে ওর মুন্ডির ঘষা খাচ্ছিলাম। হঠাৎ টের পেলাম আমার পাছার ভেতর চাচার মুন্ডিটা ঢুকে গেছে। আমি হালকা ব্যথায় আহ করে বালিশ কামঢ়ে ধরলাম। চাচা এবার থামল না। আমার ধোনটা মুঠ কওে ধওে তার কোমড় দুলিয়ে ঠাপ দেয়া শূরু করল। আমি আস্তে আস্তে ব্যথাটা সহ্য করে ফেলেছি।
আমিও পাছা সমান তালে পেছন দিকে ঠেলতে লাগলাম। ওহ . . .এত মজা !
চাচা চিৎকার কওে চুদতে লাগল আমায় . . .তোমার পুটকি ফাডাইয়া দিমু।
আমিও কম যাই না . . .চাচার বুকের নিপলে হাত দিতে আদও দিয়ে বললাম . .দেখি কেমন চুদতে পারেন ।

মোকলেস চাচা আমাকে উল্টো করে তার কাধে আমার দু পা নিলেন।
ধোনটা সেট করেই দিলেন রাম ঠাপ ।
আমি বালিশ কামড়ে ধরলাম।
চাচা এবার চোদন ঝড় তুলল । বিছানা মচ মচ করছে চোদনের তালে তালে ।
পুরো ঘর জুঢ়ে পকাৎ পকাৎ শব্দ।
চাচার বিচিগুলো আমার পুটকিতে বাঢ়ি খাচ্ছে।
আমি চাচার বুকে হাত বুলাচ্ছি। আর এক হাতে নিজের ধোন খেচতে লাগলাম।
চাচা আমার ধোনটা চাপ দিয়ে ধরে খেচতে লাগল । চাচা বলতে লাগল, ওওে . ,. আমার মাল চলে আসছে . . আমি টের পেলাম আমার ভেতওে গরম মাল ছিটকে ছিটকে পড়ছে।
আমিও আমার মাল ছেড়ে দিলাম। সে যে কি সুখ বলে বোঝাতে পারব না।
চাচা আমার বুকে শুয়ে পড়ল । আমাদের দুজনের শরীরে তখন বিন্দু বিন্দু ঘাম। একেই বোধহয় সুখের ঘাম বলে।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s