গে সেক্স এ কিভাবে অ্যানাল সেক্সকে দুইজনের জন্যই আনন্দদায়ক করে তুলবেনঃ

11গে সেক্স এ কিভাবে অ্যানাল সেক্সকে দুইজনের জন্যই আনন্দদায়ক করে তুলবেনঃ

– এনাল সেক্স এ অনেক বেশি লুব্রিক্যান্ট ব্যবহার না করলে ব্যথা হতে পারে । পেট্রলিয়াম জেলী ব্যাবহার না করে সিলিকন বেসড লুব ব্যবহার করুন।

– অ্যানাল সেক্সের জন্যও ফোরপ্লে অনেক জরুরী। বোটম যখন হর্নি হবে তখন তার শরীর অ্যানাল সেক্সের জন্য আরও প্রস্তুত হবে। তার সারা শরীরে হাত ঘষে কিস করে হর্নি করে তুলুন । তার অ্যাস দুইটি চাপুন, কিস করুন। শুরুতে অ্যাসে ফিঙ্গারিং দিয়েও শুরু করতে পারেন। তাকে সেক্সুয়ালি রিল্যাক্সড করে তুলুন। দেখবেন একটা সময় বোটমও সেও পাগল হয়ে যাবে অ্যানাল করার জন্য।

– অ্যানাল সেক্সে রোগ ছড়ায়। তাই কনডম ব্যাবহার করুন।

সেক্সের সব কিছুই দুইজনের এনজয়ের ব্যপার। তাই বোটম কে অ্যানালের মজা বুঝতে দিন। জোর না করে তাকে সিডিউস করেই এটি করুন।

কনডম:

প্রোটেক্টিভ সেক্স, কথাটার সাথে প্রথমেই যে ব্যাপারটা আসে তা হল কনডম। গে সেক্স এর মাধ্যমে বিভিন্ন যৌন রোগ, বা sexually transmitted diseases (STD) প্রতিরোধে কনডম বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কনডম ব্যবহারের জন্য কিছু জিনিস জানা থাকা বেশ দরকার। এতে সেক্স করতে যেমন সুবিধা হবে তেমনি প্রায় ১০০% নিরাপদ সেক্সও নিশ্চিত করতে পারবেন।
সোজা কথায় কনডম হল বিভিন্ন রকম পদার্থের তৈরি একধরনের কভার যা পেনিস এর উপরে পরা হয় সেক্সের সময়ে।

স্পার্মিসিড (spermicide): এই কনডম গুলো লুব্রিকেটেড হয় এবং এগুলোর ভেতর স্পার্ম ধ্বংসকারী কেমিক্যাল থাকে।

স্পার্মিসিড ফ্রি (spermicide free): যাদের স্পার্মিসিডে এলার্জি আছে তারা এই কনডম ব্যাবহার করতে পারে। কনডমের সাইড এফেক্ট এমনিতেই কম থাকে। এধরনের কনডমে সাইড এফেক্ট নেই বললেই চলে।

ল্যাটেক্স (latex): ল্যাটেক্স কনডম গুলোর ইলাস্টিসিটি অনেক বেশি বলে এগুলো প্রায় ৮০০% পর্যন্ত স্ট্রেচ করা যায়। এই কনডম গুলোই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে এগুলোর সাথে তেল ধর্মী লু্ব্রিক্যান্ট ব্যাবহার করা যায় না, কারণ তেল ল্যাটেক্স কে ভেঙ্গে দিতে পারে।

নন ল্যাটেক্স (non latex): অনেকের ল্যাটেক্সে এলার্জি থাকার কারণে নন ল্যাটেক্স কনডম ব্যাবহার হয়ে থাকে। এগুলো সাধারণত polyurethane বা অন্যন্য সিন্থেটিক পদার্থের তৈরি হয়। এছাড়া প্রাকৃতিক ভ্যাড়ার চামড়া দিয়েও কিছু তৈরি হয়।

কিভাবে কনডম ব্যবহার করবেন:
কনডম ব্যবহার বেশ সহজ, তাছাড়া কনডমের প্যাকেটেই ইন্সট্রাকশন লেখা থাকে। তাও এ ব্যাপারে কিছু জিনিস জানা থাকা ভাল।
– কনডম ব্যবহারের আগে এক্সপায়ারি ডেট দেখে নিন। এক্সপায়ারি ডেট পার হওয়া কনডমের ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
– এনাল এর সাথে পেনিসের কোন রকম স্পর্শের আগেই কনডম পরে নেওয়া উচিত। কেননা স্পার্ম আউট ছাড়াও প্রি-কাম-ফ্লুইড (pre-cum-fluid) বলে তরল পদার্থ পেনিস থেকে বের হয় যা ছেলেরা টের পায় না খুব একটা তাই পুল আউট ব্যাবস্থা, অর্থাৎ স্পার্ম আউটের আগে পেনিস বের করে ফেলা কার্যকর নয় বাস্তবে।
– প্রত্যেক ইরেকশনের জন্য একটা কনডম ব্যাবহার করুন।

– প্যাকেট থেকে কনডম বের করার সময় সাবধান। ছিড়ে ফেললে বা ভেঙ্গে গেলে আরেকটা কনডম ব্যবহার করুন। ভেঙ্গে যাওয়া কনডম কোন দিক থেকেই সেক্সকে নিরাপদ করে না।

– চাইলে কনডমের ভেতর এক দুই ফোটা লুব্রিক্যান্ট দিতে পারেন। এতে কনডম পরতে যেমন সুবিধা হয় তেমনি তা ছেলেদের জন্য বেশি মজারও হয়।
– পেনিস পুরোপুরি দাড়ানোর পরই কনডম পরুন।
– সামনের দিকে আধা ইঞ্চির মত জায়গা রাখুন কনডমে স্পার্ম ধারনের জন্য।
– সামনের দিকে বাতাস থাকলে তা হাত দিয়ে চেপে ভেতরে নিয়ে যান এবং পেনিসের উপর কনডম যতটুকু স্ট্রেচ হয় ততটুকু করুন। কোন বাতাসের বুদবুদ থাকলে তা সমান করুন, এগুলো কনডম ভেঙ্গে ফেলতে পারে। কনডম পরার পর চাইলে লুব্রিক্যান্ট দিতে পারেন উপরে সেক্স শুরুর সময়।
– পেনিস নরম হওয়ার আগেই কনডম সহ পেনিস বের করে ফেলুন।
– কনডম খোলার সময় আরেকজন কনডম ধরে রাখুন আরেক জন খুলুন, এতে স্পার্ম ছড়িয়ে পরবে না।
– কনডম টয়লেটে, কমডে ফ্লাশ না করাই ভাল। বাচ্চাদের নাগালের বাইরে কোন ট্র্যাশ বিনে ফেলুন।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s