হাতের সুখ

বছর দেড়েক আগের ঘটনা।
তখন আমি সবে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়ি। বাসা ধানমন্ডি শংকর । মতিঝিল গিয়েছিলাম।
ফেরার সময় রাজাসিটি বাসে উঠলাম। আমি দরজা দিয়ে উঠেই বাম পাশে যে সিট, সেটায় বাসের প্রায় মাঝামাঝি বসলাম।
গুলিস্তান পর্যন্ত আসতেই বাস ভরে গেল।
তখন মে মাস। রাস্তায় প্রচন্ড জ্যাম তার উপর ঘাড়ের উপর লোকজন দাঁড়িয়ে আছে।
গরমে আমার অবস্থা কাহিল। প্রচন্ড বিরক্ত লাগছিল। আমার পাশে একটা ভদ্রলোক দাঁড়িয়ে ছিল। পরনে সাদা শার্ট, ব্ল্যাক ফরমাল প্যান্ট।
পোশাক দেখে মনে হয় জব করেন। আমার দিকটা ভিড় কম হওয়ায় লোকটা আমার পাশে এসে ডানহাতে আমার সিটের সামনের বাঁকা রেলিংটা আর বামহাতে আমার পেছনের খাঁড়া রডটা ধরে দাঁড়াল।
এভাবে দাঁড়ানোতে আমি সবার চোখে লোকটার আঁড়ালে ঢাকা পরলাম।
লোকটাকে আড়চোখে দেখলাম। ফর্সা, মুখে নীলাভ একটা ভাব আছে হালকা দাড়ির।
বডি ফিটনেস খুব ভাল। পেশি দেখেই বোঝা যাচ্ছিল। জোড়া ভুরু, পুরুষালি চেহারা।
গরমে আর সারাদিন কাজে বোধহয় লোকটার চেহারায় ক্লান্তির ছাপ।

আমি ডান হাত সামনের রেলিং এর যেখানটা লোকটা ধরে রেখেছে সেখানে ধরা আর বাম হাতটা আমার বাম উরুর উপর রাখা।
বাসের ঝাঁকুনিতে আমার ডান হাতের কন্্্্্্্্্্্্্্্্ুইটা বারবার লোকটার উরু স্পর্শ করতে লাগল।
ফরমাল প্যান্টের উপর দিয়ে সুঠাম উরুর স্পর্শে আমি এতটা উত্তেজিত হয়ে পড়লাম যে আমার মাথা ঝিমঝিম করতে লাগল।
আমি এবার হাতটা একটু উঁচু করে এমন ভাবে রাখলাম যে ঝাঁকির তালেতালে হাতের কনুইটা লোকটার উরুর উপরের অংশে ভিতরের দিকে স্পর্শ করতে লাগল।

এদিকে আমার অবস্থা খারাপ কিন্তু লোকটার কোন বিকার নাই। লোকটা বুঝতে পারছে না যে কাজটা আমি ইচ্ছা করে করছি। সাহস বেড়ে গেল। বড় একটা ঝঁকুনির সুযোগে কনুই দিয়ে প্যান্টের জিপারের উপর দিয়ে আমি লোকটার ধোন স্পর্শ করলাম। ও হো হো . . . . পুরাই সাগর কলার সাইজ. . .ধোনটা ফুলে আছে। লোকটা একটু পেছনে সরে গেল। আমার হাত তখন নিশপিশ করছে ধোনটা মুঠ করে ধরার জন্যে। একটা লোকের ধোন যে এতটা মোটাতাজা হয় তা কখনও কল্পনাও করি নাই।

হাত দুটো ভাঁজ করে এমনভাবে রাখলাম যেন লোকটার ধোনে আমার বাম হাত লাগে। এবারও লোকটা ছিটকে সরে গেল। এবার বোধহয় লোকটা বুঝতে পারছে যে এসব আমি ইচ্ছা করে করছি। এবার আর সহজে সোজা হয়ে দাঁড়ায় না। কিন্তু কত¶ন আর বাঁকা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা যায় ! একসময় আবার লোকটা সোজা হল। আমি তৃতীয় বারের মত লোকটার ধোনে হাত দিলাম। এবার আমার অবাক হওয়ার পালা। লোকটা নিজে থেকেই তার ধোনটা আমার হাতের আঙ্গুলে ঘষা দিতে লাগল। লোকটা হয়ত ধরেই নিয়েছিল যে আমি আবারও হাত দিব। আমার সাহস আরও বেড়ে গেল। এবার আর আমি হাত সরিয়ে না নিয়ে ধোন স্পর্শ করে থাকলাম।
হাতের আঙ্গুল দিয়ে ধোনের উপর বুলাতে লাগলাম। লোকটা সোজা হয়ে দাঁড়াল। এবার আমি ফরমাল প্যান্টের উপর দিয়ে লোকটার মুন্ডি খোঁজার চেষ্টা করলাম। লোকটার দিকে তাকিয়ে দেখি সে অন্য দিকে তাকিয়ে আছে। আমি আমার তর্জনীটা প্যান্টের উপর দিয়ে ধোনের উপর থেকে নিচে, নিচে থেকে উপরে আলতো করে বুলাতে লাগলাম। কিছু¶ন বুলানোর পর লোকটা তার ধোন আমার হাতে চেপে ধরল । বুঝতে পারলাম যে যৌন উত্তেজনায় লোকটার অবস্থা কাহিল। আমি মোলায়েমভাবে এবার ধোনের উপরে ও চারপাশে আলতো করে আঙ্গুল দিয়ে আদর করতে লাগলাম। মিনিট খানেক পর লোকটা তার পাছা আর উরুর মাংশপেশী টানটান করে ফেলল। হঠাৎ এক ঝটকায় কোমর বাকা করে ধোনটা হাত থেকে সরিয়ে নিল। হয়ত ধোনের মাল পড়ে যাবে এই ভয়ে সে নুনুটা সরিয়ে নিল। একটু পর সে তার ধোনটা আমার হাতের সাথে স্পর্শ করালো। আমি আবারও তার ধোনটা চাপ দেয়া শুরু করলাম। মিনিট খানেক পর আবারও সে তার পাছা আর উরুর মাংশপেশী টানটান করে ফেলল। কিন্তু এবার আর ধোন সরাল না। আর পাঁচ ছয়টা চাপ দেবার পর লোকটা তার ডান হাতটা রেলিং এর উপর রাখা আমার বাম হাতটা খামচে ধরল। আমি তাড়াতাড়ি হাত সরিয়ে নিলাম ধোন থেকে। বুঝলাম লোকটার মাল যে কোন মুহূর্তে বের হয়ে যেতে পারে।

বাস শংকরের কাছাকাছি চলে আসল। আমি উঠলাম। বাস থেকে নামতে হবে। লোকটা মৃদু হাসল। তার মানিব্যাগ থেকে একটা ভিজিটিং কার্ড বের করে আমার হাতে দিল। এ যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি।
বাস থেকে নামলাম। লোকটা তখনও আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি আমার বাম পকেট থেকে সেল ফোনটা বের করে ভিজিটিং কার্ড থেকে নাম্বারটা সেভ করলাম। একটা মেসেজ পাঠালাম. . . . হাতের সুখ দেবার জন্যে ধন্যবাদ.. . . .

One thought on “হাতের সুখ

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s