হামাক তুই রোজ আদর দিবি

সুনীল সাঁওতাল। টগবগে ২০ বছরের যুবক। ও ভালবাসে একই পাড়ার পবনকে । দুজনের মাঝে বেজায় ভাব ।
তুই হামাক এত আদর করিস কেন ? পবন সুনীলের চোখে চোখ রেখে বলল ।
ভালো লাগে। পবনের হাতের আঙ্গুল তখন সুনীলের মুখের খোঁচা খোঁচা দাড়ি ছুঁয়ে যাচ্ছে ।
সুনীলের শরীরে শরীর ঠেকিয়ে পবন বসে আছে। দুজনেরই উদোম গা। পবনের লোমহীন বুকে সুনীলের লোমশ বুক লেপ্টে আছে। সুনীল পবনের বুকে হাত নিল। তোর বুকটা এত নরম কেনে?
পবন হেসে বলল , তুইতো নরম করেছিস, এখন হামাক কেন জিজ্ঞেস করিস?
সুনীল পবনের দুটো বোঁটায় আঙুল দিয়ে খুঁটছিল।
পবন বলে উঠল, বুঝতি পারিছি তুমি মোর পিছন দিকে খুঁচন দিবার চাও।
সুনীল হাসল, তুই বুঝতে পেরেছিস।
হ।
তাহলে তোর পরনের ধুতিটা খোল।
না।
কেন? সুনীল একটু কপট রাগ দেখিয়ে বলল ।
আদর করতে দিলে কি দিবি বল? পবন হাসল. .
বিকেলে হাটে তোকে গুড়ের পাটালি কিনে দেব, আর মনিহারির দোকান থেকে একটা আতরের শিশি কিনে দেবো।
দিবি তো। পবন সুনীলের লোমশ বুকে হাত বুলায়।
হ্যাঁ।
আগের বার করলি কিন্তু দিলি না। পবন অভিমানের সুরে বলল।
এবার তোকে ঠিক দেবো। সুনীল পবনের চোখে চুমু খেয়ে বলল।
পবন একটু নরম হয়ে এলো। সুনীলের দিকে তাকাল, সুনীল হাসছে, ওর ডান হাতটা পবনের বাঁদিকের বুকটা চটকে যাচ্ছে। দুজনে মুখো মুখি বসে আছে। পবন আর একটু কাছে এগিয়ে এলো। সুনীলের বাম হাতটা ধরে একটা চুমু খেলো। পবন ওর পিঠটা সুনীলের বুকে রেখে ঠেসান দিয়ে বসলো। সুনীল পবনের ঘাড়ে একটা চুমু খেলো। দুহাতে মনের সুখে বুক টিপছে। যেন হাতের সুখ করছে।
খালি টিপবি করবি না?
করবো করবো, এত তাড়াহুড়া করছিস কেনো।
হামাক তাড়াতাড়ি যাইতে হবে, কাম আছে। পবন কামুক চোখে তাকায়।
সুনীল পবনের কানের লতিতে জিভ দিল, পবন নড়েচড়ে উঠল।
সুনীল পবনের গালে একটা চুমু খেলো। কথা বলার ফাঁকেই পবনের কাপড় ও খুলে ফেলেছে। পবন এখন উদম গা। ওর দুপায়ের মাঝখানে একটা ছোট্ট জায়গা জুড়ে চুলের জঙ্গল, তার মাঝেই ধোনটা দাঁড়ানো। লাফালাফি করছে।
পবন বলল , জানিস ! মাঝে মাঝে অন্ধকার ঘরে উলঙ্গ হয়ে ছোট আয়নাটা নিয়ে নিজেই নিজেকে দেখতাম, ভাল লাগত।
সুনীল হাসল।
তোর প্যান্টটা খোল। পবন সুনীলকে বলল।
তুই খুলে দে।
পবন হাঁটুর ওপর ভর দিয়ে নীল ডাউনের মতো দাঁড়াল, হুকটা খুলে পেন্টটা কোমর থেকে নামালো। ওমনি সুনীলের পুরুষাঙ্গটা লাফিয়ে বেরিয়ে এলো।

আরি বাবা ! তোর ধোনটাতো বেশ বড় হয়ে গেছে। কতো বড় , আর কি শক্ত ! পবন সুনীলের ধোনটা ধরে হাসলো।
আবার দুজনে বসে পরলো। এবার দুজনেই উদম গায়ে, ঝিরি ঝিরি বাতাস বইছে। সামনে ফাঁকা মাঠ। দিগন্তে সবুজ রেখা, আকাশটা যেন ঐ দিগন্তের ঠিক পেছনে শেষ হয়ে গেছে। খোলা আকাশের নীচে পৃথিবীর সবচেয়ে মূল্যবান খেলা খেলে চলেছে দুই মানব , কোথাও একটা কোকিল ডেকে উঠলো। পবনের ঠোঁটে ঠোঁট ঘষছে সুনীল, পবন সুনীলের জিভটা আইস্ক্রিমের মতো চুষে খাচ্ছে। পবন হাসলো।
তোর ভাল লাগে হামাক?
পবন মুখ নীচু করে মাথা দোলালো। হ্যাঁ ।
সুনীল পবনের বুকে মুখ রাখল, সুনীল পবনের দুধটা খেতে লাগল । ও সুনীলের মাথাটা বুকের সঙ্গে চেপে ধরলো, সুনীলের একটা হাত পবনের আর একটা দুধকে মুচড়ে মুচড়ে দিচ্ছে। পবন একটা হাতে সুনীলকে বুকের সঙ্গে সেঁটে ধরেছে , আর একটা হাত সুনীলের ধোনটা নিয়ে খেলা করছে। সুনীল পবনের বুক থেকে মাথা তুললো, একটা বোকা বোকা হাসি, পবন একদৃষ্টে সুনীলের দিকে তাকিয়ে আছে।
কি দেখছিস?
তোকে।
সুনীল পবনের মাথাটা নামিয়ে নিয়ে এসে ওকে চকাত করে একটা চুমু খেলো।
একটু চোষ। ধোনটা পবনের হাতে দিয়ে সুনীল বলল।
তুই আমারটা চুষবি আমি তোরটা চুষবো।
পবন হামাগুড়ি দিয়ে সুনীলের সামনে এগিয়ে এলো। ওর ঐ অতো বড় শক্ত হয়ে ওঠা ধোনকে ধরে পবন একবার চুমু খেলো।
সুনীল নিজে হাতে ধোনের চামড়াটা সরিয়ে দিল ।
আরি বাবা ! কি লাল! মুন্ডিটা একটা ছোট কষ্ঠে পেয়ারার মতো। পবন একবার তাকিয়ে হাসলো।
পবন হাঁটু মুড়ে বসে সুনীলের বাড়া নিয়ে খেলা করছিলো, একবার চটকায় আবার হাত বোলায়, সুনীল ইশারায় ওকে মুখ দিতে বললো, পবন এগিয়ে এল একবার জিভ দিয়েই মুন্ডিটাতে ছোঁয়ালো । নোনতা নোনতা লাগে।
পবন আবার মুখ দিলো, চোখ বন্ধ করে একবার মুখের মধ্যে ঢুকিয়েই বার করে নিল, সুনীল ওর দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে আছে,পবন আবার মুখ দিল এবার অনেকটা মুখের মধ্যে ঢুকিয়ে একটু চুষলো। একটা চকাস করে আওয়াজ হলো।
সুনীল বসে পরে পবনের ধোনেতে হাত দিলো। দে একটু মুখ দিই।
পবন চিত হয়ে শুয়ে পা দুটো ফাঁক করলো। সুনীল উপুড় হয়ে পবনের ধোনেতে মুখ রাখল। পবন প্রথমবার একটু কেঁপে উঠলো। সুনীল জিভ দিয়ে আস্তে আস্তে মুন্ডিটা চেটে চলেছে এক মনে, একবার ডানদিকে মাথা ঘুরিয়ে আর একবার বাঁদিকে মাথা ঘুরিয়ে। সুনীল ডানহাতের একটা আঙুল পবনের পাছার ফুটোয় রেখে একবার খোঁচা মারলো। পবন সজোরে কোমরটা দুলিয়ে উঠল, সুনীল মিটি মিটি হাসলো। কিছুক্ষণ পর সুনীল উবু হয়ে বসলো, পবনকে বললো, তুই আমার দিকে পেছন ফিরে আমার মুখের ওপর বোস, আমি তোরটায় মুখ দেবো , তুই আমরটায় মুখ দে। পবন রাজি হয়ে গেলো।
সুনীল মাথা দুলিয়ে দুলিয়ে পবনের ধোন আর বিচি চেটে চলেছে। মাঝারি আকারের সবরি কলার মত পবনের ধোন। সুনীলের জিভটা যখন ধোনের ওপর থেকে নিচে নামছে তখন পবন কেঁপে কেঁপে উঠছে। সুনীল এবার জিভটা পাছার ফুটোতে নিয়ে গিয়ে থামিয়ে শুরশুরি দিচ্ছে, আর পবন কোমর দুলিয়ে উঠছে। সুনীল মাঝে মাঝে নাক দিয়ে ঐ জায়গাটা ঘোষছে, পবন অঁ আঁ করে উঠছে, ওর মুখে সুনীলের শক্ত হয়ে ওঠা ধোন দুহাতে চেপে ধরে মাথা ওপর নীচ করে চুষছে। যেন এখুনি ওটা কামড়ে খেয়ে ফলবে।
সুনীল পবনের ফোলা ফোলা পাছা দুটো খামচে খামচে ধরলো। চারিদিক নিস্তব্ধ, একটা অঁ অঁ অঁ শব্দ ঐ নিস্তব্ধতাকে ভেঙে খান খান করে দিচ্ছে। পবন সুনীলের ধোনের চামরাটা একটু টেনে নামালো সুনীলের কোমরটা একটু দুলে উঠলো। পবন জিভ দিয়ে সুনীলের ধোনের মুন্ডিটা চাটছে। সুনীল পবনের পাছাটা সরিয়ে উঠে বসলো। তখনো পবনের মুখে সুনীলের শক্ত হয়ে ওঠা ধোনটা ঢোকানো, পবন একমনে মাথা দুলিয়ে চুষে চলেছে। কিছুখন পর সুনীল বললো, এবার আয় করি।
পবন চিত হয়ে শুয়ে ঠ্যাং ফাঁক করল। সুনীল পবনের দুপায়ের ফাঁকে হাঁটু মুড়ে বসলো,পবনের পা দুটো তখন সুনীলের কাঁধে।
সুনীল আস্তে করে ওর ধোনটা পবনের পাছায় ঠেকিয়ে একটু ঘষা ঘষি করলো।
ঢোকা। পবন অস্থির হয়ে বলল।
দাঁড়া না। সুনীল মুচকি হাসল ।
আমার কেমন যেন করছে। সুনীলের বুকে হাত বুলিয়ে পবন বলল।
সুনীল হাসলো।
ডানহাতে ধোনটা ধরে তাতে মুখ থেকে একদলা থুথু ফেলল। পবনের পুটকিতেও থুথু মাখল।
এবার পবনের পুটকিতে একটা চাপ দিল, পবন ওক করে উঠল।
কি হলো।
লাগতিছে রে লাগতিছে।
পবন চোখ বন্ধ করে মাথাটা দোলাচ্ছে।
সুনীল ওর ধোন পবনের পাছা থেকে বার না করেই একটু নাড়াচাড়া করলো। আবার একটু ঠেলা দিল, অনেকটা ঢুকে গেছে। পবন পা দুটো একটু উঁচু করে আরো ফাঁক করলো। সুনীল আর একটু জোরে চাপ দিতেই পুরোটা ধোন ঢুকে গেল। পবনের তখন অবস্থা কাহিল। সে নিজেই নিজের বুকের বোঁটা দুটো চাপতে লাগল। সাপ যেমন তার শিকার আস্তে আস্তে গিলে খায়, পবনের পুটকিটাও যেন সুনীলের ধোনটাকে গিলে ফেলেছে। সুনীল নীচু হয়ে পবনের দুধ এর বোঁটা দুটো চুষছে। চকাৎ চকাৎ আওয়াজ হচ্ছে। পবন চোখ বন্ধ করে পরে আছে। সুনীলের কোমর নড়ে উঠলো, ধোনটা সামান্য বেরিয়ে এসে আবার জায়গা মতো ঢুকে পরলো। ফচাৎ করে একটা আওয়াজ হলো।
সুনীল পবনের দুধ চুষতে লাগলো। আবার একটু কোমর উঁচু করে ধোনটা বার করে নিয়ে আবার ঢোকাল। পবন একটু বেঁকে আবার সোজা হয়ে গেলো। হাত দুটো দিয়ে সুনীলের গলা জরিয়ে ধরেছে সে। পবন কোমর একটু তুলে আবার জায়গা মতো রাখলো।
কর।
করছি তো।
আরটু ভেতরে দে। সুনীল একটু নড়ে চড়ে আবার কোমরটা দুলিয়ে সজোরে চাপ দিলো, পবনের পা দুটো এবার সুনীলের কোমরটাকে জড়িয়ে ধরলো।
এই পবন তোর ভেতরটা কি গরম।
তোরটাও তো গরম। হামার ঘরের লোহার রড।
তোরটা তো পানা পুকুর। লোহার রড পানা পুকুরে ঢুকে ঠান্ডা হচ্ছে।
পবন হাসলো, তোর ভালো লাগছে।
হ্যাঁ।
তোর।
আজ একটু বেশি ভালো লাগে, ভেতরটা কেমন শির শির করে।?
সুনীল পবনের মুখের দিকে চেয়ে হাসছে। পবনের চোখ কেমন আবেশে বুজে বুজে আসছে।
কোমরটা একটু লাচা।
সুনীল দুচারবার জোরে জোরে কোমরটা নাচিয়ে দিল, পবন উঃ উঃ করে উঠলো।
কি হলো।
তোরটা বাড়াটা শক্ত, নাচালে বড় লাগে, এই রকম থাক।
তাহলে বেরোবে না।
কি বেরোবে।
রস।
ও বার করতে হবে না। আমার ভেতরটা কেমন শির শির করে।
সুনীল পবনকে শক্ত করে জাপ্টে ধরে ঠোঁটে ঠোঁট রেখে প্রবল বেগে কোমর দোলাতে আরম্ভ করলো, ওর শক্ত বাড়াটা একবার ভেতরে যায় আবার বেরিয়ে আসে কেমন ফচাৎ ফচাৎ আওয়াজ হচ্ছে, পবনের মুখ দিয়ে একটা গোঁ গোঁয়ানি শব্দ, পরিষ্কার নয়, সুনীল ওর ঠোঁট দিয়ে পবনের ঠোঁট চুষে চলেছে। একটা আঁ আঁ শব্দ খালি কানে আসছে। সুনীল তখনো কোমর দুলিয়ে চলেছে পবনের পাছায়,কিছুখন এইরকম করার পর দুজনেই কেমন নিস্তেজ হয়ে গেলো। সুনীলের পিঠে বিন্দু বিন্দু ঘাম।

সুনীল উঠে দাঁড়ালো। ওর ধোনটা একটু নিস্তেজ হয়ে এসেছে, কিন্তু সামান্য সামান্য কেঁপে কেঁপে উঠছে। পবন শুয়ে আছে। ওর পাছাজুড়ে সাদা সাদা ফেনার মতো মাল লেগে আছে।
পবন সুনীলের ঠোঁটে চুমু খেল আর বলল , হামাক তুই রোজ আদর দিবি ।

2 thoughts on “হামাক তুই রোজ আদর দিবি

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s