মাঝরাতে সম কামের ছোঁয়া……………

ঢাকায় যাচ্ছি । একজন অসুস্থ আত্মীয় কে দেখার জন্য। সিলেট হতে সকাল দশটায় রওয়ানা হয়ে বিকাল পাঁচটায় হাসপাতালে পৌঁছলাম । হাসপাতালে গিয়েছিলাম । রোগীর দেখাশুনা ও কথাবার্তা বলতে বলতে রাত অনেক রাত হয়ে গেল।
আমি ঢাকায় গেছি শুনে আমার এক ফেসবুক বন্ধু আমার সাথে দেখা করার জন্য হাসপাতালে আসে । তার বাড়ীও সিলেটে । তবে সে শাহাজাহান পুরের একটি বাসায় থাকে স্বপরিবারে । রোগী দেখার পর রোগীর সিটের অদুরে আমরা খোশ গল্পে ব্যস্ত হয়ে গেলাম। রাত কটা বাজে আমাদের সে দিকে মোটেও খেয়াল নেই । প্রতিটি হাসপাতালের মত এই হাসপাতালের ও রোগী দেখার সময়সীমা নির্দিস্ট আছে তাই হাসপাতালের কর্মীরা এসে সবাইকে সতর্ক করে দিল যাতে করে যে যার বাসায় চলে যায়। রাতে রোগীর সাথে কেউ থাকতে পারবেনা । তবে একজন অনুমতি সাপেক্ষে থাকার নিয়ম আছে । সে নিয়ম অনুসারে আমার আত্মীয়ের সাথে বিগত তিনদিন প্রর্যন্ত আমাদের অন্য একজন আত্মীয় থেকে আসছে ।
আমার ফেসবুক বন্ধুটি আমাকে তার বাসায় যাওয়ার জন্য অনুরোধ করল । আমিও খুব টায়ার্ড ছিলাম । তাই খুশি মনে তার দাওয়াত মেনে নিলাম । আমার আত্মীয়র কাছ হতে বিদায় নিয়ে আমি চলে গেলাম। আমরা হাসপাতাল হতে নামলাম এবং একটা রিক্সাকে ডাক দিলাম— এই খালি যাবে? হ যাব রিক্সা ড্রাইভার জবাব দিল। কত নিবে, চল্লিশ টাকা। বন্ধুটি আর কোন দরাদরি করল না রিক্সায় উঠে বসল। তার পাশে আমিও উঠে বসলাম। বন্ধুটির বিশাল শরীর, লম্বায় পাঁচ ফুট দশ ইঞ্চির কম হবেনা । শরীরের পেশি গুলো ফোলা ফোলা । হাতের আঙ্গুল গুলোও বেশ মোটা ও লম্বা, গায়ের রং শ্যামলা , পুরুষালী চেহারা । আমিও স্লীমের চেয়ে একটু মোটা, বেশ মোটা না হলেও আমাকে কেউ স্লিম বল্বেনা ।
রিক্সায় দুজনে ঠাসাঠাসি হয়ে গেলাম । রিক্সা চলতে শুরু করল । জানতে চাইলাম বাসা এখান হতে কত দূর । ও বলল অনেক দূর । আমি আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলাম তাহলে আমরা সি এন জি নিতে পারতাম । বন্ধু লোকটি হেসে জবাব দিল বন্ধুর সাথে সি এন জির চেয়ে রিক্সায় চড়তে মজাটাই আলাদা । আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ করতে লাগলাম । অল্পক্ষনের মধ্যে আমরা বাসায় পৌঁছে গেলাম । বাসায় পৌছে দেখলাম কেউ নেই । বাসায় কেউ না থাকায় জিজ্ঞেস করলাম, ভাবিরা কোথায়? সে বলল, তারা হঠাত একটা বাসায় বেড়াতে গেছে আজ রাত ফিরবেনা । কি আর করা ।
আমরা দুজনে খেয়ে নিলাম । শুয়ার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে দেখলাম তাদের বাসায় দুটি রুম , একটি বারান্দা । বারান্দার এক প্রান্তে একটি বাথ রুম। আমাকে একটা রুমে শুতে দিয়ে লাইট অফ করে সে অন্য রুমে চলে গেল । আমি ক্লান্ত । শুয়া মাত্র ঘুমিয়ে গেলাম। কতক্ষন পর জানিনা আমার পুরুষাঙ্গে একটা চাপ অনুভব করলাম । বুঝতে আমার একটু সময় লাগলো । আমার লুঙ্গির উপরে কার হাত টা বুঝতে পারলাম । আমি স্পষ্ট বুঝে গেছি ।
আমি বললাম একি করছেন ? সে বলল ,আমি আর আপনি দুজনে আলাদা শুতে ভাল লাগছেনা । তাই আপনার কাছেই চলে এলাম। আমি চুপ করে রইলাম । আমার মৌন সম্মতি পেয়ে সে সাহসী হয়ে আমার লুঙ্গির ভেতর দিয়েই হাত ঢুকাল । আমি আরামে চোখ বুঝলাম । আনেকদিন পর কেও আমার পুরুসাঙ্গ ধরল । ভালই লাগছে । সে এক টানে আমার লুঙ্গির গিট খুলে তার লুঙ্গিটাও খুলে রাখল । আমার পাশে এসে বসে আমাকে কাত হতে চিত করল। তার দুঊরুকে আমার কোমরের দুপাশে রেখে হাটু গেড়ে উপুড় হয়ে আমার পুরুষাঙ্গটাকে তার পাছায় ঘষতে লাগলো । আর আমার বুকের বোঁটা চুষতে লাগলো চুক চুক করে । একটা চোষতে শুরু করে দিল,আরেকটা কে মলতে আরম্ভ করল ।
আমি কোন প্রকার বাধা দিলাম না বরং আমি তার ঝুলে থাকা ধোন টা ধরে আলতু ভাবে আদর করতে লাগলাম। আমার হাতের স্পর্শ পেয়ে তার ধোন বিশাল আকার ধারন করল । আমি অবাক হয়ে গেলাম হায় — বি—শা—ল ধোন মনে মনে ভাবলাম হাতির লিঙ্গও তার ধোনের কাছে লজ্জা পেয়ে যাবে। যেমন শরীর তেমন বাড়া মানুষের লিঙ্গ এত বড় হতে পারে আমি কল্পনা করতেও পারছিনা । জীবনে দুষ্টামি করে অনেক বন্ধুদের বিশাল বিশাল ধন হাতাইসি কিন্তু এত বড় ধোন আমি এই প্রথম দেখলাম । সে আমার বগলের লোম চোষতে চোষতে মাঝে মাঝে নিপলে হালকা কামড় বসিয়ে দিচ্ছিল ,অন্যটাকে এত টিপা টিপছিল আমার বুকে ব্যাথা পাচ্ছিলাম ।
চোষার তিব্রতা এত বেশি ছিল যে সে অজগর সাপের মত টেনে আমার বুকের অর্ধেক অংশ তার মুখের ভিতর নিয়ে নিতে লাগল। আমার উত্তেজনা বেড়ে গেল,আমি বামহাতে তার ধোনে আদর করার ফাকে তার মাথাকে আমার বুকের উপর চেপে রাখলাম। তারপর সে আমার নাভী হতে শুরু করে বিচির নিচ পর্যন্ত জিব দিয়ে লেহন শুরু করল। আহ কি যে আরাম । আরামে আমি আহহহ উহহহ ইইইইসসসস করে আধা শুয়া হয়ে তার মাথাকে চেপে ধরছিলাম । এভাবে এক সময় তার জিব আমার পুতকির কাছাকাছি ঘুরিয়ে ফিরিয়ে চাটতে শুরু করল । আমার পুটকির ভিতর তার মধ্যমা আঙ্গুল ঢুকিয়ে খেচতে শুরু করল ।
আমি সুখের আবেশে চোখ বুঝে আহ আহ আহহহহহহহ উহহহহহহহ ইইইইসসসসস চোদন ধ্বনি তুলে যাচ্ছিলাম। তার আঙ্গুলের খেচানিতে আমার পাছার ভিতর চপ চপ আওয়াজ করছিল । আমার উত্তেজনা এত বেড়ে গিয়েছিল মন চাইছিল তার বাড়াকে এ মুহুর্তে সোনায় ঢুকিয়ে দিই আর সে আমায় ঠাপাতে থাকুক । না সেটা করতে পারলাম না । সে তার বাড়াকে আমার মুখের সামনে এনে চোষতে বলল । বিশাল বাড়া আমার মুঠিতে যেন ধরছেনা । আমি বাড়ার গোড়াতে মুঠি দিয়ে ধরার পরও সম্ভবত আরো চার ইঞ্চি আমার মুঠির বাইরে রয়ে গেল। আমি মুন্ডিতে চোষতে লাগলাম । সে আমার মাথার চুল ধরে উপর নিচ করে মুখের ভিতর বাড়া চোদন করল।
অনেকক্ষন মুখচোদন করার পর আমাকে টেনে পাছাটাকে চৌকির কারায় নিয়ে পাদুটোকে উপরের দিকে তুলে ধরে তার বাড়াকে আমার পুটকির মুখে ফিট করল । আমি মনে মনে স্রষ্টাকে ডাকছিলাম তার ঠেলা সহ্য করতে পারি কিনা । সে আমার পাছায় বাড়া না ঢুকিয়ে ঠাপের মত করে পুটকির উপর দিয়ে ঘষে ঘষে ঠাপাতে লাগল। উহ এটা যেন আরো বেশী উত্তেজনাকর । আমি চরম পুলকিত অনুভব করছিলাম । তার পর হঠাত করে সে আমার পুটকির ভিতর জেল লাগাল । তার নিজের বাড়াটাতেও জেল লাগাল ।
এক ঠেলায় তার বাড়াটা ঢুকিয়ে দিল । আমি মাগো বলে চিতকার করে উঠলাম । পুটকিতে কনকনে ব্যাথা অনুভব করলাম । তার বাড়া পুটকইর মুখে টাইট হয়ে লোহার রডের মত গেথে গেছে। আমার আর্তনাদের কারনে সে না ঠাপিয়ে বাড়াকে গেথে রেখে আমার বুকের উপুড় হয়ে পরে আমার বাড়া মর্দন করতে লাগল । তার পর জিজ্ঞেস করল , ব্যাথা পেলেন ?
আমি বললাম, আপনার বাড়াটা বিশাল বড় ও মোটা ।
তারপর সে প্রথমে আস্ত আস্তে ঠাপানো শুরু করল । তার ঠাপানোর স্টাইলই আলাদা । পুরা বাড়াটা খুব ধীরে বের করে পুটকির গর্ত হতে এক ইঞ্চি দূরে নেয় আবার এক ধাক্কায় ডুকিয়ে দেয় । এভাবে দশ থেকে পনের বার ঠাপ মারল । তার প্রতিটা ঠাপে আমি যেন নতুন নতুন আনন্দ পেতে লাগলাম । তারপর আমাকে উপুড় করল আমি ডগি স্টাইলে উপুড় হয়ে বললাম । আমার পুটকিতে আবার বাড়া ডুকিয়ে ঠাপাতে লাগল । আমি প্রতি ঠাপে আহ আহ উহ উহহহহহহ করে আরামের স্বীকৃতির শব্দ করছিলাম। এবার বিছানায় শুয়ায়ে আমার পাছায় আবার বাড়া দিয়ে ঠাপানো শুরু করল । এদিকে বিছানার সাথে আমার পুরুষাঙ্গটাও সমান তালে ঘষা খাচ্ছে । সে এক অন্যরকম চদন লীলা ।
আমি পাশ থেকে একটা লুঙ্গি নিয়ে তাড়াতাড়ি আমার বাড়ার নীচে রাখলাম । দুই ঠাপ পরে আমার শরীরে একটা ঝংকার দিয়ে সমস্ত শরীর বাআমারকিয়ে আহহহহহহহহহহহহহহহহহহহ করে দুহাতে বালিশ জড়িয়ে ধরে মাল ছেড়ে দিলাম। সে আরো পাঁচ মিনিট ঠাপিয়ে , গেলাম গেলাম গেলাম বলে চিতকার করে উঠে বাড়া কাপিয়ে আমার পুটকির ভিতর বীর্য ছেড়ে দিল । বড়ই আনন্দ পেলাম । সারারাত জড়াজড়ি করে শুয়ে থাকলাম।

One thought on “মাঝরাতে সম কামের ছোঁয়া……………

  1. yeah! now its look complete, but still missing the source of the stories. Is it from personal experience, borrowed, real, imagined etc… but overall liked it than any other in the net. keep it up 😉

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s