আজব সমকামি দুনিয়া আর আজব সেক্স

হঠাৎ করেই ঢাকা হেড অফিসের বদলির আদেশ পেয়ে কবিরের মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। যদিও আগে অফিসের কাজে দু’একবার হেড অফিসে গিয়েছে কিন্তু অতো বড় ঢাকা শহরের বাসিন্দা হয়ে থাকবে এটা ভাবতেই ওর শরীরে ১০৩ ডিগ্রি জ্বর এসে যায়। অনেক ভেবে চিন্তে কবির ওর মামার শরণাপন্ন হলো। রাজনীতিবিদ মামা ওর অবস্থা দেখে হেসেই অস্থির। একটি রাজনৈতিক অট্টহাসি দিয়ে বললেন- ‘আরে তোর তো ভাগ্য ভাল রাজধানীতে যাচ্ছিস, অনেকে তদবির করেও যা পায়না তুই বিনা তদবিরেই তা পেয়ে গেলি। চিন্তা করিস না, আমার এক বন্ধু আছে ওকে চিঠি লিখে দিচ্ছি ওর ওখানে গিয়েই উঠবি। তোর কোন অসুবিধা হবে না। কি এবার খুশিতো?
মামার চিঠি নিয়ে কবির ঢাকায় এসে খুঁজে বের করলো মামার বন্ধুর বাড়ী। বেইলী রোডে বিশাল এক বাড়ী। মামার বন্ধু একজন বড় সরকারি অফিসার। সরকারি কোয়াটার পেয়েছেন। অনেকগুলি কামরা। মানুষ মাত্র ৩ জন। মামার বন্ধু আতিক সাহেব, স্ত্রী ও ১০ বছরের এক ছেলে। আর এই তিন জনের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে একজন দারোয়ান, একজন মালি, একজন বাবুর্চি । মামার বন্ধু আতিক সাহেব মামার চিঠি পেয়ে কবিরকে বেশ সাদরেই গ্রহণ করলেন এবং বাড়ীর একটি রুমে থাকার ব্যবস্থা করে দিলেন।
কবিরের শুরু হলো রাজধানী ঢাকা শহরের জীবন। প্রথমেই যার সাথে পরিচয় হলো সে হলো আতিক সাহেবের ছেলে নয়ন। কবির অফিসে যাবার জন্য তৈরী হচ্ছিল ঠিক তখনই দারোয়ান বারেকের সাথে ঘরে ঢুকলো নয়ন। ছেলেটি দেখতে এতোটাই সুন্দর যে ঘরে ঢুকতেই মনে হলো মডেল আসছে। বয়স কম হলেও শরীরের গড়ন অনেক সুন্দর । হাফপ্যান্ট পরা ছেলেটি। ফলে ওর সুন্দর উরু দুটি খোলাই ছিল। কবির কিছক্ষণের জন্য ছেলেটির দিকে তাকিয়ে রইলো। হঠাৎ ছেলেটি বলল- ‘আপনাকে আমি কি বলে ডাকবো?’
কবির হঠাৎ করে ওর কথার উত্তর দিতে পারলো না। পাশে দাঁড়ানো বারেক বললো- ‘ওনার নাম আবদুল কবির আপনে কবির ভাই বলে ডাইকেন বাইজান।’
‘আচ্ছা। তুমি কোথা থেকে এসেছো?’ ছেলেটি ঘাড় দুলিয়ে প্রশ্ন করে কবিরকে।
‘আমার বাড়ী ময়মনসিংহ জেলা। আপনি বুঝি আতিক সাহেবের ছেলে?’
ছেলেটির হাসির শব্দে ঘরটি ভরে গেল। কবির একটু অপ্রস্তুত হয়ে তাকালো ছেলেটির দিকে। কিছুন পর হাসি থামিয়ে বলে- ‘তুমি আমাকে আপনি বলছো কেন? আমিতো তোমার অনেক ছোট।’
‘হ কবির ভাই, আপনি বাইজানরে তুমি কইরাই বইলেন।’ বারেক সমাধা করে দিল।

অল্প কয়েক দিনের মধ্যেই কবির এই বাড়ীর হাবভাব বুঝতে পারলো। আতিক সাহেবের একটি মাত্র ছেলে। অনেক আদর আর যতেœর মাঝে বড় হয়েছে সে । অল্প বয়সেই শরীরটা বেড়ে গেছে কিন্তু শরীরের সাথে ওর বুদ্ধি একটুও বাড়েনি। একেবারে ছোট্ট ছেলের মত আচরণ করে। স্কুলের সময় ছাড়া বেশীর ভাগ সময় কাটায় বারেকের সাথে। বারেক এই বাসার দারোয়ান । বয়স ২০/২২ হবে। দেখতে বেশ সুন্দর। গায়ের রং ফরসা। তাছাড়া নিয়মের মধ্যে থেকে খেয়ে চেহারাও খুব সুন্দর হয়েছে। না জানলে কেউ বলতেই পারবেনা যে ও একজন দারোয়ান।
দেখতে দেখতে ১৫ দিন চলে গেল। নয়ন কবিরের খুব ভক্ত হয়ে গেছে। নয়ন গল্প শুনতে খুব ভালবাসে। কবির ওকে গল্প বলেই ওর মন কেড়ে নিয়েছে। কয়দিন হয় বারেক আতিক সাহেবের সাথে টুরে গেছে। আতিক সাহেব যখন টুরে অন্য কোন জেলায় যান তখন বারেককেও সাথে নিয়ে যান। তখন নয়ন একা হয়ে পড়ায় বেশী সময় কাটায় কবিরের ঘরে। কবির যতখন বাসায় থাকে ততখন ওকে গল্প শোনাতে হয়। সে দিন গল্প শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়ে কবিরের বিছানায়।
আতিক সাহেবের স্ত্রী লিলি এসে সুমির ঘুমিয়ে পড়া দেখে কবিরকে বলে ‘ওকে একটু ওর ঘরে দিয়ে আসতে পারবে?।’ কবির এই প্রথম নয়নের গায়ে হাত দিল। পাজা কোলে করে ওকে ওর ঘরে পৌছে দিয়ে নিজের ঘরে এসে বসে ভাবছিল , ছেলেটির শরীর এতো নরম। ও যখন নয়নকে কোলে তুলে নিল তখন এই সব চিন্তা আসেনি। কিন্তু এখন মনে হতেই শরীরের মধ্যে কেমন যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল।

পরদিন যখন নয়ন আবার ওর ঘরে এলো তখন ওকে ভালভাবে খেয়াল করলো কবির। নয়নকে আদর করতে ইচ্ছে করল। কবির ওর শরীরের পরশ পাওয়ার জন্য গল্পের বাহানায় ওকে কাছে এনে প্রথমে মাথায় পরে গালে মুখে একটু আদর করল। মনের মধ্যে ভয় আর সংকায় ওর মন দুর দুর করতে থাকে। নয়ন কিছু বলে না। আদর পেয়ে কবিরের বুকের মধ্যে লেপ্টে যায়। কবিরের সাহস আরও বেড়ে যায়। ও নয়নের মুখটি তুলে ওর গালে একটি চুমু দিল। নয়ন তখনও কিছু বললো না। কবিরের দেহের মধ্যে রক্ত চলাচল বেড়ে গেল। এবার দু’হাত দিয়ে নয়নের মুখটি তুলে ওর ঠোটে চুমু দিল। তখনও ছেলেটি কিছুই না বলে কবিরকে দু’হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরলো। কবিরের শরীর কাঁপতে আরম্ভ করছে। কোন মতেই কাঁপুনি থামাতে পারছেনা কবির। হঠাৎ কি মনে করে ছেলেটিকে ছেড়ে দিয়ে একটু দুরে গিয়ে বসলো । নয়ন কবিরের আরও একটু কাছে এগিয়ে গিয়ে বলে কবির ভাই তুমি এখানে আদর করবে না? এই বলে ওর বুকটা দেখিয়ে দিল। কবির যেন আকাশ থেকে পড়লো। ছেলেটি বলে কি? ওর বুকে আদর করতে বলে। কবিরের মাথা চক্কর দিয়ে উঠলো। কবিরের চমক ভাঙ্গার আগেই নয়ন কবিরের হাত ধরে ওর বুকের উপর রাখালো। কবিরের মনে হলো ও যেন এক খন্ড তুলোর উপর হাত রাখলো। ধীরে ধীরে চাপ দিয়ে বুঝতে পারলো নয়নের বুক বেশ বড় এবং তুলোর মত নরম। হঠাৎ ওর মনে হলো একটি ছেলের বুক তো এতো নরম হতে পারে না। তবে কি? কবির এবার নিজেকে কিছুটা শান্ত করে নয়নকে বুকের মধ্যে টেনে নিয়ে ওর বুকে হাত বুলোতে বুলোতে বলে- ‘এখানে তোমাকে কে আদর করে?’
‘কাউকে বলবে না তো?’
‘না না কাউকেই বলবো না। তুমি বলো। আমিতো তোমার বন্ধু তাইনা?’
‘বারেক ভাই। বারেক ভাই আমাকে খুব আদর করে।’
‘ও তাই। খুব ভাল। বারেক তো খুব ভাল ছেলে। আর কি কি করে?’
‘আমরা দুজনে নুনু নুনু খেলি।’
‘কেমন করে?’
‘বারেক ভাই আমার টি শার্ট খুলে আমার বুকের দুধ খায়। আমি বারেক ভাইয়ের দুধ চুষে দেই। তারপর দুজনে কাপড় খুলে নুনু নুনু খেলা করি। বারেক ভাই আমার নুনু খায় আর আমিও বারেক ভাইয়ের নুনু খাই। তারপর বারেক ভাই আমার নুনুতে ওর নুনু লাগিয়ে পেচ্ছাপ করে দেয়। দেখো কাউকে বলবে না কিন্তু। বারেকভাই মানা করে দিয়েছে। তাহলে কিন্তু আর কোন দিন খেলবে না।’
‘ঠিক আছে বলবো না।’ এই বলে উঠে গিয়ে ঘরের দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে আবার নয়নের কাছে ফিরে আসে। কবিরের কাঁপুনি এখন বন্ধ হয়ে গেছে। সে নয়নের কাছে এসে ওর টি শার্টটা খুলে ফেলে। নয়নের ফরসা ও নরম বুক দেখে কবিরের মাথা খারাপ হওয়ার জোগার। কবির নয়নের কাছে বসে ওর ব্রেষ্ট চুষতে থাকে। এদিকে নয়ন কবিরের ধোন ধরার জন্য হাত দিয়ে খুঁজতে থাকে। কবির বুঝতে পেরে লুঙ্গিটি উঠিয়ে ওকে ধোন ধরার ব্যবস্থা করে দেয়। নয়নের হাতের ছোঁয়া পেয়ে কবির চরম উত্তেজিত হয়ে পড়ে। নয়নকে বিছানায় শুইয়ে ওর হাফপ্যান্টটা একটানে খুলে ফেলে। নয়নেরর ফরসা আর টকটকে গায়ের রং এমনিতেই পাগল করার মত তার উপর যখন দেখলো নয়নের দু’পায়ের মাঝে একটা কিউট নুনু কবির নিজেকে আর ধরে রাখতে পারলো না। নয়নের দু’পা ফাক করে ওর উত্তেজিত জিনিসটি মুখে নিয়ে চুষতে লাগল কবির । নয়ন তার পাছা দোলাতে লাগল। কবির এবার নয়নের মুখে ধোন টা ঢুকাল। নয়ন ডানহাতে ডান্ডাটা ধরে ধোনের মাথাটা আয়েশ করে চুষতে লাগল । যেন আইসক্রিম খাচ্ছে । কবির নয়নের মুখে হালকা ঠাপ দিতে লাগল।

কবিরের ডান্ডাটা নয়নের মুখের লালা রসে লক লক করছে। কবির এবার নয়নের পা দুটো কাঁধে নিয়ে ওর কলাটা নয়নের পাছায় জায়গামত স্থাপন করে আস্তে করে চাপ দিতেই ওটা ভিতরে ঢুকে গেল পুরোটা। কবির অবাক হয়ে ভাবলো এতোটুকু ছেলে ওর পুরো জিনিসটি গিলে ফেললো। তার মানে বারেক ওকে এতোই ব্যবহার করেছে যে, নয়নের আর কোন অসুবিধাই হচ্ছে না। কয়েকবার মাজা নাড়াতেই কবিরের ভিতর হতে সব কিছু বেরিয়ে নয়নের ভিতর চলে গেল। নয়নকে আরও একটু আদর করে ওকে বাথরুমে নিয়ে নিজে হাতে পরিস্কার করে কাপড় পরিয়ে দেয় কবির। আবার বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে বলে ‘আজ আমরাও তো নুনু নুনু খেললাম এটা আবার বারেক কে বলে দিওনা কিন্তু।’নয়ন মাথা নেড়ে সায় দেয়। এভাবে বারেক না আসা পর্যন্ত প্রতিদিনই নয়নকে ভোগ করতে থাকে কবির।

বারেক ফিরেছে ২ দিন হয়ে গেল। কবির নিয়মিত অফিস করা শুরু করেছে। সকালে যায় আর সন্ধ্যায় ফেরে। কবির রাতের খাবার খেয়ে ছাদে গিয়েছিল একটু হাটাচলা করতে। কোলাহলময় ঢাকা শহরে এরই মধ্যে অনেকটা অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে কবির। ঘরে ঢুকতেই দেখে বারেক একগ্লাস দুধ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কবির কোন কথা না বলে একটি বই হাতে বিছানায় গা এলিয়ে শুয়ে পড়লো। বারেক হঠাৎ ঘরের দরজার সিটকিনীটি তুলে দিয়ে কবিরের পা জড়িয়ে ধরে কান্না শুরু করে দিল। কবির কিছু না বোঝার ভান কওে ওকে জিজ্ঞেস করে -’ আরে কি হয়েছে, পা ছাড়, আহ বল না কি হয়েছে, না বললে বুঝবো কিভাবে?’
‘স্যার, আমাকে আপনি মাপ করে দেন। আর কোন দিন এই ভুল করুম না। বড় স্যার জানলে আমাকে গুলি করে মেরে ফেলবে। আমার চাকরীটাও চলে যাবে। স্যার আমাকে আপনি বাঁচান।’
কবির বুঝতে পারে নয়ন ওকে বলে দিয়েছে। ও বারেক কে অনেক করে বোঝাতে চেষ্টা করে ওর ক্ষতি করবে না তবুও বারেক নাছোড় বান্দা। সহজে বিশ্বাস করতে চায় না। কবির জোর করে তুলে পাশে বসিয়ে বলে ঠিক আছে একটা শর্তে আমি তোমাকে মাফ করতে পারি আমাকে সব ঘটনা খুলে বলতে হবে। কোন রকম লুকাতে পারবে না বা মিথ্যা কথা বলতে পারবে না। ঠিক আছে স্যার। আপনি যা বলবেন আমি তাই শুনবো। শুধু আমাকে আপনি বাঁচান।
আমি গ্রামের ছেলে। আমার দুলাভাই বড় স্যারের পরিচিত। দুলাভাইয়ের অনুরোধে বড় সাহেব আমাকে তার দারোয়ানের চাকুরী দিয়ে এই বাড়ীতে কাজ করার সুযোগ দেন। আমি মনোযোগ দিয়ে সব কাজ করি বড় স্যার আর মেমসাহেবকে খুশি করার জন্য। বেগম সাহেবের সাথে বড় সাহেবের তেমন বনিবনা নাই। মাঝে মাঝে খুব ঝগড়া হয়। তখন বেগম সাহেব নয়ন বাইজানরে নিয়ে মায়ের বাড়ী চলে যায়। এক বৎসর আগে এমনি এক সময় বেগম সাহেব তার বাবার বাড়ী চলে যায়। বাসায় শুধু আমি আর বড় সাহেব। বাবুর্চি রাতের খাবার খাইয়ে তার বাসায় চলে যায়। বড় সাহেব একা থাকে তাই আমাকে বললো তুই আমার কাছে কাছেই থাকবি। রাতে দরকার হতে পারে। আমি আমার বিছানা নিয়া বারান্দায় শুয়ে থাকি। একদিন বড় স্যার রাতের বেলায় হঠাৎ আমাকে ডাকলেন। আমি উঠে গিয়ে দেখি স্যার বিছানায় গড়াগড়ি দিয়ে কোকাচ্ছে। আমি গিয়ে কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। উনি বললেন ‘আমার বুকে ব্যাথা শুরু হয়েছে বুকটা ডলে দে। আমি তাড়াতাড়ি স্যারের বুকটা ডলে দিতে থাকলাম। স্যার খালি গায়ে লুঙ্গি পরা ছিল। আমারও খালি গা আর লুঙ্গি পরা। স্যার বললো শুধু ডললে চলবে না ঐ বোতলে তেল আছে ওটা দিয়ে ডল। আমি তাই করলাম। তারপর ধীরে ধীরে স্যারের পেট তলপেট সব টিপে দিতে থাকলাম। হঠাৎ আমার নজরে পড়লো স্যারের জিনিসটা লুঙ্গির নিচে খাড়া হয়ে গেছে। স্যার বললো ওটাও ডলে দে তা না হলে আমার ব্যাথা কমবে না। এই বলে লুঙ্গির গিট খুলে ওনার জিনিটি বের করে দিল। আমি মন্ত্রমুগ্ধের মত স্যারের জিনিসটি তেল লাগিয়ে ডলতে থাকলাম। যতই হাতাচ্ছিলাম ততই জিনিসটা শক্ত হচ্ছিল। এদিকে স্যারের ওটা হাতাতে গিয়ে আমার জিনিসটাও গরম হয়ে খাড়া হয়ে গেল। ঘরে লাইট জালানো ছিল। স্যার আমার ওটার নড়াচড়া দেখে একটানে আমার লুঙ্গিটা খুলে দিল। আমি লজ্জায় চোখ বন্ধ করলাম। স্যার আমার জিনিসটিতে হাত দিয়ে নাড়াচাড়া করতে লাগলো। কিছুক্ষন পর স্যার আমাকে জড়িয়ে ধরে বলে বারেক এখন কাজ না করলে আমার খুব অসুবিধা হবে। হয়তো আমি আর বাঁচবো না। আমি কিছু বলতে পারলাম না। স্যার আমাকে তার পাশে শুয়ায়ে দিয়ে আমার শরীর, পাছা হাতাতে লাগলো। আমি স্যারের দিকে পাছা দিয়ে কাত হয়ে শুয়ে থাকলাম। সার ঐ বোতল থেকে কিছু তেল নিয়ে আমার জিনিসে আর পাছায় মেখে স্যারের জিনিসটি আমার পাছায় লাগিয়ে চাপ দিতে থাকলো। আমার খুব ব্যাথা লাগছিল কিন্তু সহ্য করে থাকলাম। স্যার খুব ধীরে ধীরে আমার পাছায় ওনার জিনিসটি ঢুকিয়ে কিছুন নাড়াচাড়া করে মাল আউট করলো। এদিকে আমারও আউট হয়ে গেল। এই শুরু।
তারপর প্রতি রাতে ২ বার করে স্যার আমাকে করতো। বেগম সাহেব না থাকলে আমি স্যারের সাথেই ঘুমাতাম। যার জন্য স্যার আমাকে সবসময় খুব পরিস্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে বলতো। সব রকম সুযোগ সুবিধা দিত। তাতে আমার আর্থিক খুব লাভ হতো। আর কয়েক দিনের মধ্যে আমিও অভ্যস্ত হয়ে গেলাম।
বারেকের কথা শুনতে শুনতে কবিরের জিনিসটিও গরম হয়ে উঠলো। বারেক ওটা লক্ষ্য করে কবিরের জিনিসটি ধরে নাড়াচাড়া করতে লাগলো। কবির কিছুই বলতে পারলোনা। বারেক একটানে লুঙ্গিটা খুলে কবিরের জিনিসটি মুখে পুরে চুষতে লাগলো। কবির আর থাকতে পারলোনা। উঠে দাঁড়িয়ে বারেক কে জড়িয়ে ধরলো। বারেক বুঝতে পেরে নিজেও উলঙ্গ হয়ে টেবিলে রাখা ভ্যাজলিনের কৌটা এনে কবিরের জিনিসিটিতে মেখে ওর নিজের পাছায় লাগিয়ে খাটের উপর উবু হয়ে পাছাটা বের করে পা ভেঙ্গে দাঁড়ালো। কবির পিছন দিক থেকে ওর জিনিসটি ধরে বারেকের পাছায় লাগিয়ে চাপ দিল। অল্প চাপেই জিনিসটি ঢুকে গেল। কবির বারেকের পাছাটি ধরে বার বার নিজের মাজাটি নাড়াতে থাকলো। কিছুক্ষন পর বারেকের পাছার মধ্যে আউট করে ওর পিঠের উপর পড়ে হাপাতে থাকলো।
‘আচ্ছা বড় সাহেব তোমাকে যে ভোগ করে তা বেগম সাহেব জানে?’ কবির প্রশ্ন করে বারেককে।
না। মনে হয় জানে না। যদি জানতো তবে আমাকে বিদায় করে দিত।
‘ঠিক আছে নয়নকে কিভাবে এ পথে আনলে সেটা বলো।’
সেটাও অনেক কথা স্যার। আর একদিন বলবো। আজ আমি যাই স্যার। রাতে বড় সাহেব খোঁজ করতে পারে।

বারেক অনেকটা নিশ্চিন্ত হয়েছে। কারণ ককির বারেককে ও সুমিকে ভোগ করেছে। কাজেই কোন অবস্থাতেই আর মুখ খুলবেনা বরং যাতে ধরা না পড়ে সে ব্যবস্থাই করবে। বারেকের মন থেকে সব রকম সংশয় মুছে যায়। বারেক আবার আগের মত খেলায় মেতে উঠে। ৫/৬ দিন চলে গেছে। কবির বার বার জানতে চাচ্ছে নয়নকে এ পথে আনার ঘটনা। বারেক ঠিক সময় করে উঠতে পারছিল না। আজ সময় হয়েছে। বড় সাহেব, বেগম সাহেব নয়নকে নিয়ে এক দাওয়াতে গিয়েছেন। আসতে বেশ রাত হবে। এই ফাকে বারেক কবিরের ঘরে ঢুকে বলে, কবির ভাই আজ আপনারে নয়ন বাইজানের গল্প বলবো।
কবির বারেকের কথা শুনে খুশি হয়। ওর মনের মধ্যে সারাক্ষণ ঐ ঘটনা শোনার জন্য আনচান করতে থাকে। কবির আপন মনে ওর তলপেটের নিচে চুলকাচ্ছিল। বারেক তা দেখে বলে ‘কবির ভাই আপনার লোমগুলো বেশ বড় বড় হয়েছে কাটেন না কেন?’ কবির একটু লজ্জা পেয়ে বলে ‘সুযোগ কই। আর কাটতে বেশ অসুবিধা হয়। আমার মাঝে মাঝে মনে হয় কি জান বারেক?’
‘কি?’
‘মনে হয় ঐ জায়গায় লোমগুলি না হলেই ভাল হতো। কি বলো?’
‘ওটাও একটা সুন্দর্য। লোম না হলে আপনি যে বড় হয়েছেন তা বোঝা যাবে কেমনে?’ বারেক যুক্তি দেখায়।
‘যাই বলোনা কেন, কাটতে খুব অসুবিধা হয় আমার খুব খারাপ লাগে’
‘ঠিক আছে আমি আপনারটা কেটে দেব। আমি খুব সুন্দর করে কাটতে পারি। একটুও টের পাবেন না। বড় সাহেবেরটা তো আমিই কেটে দেই।’ হাসি মুখে বলে বারেক।
‘তাই নাকি তবে আজই কেটে দাও। অনেক বড় হয়েছে তাই শুধু চুলকাচ্ছে।’ আগ্রহ নিয়ে বলে আজিজ।
বারেক উঠে টেবিলের উপর থেকে একটি রেজার আর একটি পুরাতন খবরের কাগজ নিয়ে কবিরের কাছে এসে বিছানায় কাগজটি বিছিয়ে দিয়ে বলে -’এটার উপর বসেন।’

কবির লক্ষ্মী ছেলের মত বারেকের কথামত বিছানো কাগজের উপর বসে। বারেক বালগুলোতে হালকা পানি দিয়ে শেভিং ফোম লাগায় । দু পা ফাঁক করে চিৎ করে শুইয়ে দিয়ে সুন্দর করে কামাতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যে কাটা শেষ হয়ে যায়। এদিকে বারেকের হাত লেগে কবিরের জিনিসটি ধীরে ধীরে বড় হয়ে যায়। বারেক লোমগুলো ঝেড়ে দন্ডায়মান জিনিসটি মুখে পুরে চুষতে থাকে। কবির চোখ বুজে মজা লুটতে থাকে। এমনিভাবে কিছক্ষুণ চলার পর হঠাৎ করেই কবির নিজেকে আর ধরে রাখতে না পেরে বারেকের মুখেই আউট করে ফেলে। কবির নিজেকে খুব অপরাধী মনে করে। এভাবে বারেকের মুখে আউট করা ঠিক হয়নি ভেবে বার বার বারেকের কাছে মাফ চাইতে থাকে। বারেক হেসে বলে-’আমি কিছু মনে করি নাই কবিরভাই। এটা আমার অভ্যাস হয়ে গেছে। প্রথম প্রথম খুব খারাপ লাগতো এখন বেশ ভালাই লাগে।’ বারেক উঠে বাথরুমে গিয়ে নিজের মুখ ধুয়ে লোমগুলো ফেলেদিয়ে আবার কবিরের কাছে এসে বসে।
‘নয়ন বাইজানের গল্প শুনবেন না?’
‘হ্যাঁ শুনবো। ওটা শোনার জন্যই আমি উদগ্রিব হয়ে আছি।’

আমি তখন নতুন জয়েন করেছি চাকুরীতে। বুঝতে পারলাম নয়ন বাইজানকে দেখেশুনে রাখাও আমার চাকুরীর অংশ। তাই ওনাকে নিয়ে বেশীর ভাগ সময় খেলা করতাম। নয়ন বাইজানা দেখতে বড়সড় হইলে কি হবে বয়স একেবারে কম আর এক্কেবারে ছেলে মানুষ। সারাক্ষণ আমার কাধে উঠে বসে থাকে। প্রথম প্রথম ভাবতাম বড় সাহেব বা বেগম সাহেব দেখলে হয়তো কিছু বলবে কিন্তু পরে দেখলাম তাঁরা কিছুই মনে করেন না। বরং আমরা যে জড়াজড়ি করে খেলাধুলা করি তাতে খুশিই হন। এমনি করে দিন চলে যাচ্ছিল। আমারও কোন কিছু মনে হতো না। কিন্তু একদিন দুপুরে খাওয়া দাওয়া করে বেগম সাহেব ঘুম দিছেন আমি আর নয়ন বাইজান আমার ঘরে গুটি খেলছিলাম। হঠাৎ নয়ন বাইজান বলে শিশ দেবে। আমি বললাম বাথরুমে যান।
নয়ন বাইজান বাথরুমে ল্যাংটা হয়ে শিশ দিচ্ছে। ততখণ আমি তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ আমাকে দেখে সে ঘাবড়ে গিয়েছিল। সে উঠে এসে আমাকে জড়িয়ে ধরে বলছিল-’মাকে বলে দেবেন নাতো?’ নয়ন বাইজান বেগম সাহেবকে খুব ভয় করতো। আমি বসে ছিলাম নয়ন বাইজান আমার পাশে এসে ওনার তলপেটটা আমার মুখের সাথে লাগিয়ে চাপ দিয়ে বলছিল। আমার নাকে তখন মাত্র শিশ দেয়া নয়ন বাইজানের জিনিসটির গন্ধ নাকে আসছিল। আমি অনুভব করছিলাম নয়ন বাইজানের পার দু’রানের চিপায় ফোলা মাংশ পিন্ডটি এখন আমার মুখের সাথে লেগে আছে। আমার মাথাটা চেপে ধরে নয়ন বাইজান বার বার ঐ কথা বলছিল। আমি তাকে কথা দিলাম বলবো না। কিন্তু আমার মধ্যে একটা পরিবর্তন এসে গেল। সারাক্ষণ শুধু নয়ন বাইজানের শিশ দেয়ার দৃশ্যটি আমার চোখের সামনে ভেসে উঠতে থাকে। আর নয়ন বাইজান আমার পিঠে উঠলে বা শরীরের সাথে টাচ লাগলেই আমার শরীরের মধ্যে যেন জোয়ার এসে যায়। হঠাৎ করেই আমার জিনিসটি গরম হয়ে দাঁড়িয়ে যায়। উপায় না দেখে সারাক্ষণ আমি লুঙ্গির নিচে জাঙ্গিয়া পরা শুরু করলাম। আর নয়ন বাইজানের বিশেষ বিশেষ জায়গার পরশ নিতে থাকলাম। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করেই ওনার ধোনে হাত বুলাই কিন্তু নয়ন বাইজান কিছু বলে না। একদিন বড় সাহেব আর বেগম সাহেব এক পার্টিতে গেছে। ফিরতে অনেক রাত হবে। এদিকে নয়ন বাইজান ঘুমিয়ে পড়েছে। আমার হঠাৎ ইচ্ছে হলো খুব ভালভাবে ওর জিনিসটি দেখতে। ঘরের দরজা বন্ধ করে লাইট জালিয়ে নয়ন বাইজানের হাফপ্যান্টা খুলে দু’পা ফাঁক করে মুখটা কাছে নিয়ে খুব ভালভাবে দেখার চেষ্টা করলাম।
এদিকে আমার জিনিসটি শক্ত হয়ে ছটফট শুরু করে দিয়েছে। চোখের সামনে এমন একটি জিনিস পেয়ে কিভাবে নিজেকে সামাল দেই আপনি বলেন। হঠাৎ ইচ্ছে করল নয়ন বাইজানরে চুদি । আমার মনে পড়লো নয়ন বাইজানের পাছার মধ্যে আমার ওটা ঢুকবেনা। তাই নিজেকে অনেক শাসন করে একটি আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিয়ে একটু একটু নাড়াতে লাগলাম। এদিকে আর এক হাত দিয়ে আমার ওটাকে ধরে আউট করে ফেলাম।
পর দিন থেকে আমার মাথায় শুধু একই কথা মনে হতে থাকে কি ভাবে নয়ন বাইজানরে কাজ করা যায়। ধীরে ধীরে নয়ন বাইজানের সাথে আরও ঘনিষ্ট হয়ে মিশতে লাগলাম। সুযোগ পেলেই ওর বুকে ও ধোনে, বিচিতে হাত দিতে থাকলাম। নয়ন বাইজান কিছুই বুঝতো না। আমি খেলার বাহানায় ওর বুকে মুখ নিয়ে চুষে দিতাম। ও খুব মজা পেত। এমনি করে ধীরে ধীরে ওর পাছায় একটু একটু করে আঙ্গুল ঢুকিয়ে মজা দিতে থাকতাম। তারপর যখন বুঝতে পারলাম যে এখন ওখানে আমার জিনিসটি ঢুকানো যাবে তখন বললাম-’নয়ন বাইজান আস আমরা নুনু নুনু খেলি।’ ওকে আমার নুনুটি ধরিয়ে দিয়ে আমি নুনুটাতে মুখ লাগিয়ে চুষে দিতে থাকতাম। এতে ও খুব মজা পেত। প্রায় দিনই ও বলতো আস আজ আমরা নুনু নুনু খেলবো। এমনি করে একদিন ওকে খুব সাবধানে চিৎ করে শুইয়ে পা দুটো আমার কাঁধে নিয়ে খুব ধীরে ধীরে আমার জিনিসটিতে তেল মেখে ওর ভিতরে প্রবেশ করাই। তারপর হতে চলছে আমাদের নুনু নুনু খেলা। সত্যি বলছি কবির ভাই- আমি ইচ্ছে করে করিনি। কখনযে হয়ে গেল তা আমি বুঝতেই পারিনি। যখন বুঝলাম তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে। ফিরে আসার আর উপায় নাই।

নয়নের ঘটনা শুনতে শুনতে কবিরের ধোনটা আবার দাঁড়িয়ে যায়। বারেক আবার কবিরের ডান্ডাটা ধরে নাড়া চাড়া করতে থাকে। কবির মজা পেয়ে চোখ বন্ধ করে। কিছক্ষুণ ওভাবে কাটাবার পর বলে ‘আজ আর নয়, কাল নয়নকে নিয়ে এসো একসাথে হবে কেমন?’
বারেক হাসি মুখে ঘর থেকে বের হয়ে যায়।

নয়নের ঘটনা শুনতে শুনতে কবিরের ধোনটা আবার দাঁড়িয়ে যায়। বারেক আবার কবিরের ডান্ডাটা ধরে নাড়া চাড়া করতে থাকে। কবির মজা পেয়ে চোখ বন্ধ করে। কিছক্ষুণ ওভাবে কাটাবার পর বলে ‘আজ আর নয়, কাল নয়নকে নিয়ে এসো একসাথে হবে কেমন?’
বারেক হাসি মুখে ঘর থেকে বের হয়ে যায়।

5 thoughts on “আজব সমকামি দুনিয়া আর আজব সেক্স

  1. Dhon dar koraya disen mia. Noyon poladar private tuitor hoiya jodi poladare chudte partam. Ami, barek ar kabir vai milla noyon re chudtam.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s