গে জোকস

tumblr_lv8ts4RoAb1qd11kxo1_500tumblr_m2jnn09LrZ1rqgit1o1_500

বারে গিয়ে এক ভদ্রলোক ছয় পেগ ভডকা অর্ডার করল।
বারটেন্ডার অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘সমস্যা কী?’
‘আজ বুঝতে পারলাম আবার বড় ভাই গে,’ ভদ্রলোক উত্তর দিল।

পরের দিন ভদ্রলোক আবারও বারে ফিরে এসে ছয় পেগ ভডকা অর্ডার দিল।
‘আজ আবার কী হলো?’ বারটেন্ডার জিজ্ঞেস করল।
ভদ্রলোক চোখ কপালে তুলে বলল, ‘আজ বুঝতে পারলাম আমার ছোট ভাইও গে!’

তারপরের আবারও ভদ্রলোক বারে ফিরে এসে ছয় পেগ ভডকা অর্ডার দিল। বারটেন্ডার কিছুটা বিরক্তির সুরে জিজ্ঞেস করলো, ‘তোমার পরিবারের কেউই কী মেয়ে পছন্দ করে না?’
ভদ্রলোক খুব হতাশ হয়ে উত্তর দিল, ‘করে, আমার বউ!’

***********************************************************************************************************

এক সমকামী (গে) গেল ডাক্তার এর কাছে
গে : ডাক্তার সাহেব আমি চাই আমার বুকে পশম উঠুক। একটা উপায় বলেন
ডাক্তার : এই ভেসলিন টা নিয়ে যান। প্রতিদিন তিনবার বুকে মালিশ করলেই দুই মাসে ফল পাবেন
গে : এই জন্য ই তো বলি যে আমার পিছন সাইডে এতো পশম কেন?

***********************************************************************************************************

এক চার্চে পাদ্রি নির্বাচন করা হচ্ছে । মিস্টার জন নির্বাচক , তিনি ঠিক করলেন যে সবচেয়ে পার্থিব ভোগের উর্ধে তাকেই নেয়া হবে । ৩জন পার্থি আবেদন করল । এখন ৩ জনেরই বিশেষ অঙ্গে ঘন্টা লাগানো হল যাতে ওই জিনিস দাড়ালে ঘন্টা বেজে

উঠে । এইবার তিনজনের সামনে এক সুন্দরীকে এনে প্রথমে বুকের কাপড় খুলে ফেলা হল , একজনের ঘন্টা বেজে উঠল এবং সে বাদ পড়ল , এইবার সুন্দরীর নিচের কাপড় খুলে ফেলা হল । আরেকজনের ঘন্টা বেজে উঠল এবং বাদ পড়ল , রইল বাকী এক , নির্বাচক মিস্টার জন বললেন তার মানে আমরা আমাদের পাদ্রি পেয়ে গেছি , তুমি সমস্ত ভোগ-কাম-লালসা এর উর্ধে …… এইসব বলতে বলতে তাকে জড়িয়ে ধরলেন , সাথে সাথে ঘন্টা বেজে উঠল ।

****************************************************************************************************************

চার্চে বিশেষ প্রর্থনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। লাইন ধরে সবাই ঢুকছে গির্জাতে। ধর্ম সভায় যোগ দেয়ার আগে সবাইকে পবিত্র হবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। গির্জায় ঢুকার প্রবেশ মুখে দুই “নান’ দাঁড়িয়ে আছে পানির এক পাত্র নিয়ে। একে একে সবাই ঢুকে গেল প্রর্থনা সভায় লাইনের একদম শেষ প্রান্তে থাকা চার জন লোক ঢুকছে। “নান”রা অন্য সবার মতো তাদেরও বলে দিলঃ আপনি কি আপনার কোন অঙ্গ দিয়ে অবৈধ কোন পুরুষের অবৈধ অঙ্গ ধরেছেন?
চার জনের প্রথম জনঃ ঈশারায় দেখাল- হাতের আঙ্গুল !
নান বললঃ তাহলে আঙ্গুলটা পানিতে ধুয়ে ভিতরে প্রবেশ করুন।
ঐ ব্যাক্তি নানের কথা মতো আঙ্গুল ধুয়ে ভিতরে প্রবেশ করলে লাইনে দাঁড়ানো পরবর্তি জনের জন্যও একই নির্দেশ দিলেন।
ঐ ব্যাক্তি ইশারায় দেখালঃ হাত!
নানরা তাকে হাত ধুয়ে গির্জার ভিতরে প্রবেশ করার জন্য বলল।
এটা দেথে লাইনের একদম শেষে দাঁড়ানো ব্যাক্তিটি আগের জনকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে হুড়মুড় করে মুখ ধুয়ে নিল। এটা দেখে নানরা সহ সবাই মুটামুটি খেঁপেই গেল। জিজ্ঞেস করলঃ আপনি এভাবে লাইন ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকার কারন কি?
লোকটির উত্তরঃ আমার আগের জন তার পাঁচা পানিতে ধুয়ার আগে আমি আমার মুখ ধুয়ে নিলাম…!!!!

***************************************************************************************************************

মিডল ইস্টের রক্ষনশীল সমাজে বিয়ের আগে মেয়েদের সাথে মেলামেশা কঠোর ভাবে নিষিদ্ধ। তাই সেসব দেশের ছেলেরা বিয়ের আগে মেয়েদের চাইতে ছেলেদের সাথে মেলামেশা করে বেশি বা সুযোগ পাই বেশি। আর তার কারনে হয়তো তাদের মাঝে সমকামীতার প্রবনতাও একটু বেশি। এ রকমই এক এক ছেলে সব সময় ছেলেদের সাথে সেক্স করত । তার ব্যাপারটা এত বেশি ছিল যে, সে জানতইনা যে মেয়েদের সাথে সেক্স করলে পেছনে নয় সামনে দিয়ে করতে হয়। সামনে দিয়ে যে সেক্স করা যায় সেটা সে জানেই না। সেই রকমই এক ছেলে বিয়ের পর বউয়ের সাথেও পিছনে সেক্স করে যাচ্ছিল…!!!
একদিন যায়, দুই দিন যায়, এক মাস যায়- এভাবে অনেক দিন ধরেও যখন স্বামীর এই স্বভাবের পরিবর্তন হয় না। এদিকে কাউকে বলতেও পারেনা ব্যাপারটা -স্বামীকেতো নয়ই। কি আর করা তারওতো একটা স্বাধ আহ্লাদ আছে..? তখন স্ত্রী সিদ্ধান্ত নিল তালাল দিবে স্বামীকে।
কেস গেল কোর্টে -জেরা চলছেঃ কি কারনে আপনি আপনার স্বামীকে তালাক দিতে চাইছেন খুলে বলুন। তার কি টাকা -পয়সার কোন সমস্যা? নাকি মদের নেশা? নাকি অন্য স্ত্রী’র নেশা? নাকি আরও খারপ কোন অভ্যাশ? নাকি তার পরিবারের সমস্যা?
সব প্রশ্নের উত্তর না’ সুচক দিলে- জর্জ সাহেব মহিলাকে জিজ্ঞেস করলঃ তার কোন সেক্সুয়াল সমস্যা?

মহিলা “না” সুচক জবাব দিয়ে লজ্জা সরম ভেঙ্গে বলেই ফেললঃ হুজুর ! সে আমার দরজা রেখে জানালা ইউস করে…!!

জর্জ সাহেব বুঝে ফেললেন ব্যাপারটা কি? তিনি নোটিশ জারি করলেন স্বামীর প্রতিঃ আজ থেকে একমাস পর্যন্ত শুধু দরজাই ব্যবহার করবি। জানালার ধারে কাছেও যাবি না! যদি যাস তাহলে একমাস পরে বউতো যাবেই সাথে যাবে তোর কল্লাটা..!!

যাক আদালতের নির্দেশ অনুযায়ি পুরো একমাস স্বামী বেচারা বউয়ের সাথে দরজা দিয়াই কাজ সারল। একমাস পর আবার সুনানি শুরু হলো। বউকে আদালতের প্রশ্নঃ এখন তালাক চাই কিনা? বউয়ের জবাবঃ “না” হলে আদালত বুঝে ফেলে ঘটনা কি?
তাই খানিকটা রসিকতার সুরে স্বামীর কাছে জানতে চাই- কি মিয়া, কোনটা বেশি মঝা ? দরজা না জানালা?
ভদ্রলোকের উত্তরঃ হুজুর! আগে যদি জানতাম দরজা দিয়া এত মঝা – তাহলে কি আর দরজা রেখে জানালা ইউস করতাম…??

***********************************************************************************************************

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s