প্রথম গে সেক্স (বন্ধুর অভিজ্ঞতা অবলম্বনে )

4

আমি তখন সবে এইচ এস সি পড়ি । থাকতাম কলেজ থেকে মাইলখানেক দূরে । গ্রাম্য পরিবেশে । বাড়ির কাছেই একটা বিশাল খেলার মাঠ ছিল। বিকেলবেলা এলাকার প্রচুর ছেলেমেয়ে সেই মাঠে খেলাধুলা করতো। সকালবেলা যুবক থেকে বুড়োরা আসতো জগিং বা ব্যায়াম করতে। আমার অভ্যাস ছিল প্রতিদিন ভোরে উঠে দৌড়ানো। যারা আসতো প্রায় সবাই সবাইর পরিচিত হয়ে উঠেছিলাম। হঠাৎ একদিন একজন নতুন অতিথিকে দৌড়াতে দেখলাম। ভদ্রলোক সহজেই আমার দৃষ্টি আকর্ষন করলো। কারন উনি দারুন হ্যান্ডসাম, পেটানো শরীর, বেশ লম্বা আর দেখেই বোঝা যায় ব্যায়াম করেন।আমি একবার উনাকে ক্রস করার সময় হাত তুলে সালাম দিলাম । উনিও জবাব দিলেন এবং হাসলেন। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, উনি বারবার পিছন ফিরে আমাকে দেখছিলেন। ভদ্রলোক শ্যামলা, কালোই বলা চলে । গোঁফ আছে, তবে দেখেই বোঝা যায় লোকটা খুব মিশুক প্রকৃতির। সেদিনই বিকেলবেলা আমি মাঠের একপাশে বসে খেলা দেখছিলাম। এমন সময় সেই ভদ্রলোককে দেখলাম ।তবে একা নয় । সাথে নয় দশ বছরের একটা বাচ্চা ছেলে ।

ভদ্রলোক কাছে এসে বললেন, কেমন আছেন ? আমি আপনাকে সকালে মাঠে দেখেছি, রাইট?
আমি মুখে বললাম হ্যাঁ । আমি আবির । এখানকার কলেজে পড়ছি । এইচ এস সি সেকেন্ড ইয়ার ।
উনি হাত বাড়িয়ে দিয়ে হ্যান্ডসেক করে বললেন, আমি মেজর সাব্বির । আর্মিতে আছি । এ আমার ছেলে মাসুদ। আসুন না আমার বাসায়, জমিয়ে আড্ডা দেয়া যাবে। বেশি দুরে নয়, এই তো কাছেই।
আমি কথা দিলাম যে, অবশ্যই যাবো।
উনি বাসার লোকেশন বলে দিলেন ।

২দিন পর ভোরে সাব্বির সাহেবের সাথে আবার দেখা । এবার আর উনি আমাকে ছাড়লেন না । একেবারে সাথে করে নিয়ে গেলেন। বাড়িটা উনার নয়, ওটা উনার শ্বশুরবাড়ি। উনার বৌয়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। মহিলার নাম মলি, আমি তাকে মলি আপা বলে ডাকতাম ।
সাব্বির সাহেব এতোদিন মিশনে ছিলেন বলে মলি আপা মাসুদকে নিয়ে বাপের বাড়িতেই আছেন। ওদের আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করলো । একদিনের পরিচয়েই মনে হলো এরা আমার কতকালের চেনা, আত্মীয়। আমি বেশ খানিকক্ষন গল্প করলাম, নাস্তা না করিয়ে ছাড়লো না। আমার ক্লাস ছিল জন্য তাড়াতাড়ি চলে আসতে হলো। তবে সাব্বির সাহেব আমাকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়ে নিলেন যে সম্ভব হলে প্রতিদিন একবার যেন উনাদের সাথে দেখা করি। সেদিনের পর থেকে মলি আপার বাসায় যাওয়া আমার প্রতিদিনের ডিউটি হয়ে গেল। বিশেষ করে টিভি সিরিয়াল দেখার জন্য। তাছাড়া ভিসিআর আছে, মাঝে মাঝে হিন্দি ছবিও দেখা হয়।

ছুটি শেষে সাব্বির সাহেব তার কর্মস্থলে ফিরে গেলেন। তবে আমার যাতায়াত বন্ধ হলো না। সাধারনত আমি রাত ৯টার দিকে যেতাম টিভিতে নাটক দেখার জন্য। মাসুদ ইতিমধ্যেই আমার সাংঘাতিক ভক্ত হয়ে গেছে। আমি গেলে আমাকে ছেড়ে নড়তেই চায় না। ওর সাংঘাতিক গা ঘেঁষা স্বভাব । যতক্ষণ থাকবো আমার কোলে বসে থাকবে নাহলে পিঠে চাপবে। প্রতি রাতে আমাকে পাওয়ার জন্য সম্ভবত ছেলেটা উন্মুখ হয়ে থাকে। কারন, আমি বেল বাজাতেই ছুটে এসে মাসুদই দরজা খুলে দেয়।
আমি ঘরে ঢুকে সোফায় বসার সাথে সাথে আমার কোলের মধ্যে বসে গলা জড়িয়ে ধরে। আমিও ওর নরম শরীর জড়িয়ে ধরে চাপ দিয়ে আদর করি । মাসুদ শুধু খিলখিল করে হাসে। আমি ওকে চুমু দিয়ে আদর করি। বিনিময়ে মাসুদও আমার গলা জড়িয়ে ধরে আমাকে চুমু দেয়। মলি আপা মাঝে মাঝে আমাকে বিরক্ত না করার জন্য বকা দেয় কিন্তু আমি আপাকে ওকে বকতে মানা করি। এভাবেই আমাদের দিনগুলি কাটতে থাকে। আমি দিনে দিনে মলি আপার পরিবারের একজন সদস্য হয়ে উঠি। মা-ছেলে দুজনের সাথেই আমার ঘনিষ্ঠতা গাঢ় হয়ে ওঠে।
৪ মাস পরের কথা। তখন শীতকাল এসে গেছে। আমি সচরাচর বাসায় লুঙ্গি পরি এবং মলি আপার বাসায়ও লুঙ্গি পরেই যাই। শীতের জন্য কয়েকদিন হলো গায়ে একটা চাদর জড়াচ্ছি। মাসুদ যথারিতি আমার কোলে বসে এবং আমার চাদরের ভিতরে ঢুকে পড়ে। মাঝে মধ্যে মাসুদের নড়াচড়া এতোটাই অস্বাভাবিক হয়ে পড়ে যে ওর পাছার নিচে আমার ধোন গরম হয়ে ওঠে কিন্তু আমি এই পরিবারের সাথে সম্পর্কটা নষ্ট করতে চাই না বলে খুব সাবধান থাকি যাতে আমার দিক থেকে কোনরকম দূর্বলতা প্রকাশ হয়ে না পড়ে।
একদিন আমি যথারিতি মলি আপার বাসায় গিয়ে ড্রইংরুমে টিভি ছেড়ে বসলাম। আপা রান্নাঘরে ব্যস্ত ছিল বলে আমাকে বসতে বলে চলে গেল। মাসুদ পড়াশুনা করছিল। আধ ঘন্টা পরে সে পড়া শেষ করে ড্রইংরুমে এলো। আমাকে দেখেই ছুটে এসে আমার দুই পাশে পা দিয়ে কোলে বসে চাদর সরিয়ে নিজেকে আমার সাথে জড়িয়ে নিল। মাসুদ যখন আমার কোলে বসে তখন আমার দুই পায়ের দুই দিকে পা দিয়ে উরুর উপরে বসে । ফলে ওর পাছা থাকে আমার পেটের সাথে । আমি দুই পা চাপিয়ে বসি । ফলে কখনো আমার ধোন শক্ত হলেও আমার রানের নিচে চাপা পড়ে থাকে। মাসুদ কখনো আমার কোলে বসে স্থির থাকে না । সেদিনও বেশিক্ষণ স্থির থাকলো না।

মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই ওর নড়াচড়া শুরু হয়ে গেলো। তবে সেদিনের নড়াচড়ার পরিমানটা ছিল বেশি।
আমি বললাম, কিরে অমন করছিস কেন?
মাসুদ বললো, আমার উরুতে চুলকাচ্ছে।
আমি বললাম, ঠিক আছে, তাহলে নিচে নেমে বস।
আমার কথা শুনে মাসুদ উঠে দাঁড়ালো । আমি আমার পা দুটি ফাঁক করলে মাসুদ আমার দুই উরুর ফাঁকে সোফার উপরে বসলো। কিন্তু ও বসার সময় আমার পেট ঘেঁষে নেমে যাওয়াতে আমার ধোনটা ওর পাছার নিচে চাপা পড়লো । যদিও ওটা তখন নরম ছিল। কিন্তু মাসুদ সম্ভবত ঠিকই বুঝতে পেরেছিল যে ওর পাছা আর সোফার মাঝখানে মোটা দড়ির মতো কিছু একটা আছে।
মাসুদ ওভাবে বসেও ওর পাছা ঘষাতে লাগলো । মাসুদের নরম পাছার ঘষায় আমার ধোন শক্ত হয়ে উঠতে শুরু করলো। আমি ওটাকে থামানোর যথাসাধ্য চেষ্টা করলাম কিন্তু পারলাম না । মাসুদের পাছার নিচে লোহার রডের মত শক্ত হয়ে গেল ওটা। আমি টিভিতে মনোযোগ দিলাম । যাতে ধোনটা আস্তে আস্তে নিস্তেজ হয়। হঠাৎ মনে হল আমার ধোনের মাথায় কিসের ঘষা লাগলো। প্রথমে ভাবলাম মনের ভুল । কিন্তু দ্বিতীয়বার যখন আরেকটু জোরে চাপ লাগলো । তখন বুঝতে পারলাম যে মাসুদ ওর দুই উরুর ফাঁক দিয়ে হাত ঢুকিয়ে ঠিক ওর পাছার নিচে অবস্থিত আমার ধোনের মাথায় উদ্দেশ্যমূলকভাবে ইচ্ছে করেই আঙুল দিয়ে খোঁচাচ্ছে। আমি না বোঝার ভান করে বসে রইলাম। কিন্তু পরেরবার মাসুদ আবারও আঙুল দিয়ে জোরে ঘষা দিল এবং আঙুলটা না সরিয়ে ধোনের মাথায় লাগিয়ে রাখলো।

আমার সাড়ে ৭ ইঞ্চি লম্বা ধোনটা ইতিমধ্যে শক্ত লোহা হয়ে উঠেছে আর মাসুদ সেটা পাছার নিচে ঠিকই বুঝতে পারছে। আমি এই পুঁচকে ছেলেটার যৌনলিপ্সা দেখে অবাক হয়ে গেলাম। আমি যখন এসব ভাবছি মাসুদ ততক্ষণে আমার সাড়া না পেয়ে বেপরোয়া হয়ে উঠলো এবং পুরোপুরি আরো সাহসী হয়ে উঠলো এবং আমার ধোনের মুন্ডিটা ওর ছোট্ট হাতে চেপে ধরলো। আমি এবারে আর চুপ করে থাকতে পারলাম না।

ওর কানের কাছে ফিসফিস করে ধমকে উঠলাম,এই মাসুদ, কি হচ্ছে এসব, ছাড় বলছি।
মাসুদ তখন আরো ভাল করে ধোনের মাথাটা চেপে ধরে বলল, ছাড়বো না, তুমি শক্ত বানালে কেন? ছাড়বো না, কি করবে?
আমি এবারে অন্য পথ চেষ্টা করলাম, বললাম,আপা দেখলে কিন্তু জবাই করে ফেলবে।
মাসুদ হেসে বলল, মামনি রান্নাঘরে তোমার জন্য পোলাও মাংস রাঁধছে, এদিকে আসবে না।
আমি বললাম, তবুও, এসব ভাল না, লক্ষী বাবা ছাড়।
মাসুদ আরো জোরে চেপে ধরে বললো, না ছাড়বো না, আমার ধরে থাকতে ভালো লাগতেছে।
এ কথা বলার পর মাসুদ এক হাতের পরিবর্তে দুই হাতে আমার শক্ত ধোনটা চেপে ধরে টিপতে লাগলো।
আমার ধৈর্য্যের বাঁধ ভেঙে গেল, মাথার মধ্যে গোলমাল হয়ে গেল, আমার হিতাহিত জ্ঞান লোপ পেয়ে গেল, আমি স্থান-কাল-পাত্র সব ভুলে গেলাম। আমি ভুলে গেলাম যে, বাচ্চা একটা ছেলের সাথে আমার একটা অনৈতিক সম্পর্ক ঘটতে চলেছে।

আমি ফিসফিস করে বললাম, দ্যাখ, তুই যদি আমারটা না ছাড়িস আমি কিন্তু তোরটা ধরে চটকাবো।
এক সেকেন্ডও দেরি না করে মাসুদ আমার চোখে চোখ রেখে হাসতে হাসতে চটপট বলে দিলো, ধরো না, ধরো, আমি কি মানা করেছি নাকি? আমার তোমারটা ধরতে মন চাইছিল, ধরেছি; তোমার যদি আমারটা ধরতে মন চায় তো ধরো না, ধরো।
এ কথা বলে মাসুদ ওর দুই পা বেশ খানিকটা ফাঁক করে দিল যাতে আমি ওর ধনটা ধরতে পারি। একেবারেই বাচ্চা একটা ছেলে, যার কিনা বয়ঃসিন্ধক্ষণে পৌঁছানো এখনো অনেক বাকি, তার এরকম সেক্সুয়াল অভিজ্ঞতা দেখে আমার টাসকি লেগে গেল।
আমি ওকে উঁচু করে তুলে আমার উরুর উপরে বসালাম আর আমার দুই পা ফাঁক করে রাখলাম যাতে মাসুদ সহজেই ওর হাত আমার দুই উরুর ফাঁক দিয়ে ঢুকিয়ে আমার ধোন নাড়তে পারে।
মাসুদ আমার কোমড়ের দুই পাশে দুই পা দিয়ে বসে একটু সামনে নুয়ে দুই হাত দিয়ে আমার ধোনটা শক্ত করে ধরে নাড়তে লাগলো। উপর দিকে ফাঁকা পেয়ে আমার ধোনটা খাড়া হয়ে উঠেছিল, ফলে মাসুদ পুরো ধোনটা আগা গোড়া নাড়তে পারছিল। আমি আমাদের দুজনের বয়সের ব্যবধান ভুলে গেলাম। নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পেরে ডান হাত দিয়ে ওর নরম নুনুটা প্যান্টের উপর দিয়েই চেপে ধরলাম। বাম হাত ওর টিশার্টের নিচ দিয়ে ঢুকিয়ে প্রথমে ওর নরম পেট টিপলাম । হাতটা উপর দিকে তুলে ওর বুকের উপরে রাখলাম।

মাসুদের স্বাস্থ্য বেশ নাদুসনাদুস । যদিও সে ছেলে তবুও স্বাস্থ্য ভালো হওয়াতে দুই বুকের ওখানে বেশ থলথলে মাংস। চাপ দিয়ে ধরে দেখলাম, প্রায় মাইয়ের মতই নরম তুলতুলে। খুব মজা লাগছিল আমার, আমি নখ দিয়ে ওর বুকের বোঁটা আঁচড়ে দিচ্ছিলাম । মাসুদ চুপ করে আমার ধোন খেঁচতে লাগলো। মাসুদের পরনে যে হাফ প্যান্টটা ছিল সেটার কোমড়ে ইলাস্টিক দেওয়া। আমি কোমরের ইলাস্টিকের নিচে আঙুল ঢুকিয়ে ওর নরম তুলতুলে নুনু চেপে ধরে টিপতে লাগলাম। মাখনের মত নরম তুলতুলে নুনু ।

একটু পর মলি আপা এলো । আমি ভয় পেয়ে হাত সরিয়ে নিলেও মাসুদ আমার ধোন ছাড়লো না। যেহেতু আমাদের দুজনের পুরো শরীর চাদরে ঢাকা ছিল । আপা কিছুই বুঝতে পারলো না। আপা আমার জন্য গরম গরম খাবার তৈরি করে এনেছিল, আমার সামনে টি টেবিলে সেগুলি রাখতে লাগলো।

আমি মাসুদকে কোল থেকে নামিয়ে পাশে বসিয়ে খেতে শুরু করলাম।
পরের দিন আমি মাসুদের বাসায় যাওয়ার পর যথারিতি এসে আমার কোলে বসে চাদর দিয়ে নিজেকে জড়িয়ে নিয়ে আমার কোলে বসেই আমার ধোন ধরে নাড়াচাড়া করতে লাগলো। আমিও ওর নুনু নিয়ে খেলা করতে লাগলাম। রেনু আপা ঘরেই ছিল, কিন্তু সে মাসুদের জন্য একটা সোয়েটার বোনায় এতই মনোযোগী ছিল যে আমাদের দিকে খেয়ালই করলো না। তবুও আমি মাসুদকে চিমটি কেটে ইঙ্গিতে ওর মায়ের উপস্থিতি জানালেও মাসুদ ওসব পাত্তাই দিল না। কিছুক্ষণ পর আমি যখন আমার হাত ওর প্যান্টের ভিতরে ঢোকানোর চেষ্টা করলাম, হঠাৎ মাসুদ লাফ দিয়ে উঠে বললো,বাথরুম পেয়েছে। আমি একটু অবাক হলাম ।

মিনিট পাঁচেক পর মাসুদ ফিরে এলো। আমার দিকে পিছন ঘুড়িয়ে আগে চাদর দিয়ে নিজেকে জড়িয়ে নিলো, পরে আমার পায়ের উপর বসতে গিয়েও বসলো না। আমার দুই উরুর উপরে দুই হাত রেখে আমার লুঙ্গি টেনে উপরে তুলতে লাগল। আমি বাধা দিতে চেষ্টা করেও পারলাম না । মাসুদ পুরো লুঙ্গি তুলে আমার আলগা রানের উপরে বসলো। মলিআপা সোয়েটার এতই মগ্ন ছিল যে সে এদিকে তাকালোও না। মাসুদ আমার উরুতে বসেই দুই হাত নিচে নামিয়ে আমার আলগা ধোনটা চেপে ধরে টিপতে লাগলো। আমিও মাসুদের টিশার্ট ওর বুকের উপরে উঠিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ ওর বুকের মাংস টেপার পর নিচের দিকে হাতটা নামিয়ে ওর প্যান্টের ভিতর ঢুকালাম। আমি খুশি মনে ওর নরম নুনু চেপে ধরে টিপতে লাগলাম আর পাছার ছিদ্রের মধ্যে আঙুল ঢুকিয়ে ঘষাতে লাগলাম।
আমি আমার আঙুল ঘষাতে ঘষাতে আমার কড়ে আঙুল ওর পাছার ফুটোর মধ্যে ঢুকানোর চেষ্টা করলাম, কিন্তু জায়গাটা শুকনো, ঢুকলো না। মাসুদ সেটা বুঝতে পেরে আমার ধন টিপে ধোনের মাথা দিয়ে বেরনো রস আঙুলে লাগিয়ে ওর পুটকির ফুটোর মুখে লাগিয়ে দিল। আমি আবার চেষ্টা করলাম, আমার কড়ে আঙুলের মাঝের গিট পর্যন্ত ঢুকলো, তারপর আটকে গেলো। আমি ওটুকুই আগুপিছু করতে লাগলাম। এরপর মাসুদ আমার ধোন টেনে এনে ধোনের মুন্ডিটা ওর পুতকিতে লাগালো, আমি আমার হাত সরিয়ে নিলে মাসুদ আমার ধোনের মুন্ডি ওর পুতকিতে ঘষাতে লাগলো। একটু পর মলি আপা কাজ রেখে বাইরে চলে গেলে মাসুদ আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বললো,তোমার বাবুটারে বমি করায়ে দেই? আমি ওর কথা শুনে যার পর নাই অবাক হয়ে গেলাম। মাসুদ এতো কিছু শিখলো কিভাবে? মনে মনে ভাবলাম, জানতে হবে আমাকে।
যাই হোক আমার অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় ছিল, আগের দিন মাসুদদের বাসা থেকে বাইরে বেড়িয়ে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে হস্তমৈথুন করতে হয়েছে। তাই আমি ওর প্রস্তাবে রাজি হলাম। মাসুদ ওর মুখ থেকে একগাদা থুথু নিয়ে আমার ধোনের গায়ে আর ওর পুটকির ফুটোতে মাখিয়ে নিল। তারপর পিছলা পাছার ফুটার সাথে আমার ধোনের মুন্ডি ঘষাতে ঘষাতে হাত দিয়ে ধোন শক্ত করে চেপে ধরে উপর নিচ খেঁচতে লাগলো। একটু পর চিরিক চিরিক করে আমার ধোন থেকে পিচকারীর মত মাল বেড়িয়ে ওর পুটকি ভাসিয়ে দিল। মাসুদ আমার মুখের দিকে তাকিয়ে হাসলো আর লুঙ্গি দিয়ে নিজের পুটকি আর আমার ধোন মুছে দিল। আমি আর দেরি না করে দ্রুত মাসুদের বাসা থেকে চলে এলাম।

শুক্রবার আমাদের কলেজ বন্ধ থাকে। প্রতি শুক্রবারেই সকালে আমি মলি আপার বাসায় যাই, টিভিতে প্রোগ্রাম দেখার জন্য। সেদিনও ছিল শুক্রবার, আপা আমার জন্য চা করে নিয়ে এলো । চা খেয়ে টিভি দেখতে লাগলাম, একটা সুন্দর ছবি হচ্ছিল। প্রায় ১১টার দিকে আপা বলল, তোমরা টি ভি দেখ । আমি একটু পাশের বাসা থেকে আসছি । দরজাটা লাগিয়ে দাও । আমি উঠে দরজা লাগিয়ে দিলাম ।
আমার গায়ে চাদর ছিল না জন্য মাসুদ এতক্ষণ বিশেষ সুবিধা করতে পারছিল না। কেবল আমার কোলে বসে পাছা দিয়ে আমার ধোন চটকাচ্ছিল। এই সুযোগে মাসুদ আমার কোল থেকে পিছলে নেমে গেল। আমার পায়ের কাছে বসে আমার লুঙ্গি উঁচু করে মাথা ঢুকিয়ে দিয়ে দুই হাতে আমার খাড়ানো ধোন চেপে ধরলো। এরপর আমাকে অবাক করে দিয়ে আমার ধোনটা টেনে নিচের দিকে নামিয়ে ওর মুখে পুরে নিয়ে চুষতে লাগলো।
আমার মোটা ধোন ওর মুখের পুরোটা জুড়ে গেলো। তবুও ও ওভাবেই সুন্দর করে চুষতে লাগলো আর হাত দিয়ে খেঁচতে লাগলো। ১৫ মিনিটের মধ্যেই আমার মাল আউটের সময় হয়ে এলো । আমি ওকে সিগন্যাল দিলেও মাসুদ আমার ধোন ওর মুখ থেকে বের করলো না । ওর মুখ ভর্তি করে মাল আউট করে দিলাম। আমার অবাক হওয়ার তখনো কিছু বাকি ছিল । মাসুদকে টেনে বের করে দেখি ও আমার মাল সবটুকু চেটেপুটে গিলে খেয়েছে, কেবল ওর ঠোঁটের আশেপাশে এক-আধটু লেগে আছে । সেটুকু আমার লুঙ্গি দিয়ে মুছে দিলাম। আমি ওকে টেনে তুলে আমার কোলে বসিয়ে দুই হাতে জড়িয়ে ধরে চুমুতে চুমুতে ভরিয়ে দিলাম আর আদর করে দিলাম। তারপর আমার কৌতুহল চেপে রাখতে না পেরে আমি জানতে চাইলাম, ও এসব কোথা থেকে শিখেছে?
মাসুদ প্রথমে আমাকে কসম খাইয়ে নিল যে আমি কাউকে এটা বলবো না।
পরে বললো, বাবার এক বন্ধুর কাছে।
আমি বললাম, মানে?
মাসুদ বললো, বাবা ছুটিতে আসার সময় তার এক বন্ধুও আসে মাস ছয়েক আগে । রাতে আমি তার সাথে ঘুমাই । উনি ঘুমের মাঝে আমায় জড়িয়ে ধরেন, বুকের বোঁটা চুসে দেন । আমি অবাক হই যখন দেখি উনার নুনুটা বিশাল বড় । ঠিক যেন সাগর কলা । উনি আমাকে বলেন উনার নুনুটা ধরতে । আমি অবাক হয়ে নুনু ধরি । নাড়াচাড়া করি । উনার নুনু আরও বড় হয় । উনি আমার পাছায় আঙ্গুল ঢুকান । আমি একটু ব্যথা পাই । উনি এবার আমাকে বলেন তার নুনু চুষতে । আমি রাজি হই না । ঘেন্না লাগে । পরে রাজি হই । উনার নুনুটা মুখে নিতেই একটা নোনতা স্বাদ পাই । ভালই লাগে । প্রথমে দাঁত লাগলেও পরে আস্তে আস্তে চুষতে থাকি । একটা সময় বুঝতে পারি আমার মুখে সাদা সাদা কিছু । আমি মুখে করে নিয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে ফেলে দিই । এরপর থেকে টানা ৭ দিন ওই আংকেলের নুনু চুসসি আমি । আংকেল চলে যাওয়ার পর আমার অনেক কষ্ট হতো । নুনু ধরতে ইচ্ছা করত । কিন্তু আমি ভয়ে কাওকে বলতাম না। এরপর তুমি আসলে আমাদের বাসায় । আস্তে আস্তে তোমার সাথে ফ্রি হলাম ।
আমি এসব কথা শুনে পুরাই থ । মানুষের জীবন কত অদ্ভুত ! আর গে দের জীবন আরও অদ্ভুত ! আর মাসুদ এর মত একটা পুঁচকে পোলার কাছেই আমার গে জীবনের শুরু । এরপর যতদিন ওখানে ছিলাম মাসুদের সাথে বহুবার সেক্স করেছি । পরে ঢাকায় আসার পর আবার গে সেক্স করি। সে অন্য কাহিনী । আরেকদিন বলব তোমাদের ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s