আজ রানার জন্মদিন

379656_184141368335628_812997666_n

অফিস থেকে একটু তাড়াতাড়িই বেরুলাম আজ । কারণ আজ রানার জন্মদিন ।
ও এতক্ষণে নিশ্চয়ই আমার ফ্লাটে চলে এসেছে । আমার ফ্ল্যাট এর একটা ডুপ্লিকেট চাবি ওর কাছে আছে । আমাদের সম্পর্কের ১ বছর চলছে । তারপরেও ভালোবাসা দুজনের এতটুকু কমে নি ।
হয়ত আমরা দুজন দুজন কে বুঝি ! সেজন্য ।
আজ বেশ কয়েকটা মিটিং ছিল । তাই খুব ক্লান্ত লাগছিলো ।
গাড়ি ড্রাইভ করতে গিয়ে এটা টের পেলাম ।
রানার জন্য কিছু বেগুনি রঙ্গা অর্কিড কিনলাম । ও এগুলো পেলে অনেক খুশি হবে ।

আমার বাসা গুলশানে। রুমে ঢুকেই বুঝলাম রানা এখনও আসে নি । বেচারা বোধয় জ্যামে পড়েছে ।
ফোন দিয়ে বললাম , হানি ! তুমি কোথায় ?
ওপাশ থেকে রানার বিরক্তি ভরা কণ্ঠ, জান ! আর বল না । আমি এখনও মহাখালীতে । রাস্তায় খুব জ্যাম । বেশিক্ষণ লাগবে না । আমি বাইকে করেই আসছি ।
ওকে । সাবধানে এস । আমি ততখনে গোসলটা সেরে নিই ।
ওকে ।

একটু হুইস্কি গলায় ঢাললাম । তারপর কাপড় চোপড় খুলে বাথরুমে গেলাম ।
আমার এখন একটা গরম শাওয়ার দরকার।
বাথটাবের হালকা গরম পানিতে শরীর ডুবাতেই কেমন একটা আরাম লাগলো । মনে হচ্ছে ধীরে ধীরে সারাদিনের সব অবসাদ ধুয়ে যাচ্ছে ।
দু চোখ বন্ধ করে রাখলাম ।
২০-২৫ মিনিট পর বাথটাব থেকে উঠে টাওয়েল পেচিয়ে রুমে আসলাম ।
রুমের মাঝে একটা চেনা পারফিউমের গন্ধ । সাথে কিচেনের টুং টাং আওয়াজ । বুঝলাম ও এসেছে ।

হাতে দুকাপ কফি নিয়ে রানা রুমে ঢুকল।
আমি সাথে সাথে বললাম, হ্যাপি বার্থ ডে শান্তুনান্তু । ওকে যখন বেশি আদর করি তখন আমি এই নামে ডাকি ।
আমাকে টাওয়েলে দেখে ওর মুখে দুষ্টু হাসি ফুটে উঠল।
উম্মম ! ব্যাপার কি ! একে বারে রেডি হয়ে আছ দেখি !
আমি হেসে বললাম, তুমি তো আমাকে কাপড় খোলার টাইম দিতে চাওনা তাই ।
রানা আমার লোমশ ভেজা বুকের দিকে তাকিয়ে বলে , তুমি জান না ? তোমার লোমশ বুক দেখলে তোমাকে কাচা খেয়ে ফেলতে ইচ্ছা করে আমার !

রানার পরনে জলপাই রঙ্গা একটা ফুলহাতা শার্ট । ওর ফরসা গালে খোঁচা খোঁচা দাড়ি । ওর চুলগুলো হালকা কোঁকড়ানো ।
আমি ওর সামনে হাতুগেরে বসে বলি, তোমায় গ্রিক দেবতাদের মত দেখাচ্ছে ।
রানা আমার হাত ধরে ওর বুকের কাছে দাড় করায় ।
ওর নাকের উপর এক ফোটা ঘাম, আমায় পাগল করে তুললো।
আমি বললাম, নোড়োনা প্লিজ !
রানার নাকের উপর ঘামের ফোঁটায় ঠোট বুলালাম ।
ওর পুরো পুরো দেহ কেপে উঠল, আবেশে । ওর চোখ বন্ধ হয়ে গেল।
ধীরে ধীরে আমার ঠোট রানার নরম ঠোটের উপর..
শুরু হোল দীর্ঘ চুম্বন পালা, যেন শেষ নাই, নিস্বাসে ঝড় উঠেছে দুজনার। প্রায় ৫ মিনিট পর দুজনের মুখ আলাদা হল। আমি রানার কানের লতিতে আলতো কামড় দিলাম ।
ও কম যায় না, আমার রোমশ বুকে আলত জোরে কামড়াতে লাগলো ।
রানা এক টানে খুলে ফেললো আমার কোমরের টাওয়েল।
আমার নিচের যন্ত্রটা তখন তীর তীর করছে ।
রানা দেরিনা করে ওটাকে ধরে মুখের মাঝে নিল ।
তারপর ওটাকে ললিপপের মত চুসতে লাগল ।
আমার বাবু সাহেব ভদ্রতা ছেড়ে আরো মোটা ও লম্বা হয়ে গেল।
রানা চুসতেই থাকলো এভাবে…
আমি তাড়াতাড়ি ওটা ওর মুখ থেকে বের করে নিলাম ।

রানা ওর শার্ট প্যান্ট খুলে সোফায় শুয়ে ইশারায় আমাকে ডাকল । ওর বুকে একটাও লোম নেই । মসৃণ বুক । ওর মটর দানার মত নিপল টা দুই দাতের ফাকে নিয়ে হাল্কা কামড় দিলাম । ও যেন পাগল হয় গেল। আমার চুলে বিলি কাটা শুরু করল ও।
ধীরে ধীরে রানার নিচের দিকে আদর দিতে থাকলাম আমি ।
ওর ক্লিন শেভ করা পেনিসে্র চারপাশে আদর করা শুরু করলাম।
ওটার গোরায় হালকা কামড় দিলাম।
ও আমার মাথা নিজের পেনিসে চেপে ধরল।
ও বলল, রিহাব প্লিজ, আরো চোশো… আহ, আরও উমমমমম, ইসসসসসসসসসসসস ।

আমার নিজের অবস্থাও তখন সুবিধার নয়।
দেরি না করে আমি রানার পা দুইটা আমার কাঁধে নিলাম ।
ওর পিছনের দিকটাতে আমার ওটা দিয়ে হালকা ঘস্তে থাকলাম ।
রানা তখন পাগল হয়ে গেছে ।
আমাকে বলল, রিহাব ! প্লিজ তাড়াতাড়ি ঢুকাও । এভাবে দেরি করলে আমি পাগল হয়ে যাব ।
আমি এবার টেবিল থেকে লোশন টা নিলাম ।
আমার পেনিস এ খুব করে লোশন মাখলাম । ওর পিছন দিকের ফুটোতেও লোশন লাগালাম ।
এবার ধোন ঢুকাব । প্রথমে হাল্কা একটু পুশ ।
রানার ভিতরে একটু করে প্রবেশ করল আমার পেনিস।
রানা কামসুখে চিৎকার করে উঠলো ।
এবার আরেকটু একটা জোরে পুশ করতেই বাবু সাহেব পুরোটাই ডুব দিল ।

রানা জোরে চিৎকার দিল । আমি একটু থামলাম ।
ওর নাভি আর বুকের চারপাশে আদর দিতে থাকলাম ।
এবার শুরু হলো আমাদের দেয়া নেয়ার যুদ্ধ ।
কামে উম্মত্ত দুই উদোম পুরুষ । আমি এক হাতে ওর পেনিস ধরলাম আর আরেক হাতে কোমর দুলাচ্ছি ।
রানা এখন অনেকটাই পাগল হয়ে আছে । ও সমানে আমাকে বলছে, প্লিজ ! আরও জোরে কর ।
আমি বললাম, তুমি কষ্ট পাবে !
ও বলল, না ! এখন ভালো লাগছে ।
আমি এই কথা শুনেই আমার গতি বাড়ালাম । আমার বাবু সাহেব ওর ভেতরের গরম রাস্তায় দৌড়ুচ্ছে আর বেরুচ্ছে ।
ও তার শরীর ঝাকি দিল । আমার হাত ওর বীর্যে মাখামাখি ।
আমি ওর বীর্য ওর নাভিতে আর বুকে মাখিয়ে দিলাম । কিন্তু আমি থামলাম না ।
করেই চলেছি ওকে ।
রানা এবার বলল, জান । এবার বের করো প্লিজ ।
আমি ওর মুখের দিকে চেয়ে হাসলাম ।
২ মিনিট পর আমি ওর বুক খামচে ধরলাম । আমার সব কিছু চিরিক চিরিক করে ওর ভেতরে পড়ল ।
আমি খুব ক্লান্ত । ওর বুকে শুয়ে পরলাম ।
রানা আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দেয় ।
আমার ঘুম এসে যাচ্ছে ।
আমি ওর গলার কাছটাতে নাক ঘষি । বলি, সোনা বাবু ! চল । ফ্রেস হই । তোমাকে নিয়ে আজ ডিনার করব বাইরে ।
তুমি হাসলে । আমার মাথাটা তোমার বুকে আরও জোরে চাপ দিয়ে ধরলে ।
বললে, তোমাকে পেয়ে আমি সুখি !!!

One thought on “আজ রানার জন্মদিন

  1. কিছু বাস্তবতা হৃদয়ে আলোরণ সৃষ্টি করে যখন লুকানোর মতো কিছুই থাকে না..!

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s