আমার বড় ভাইয়ার বন্ধুর সাথে গে সেক্স

ভাইয়া, আমি সোহাগ । থাকি যাত্রাবাড়ীতে । আমি শুরু থেকেই আপনার ফেস বুক পেইজ তার একজন ফ্যান । প্রত্যেকটা গল্প আমি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়ি । আমার খুব ইচ্ছা আপনি আমার জীবনের একটা কাহিনী আপনার পেইজে লিখবেন । বাংলা টাইপ করতে আমার অনেক কষ্ট হয় । পাশাপাশি আমি আপনার মত এতো সুন্দর করে লিখতেও পারব না । তাই আমার ঘটনা আপনার কাছে লিখে পাঠালাম । আপনি গল্প লিখে পোস্ট দিলে খুব খুশি হব ………………………

রাজিব ভাই আমার বড় ভাইয়ার বন্ধু । আমার চাইতে বয়সে ৬ বছরের বড় ।
রাজিব ভাইয়াকে আমাদের বাড়িতে দেখে আজ একটু অবাকই হলাম । কারণ উনি ৩ বছর হল দেশের বাইরে । কবে দেশে আসলেন তাও জানি না । রাজিব ভাইয়া বরাবরই একটু পাগলাটে ।
তাই এটাও ছিল আমাদের সবার জন্য সারপ্রাইজ ।
তবে আমার ভাইয়া শুধু জানত তার আসার কথা । ভাইয়া আর রাজীব ভাই একসাথেই কলেজ-ভার্সিটিতে পড়েছে।
সম্পর্কে রাজিব ভাই আমার কাজিন । আব্বুর চাচাতো ভাইয়ের ছেলে। ওদের পরিবারের সবাই থাকে গ্রামের বাড়িতে । শুধু রাজিব ভাইয়া থাকতো ঢাকায় । গুলশানে ফুফুর বাসায়। আর আমরা ধানমন্ডিতে। রাজিব ভাইয়া আমাকে দেখেই হাসল ।
বলল, কিরে ? খবর কি তোর ? অনেক বড় হয়ে গেছিস তুই !

আমি অবাক হয়ে দেখলাম সেই চাহনি, সেই হাসি!
কেমন একটা ঝড় বয়ে গেল বুকের মাঝে ।
অনেকদিন পর শরীরে-মনে আবার সেই সুখের দোলা!
আঃ কি মধুময় ছিল সেই কয়টা দিন! আমার সমকামী জীবনের প্রথম পুরুষ ছিল রাজিব ভাই । ওর কাছ থেকেই জেনেছিলাম কত সুখ শরীরের কোনায় কোনায়!

নিত্যনতুন আবিস্কারে আমি তখন মন্ত্রমুগ্ধ।
মোহগ্রস্ত।
এই দেহটার ভিতরে কামনার কত না চোরাস্রোত! সুখ আর আনন্দের কত না চোরাগলি!
কদিনের মধ্যেই ও আমার কাছে হয়ে গিয়েছিল এক কল্পলোকের মানব ।
আমার সমস্ত জগৎ-সংসার জুড়ে শুধুই তখন সে । মনে হতো আর সব কিছু মিথ্যা ।
এক অপার্থিব সুখের ভেলায় ভেসে চলেছিলাম দুজন। দিনে দুবার, তিনবার, চারবার, কখনওবা সুযোগ পেলে সারাদিনরাত মিলিত না হলে যেন চলতই না!

কিন্তু শুধু ওই কটা দিনই মাত্র। তারপরই হঠাৎ ওকে চলে যেতে হল মালয়েশিয়া।
খুব একলা লাগত তখন নিজেকে । শরীর মন ছটফট করত ।
মনে হতো কাওকে যদি বুকে জড়িয়ে ধরতে পারতাম । বেশ হতো ।
সময় সবকিছু ঠিক করে দেয় ।
আমিও আস্তে আস্তে রাজিব ভাইয়ের শূন্যতা ভুলতে লাগলাম।
ব্র্যাক ভার্সিটিতে বিবিএ-তে ভর্তি হয়ে নতুন নতুন বন্ধু পেলাম ।
এদের মাঝে কেও একটু বেশী মার্জিত, ভদ্র, উদারমনা, এবং কেও আবার বেশী সেক্সি।
সেক্স তখন আমার কাছে আর লজ্জা বা ঘৃণার কোন বিষয় না।
এটুকু বুঝেছি এটা খুবই স্বাভাবিক একটা ব্যাপার, অন্যতম মৌলিক চাহিদা।
তাই ‘জাস্ট ফান এন্ড এনজয়’ দর্শনে বিশ্বাসী আমি আমার শরীরের সুখ মিটিয়ে চলেছি অবাধে, সেই থেকে।
আর এখন রাজিব ভাইয়াকে দেখে আমি নস্টালজিক হয়ে গেলাম ।
প্রথম প্রেম যেমন ভোলা যায় না, তেমনি কে ভুলতে পারে প্রথম যৌন সঙ্গীকে?
তাই খুশিই হলাম যখন শুনলাম এই ঈদটা রাজিব ভাই আমাদের সাথেই করবে।
আমি একটু ব্যাকুল হয়ে উঠলাম। রাজিব ভাইয়ের ছোঁয়া যে আমায় পেতেই হবে! ওর চোখেমুখে আজও আমি কামনার আকুলতা দেখেছি ।

ঐদিনই সন্ধ্যাবেলা রাজিব ভাই বলল আমাকে – কতদিন ছুঁয়ে দেখি না তোকে!
এই কথা বলা শেষেই দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরেছি ।
প্রচণ্ড উত্তেজনা নিয়ে সজোরে শরীরে শরীর মিশিয়ে দিতে চেয়েছি ।
অফুরন্ত তৃষ্ণা নিয়ে দুজন দুজনের মুখ চুম্বন করেছি, ঠোঁট ঠোঁট ডুবিয়েছি ।
কখন যে ওর দুটি হাত ছুঁয়ে গেছে আমার খোলা বুক । আমার কঠিন উরু ।

আনন্দ আর হৈচৈ নিয়ে ঈদের দিনটি পার করলাম। রাতে সবাই মিলে কয়েকটি চ্যানেলের ঈদের নাটক দেখলাম। সবাই ক্লান্ত। কিন্তু আমি অধীর হয়ে ছিলাম রাজিব ভাইকে কখন কাছে পাব । আমি আমার ঘরে অপেক্ষায় আছি । প্রতীক্ষার প্রহর গুণতে শুরু করলাম। কিন্তু সময় যেন কাটে না… ঘড়ির কাঁটা এগারোটা পেরিয়ে গেলো। রাজিব ভাইয়া আমাদের গেস্ট রুমে থাকার কথা। তবে কি ও ঘুমিয়ে গেল? সাড়ে এগারোটা। আমি পা টিপে টিপে রাজিব ভাইয়ার ঘরের সামনে এলাম। না, কোন সাড়াশব্দ নেই। ঘরে ফিরে এলাম। হতাশ হতে শুরু করলাম আমি। কান্না পেতে লাগলো।
রাজিব ভাই এটা করতে পারলো?
আবার আশায় বুক বাঁধলাম – হয়তো ও জেগে আছে, আর উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা করছে। কিন্তু এ কি, বারোটা তো বেজে গেলো! আমি অধৈর্য হয়ে উঠলাম। সাড়ে বারোটা.. না, সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম, যা করার আমাকেই করতে হবে।
আবার গেলাম রাজিব ভাইয়ার ঘরে। আস্তে আস্তে ভিতরে ঢুকলাম।
আস্তে আস্তে খাটের পাশে গিয়ে ওর মাথায় হাত বোলাতে লাগলাম ।
কিন্তু ওর কোন সাড়াই পেলাম না। ক্রমেই আমি ধৈর্য হারাতে শুরু করলাম। ওর সারা শরীরে আমার হাত বোলাতে শুরু করলাম। সেই সাথে চুমুর পর চুমু, ওর কপালে, গালে, মুখে, বুকে.. কিন্তু কই, ওর জেগে ওঠার কোন লক্ষণ তো দেখছি না!

একসময় ওর ঠোঁট দুটি চুষতে শুরু করলাম।
চুষতে চুষতে মুখের মধ্যে জিহ্বা ঢুকিয়ে চাটতে লাগলাম। হঠাৎ মনে হলো ও যেন একটু নড়ে উঠল।
ও কি তবে সাড়া দিতে শুরু করেছে আমার আদরে!
দ্বিগুণ উৎসাহে আমি আদরের মাত্রা যেন বাড়িয়ে দিলাম। কতদিনের উপোসী আমি! আর কতদিন পর ওকে এত কাছে পাওয়া।
এতক্ষণ ধরে চুমু আর চোষাতেও যেন আশ মিটছে না। তাই একটু বেপরোয়া হয়ে উঠলাম। আমার এক হাত ওর বুক পেট ছুঁয়ে আরও নিচে নেমে গেলো। প্যান্টের জিপারের ঠিক উপরে হাত বোলাতে লাগলাম। আঃ এই সেই আরাধ্য জিনিস! একে আমিই পেয়েছিলাম প্রথম। কী করে ভুলি একে!
ইশ্ কতদিন আদর করিনি তোমায়, পাইনি তোমার পাগল করা উষ্ণ ছোঁয়া!
হুম্, আমার হাতের ছোঁয়া পেয়ে কি ওটা উত্থিত হতে শুরু করল?
হ্যাঁ তাইতো! ওটা তো এখন খুব গরম আর শক্ত হয়ে উঠছে! প্যান্টের উপর থেকেই বোঝা যাচ্ছে ওটার আকৃতি আর সামর্থ।
প্রচণ্ড আবেশে আমি ওখানটায় চুমু দিয়ে মুখ ঘষতে লাগলাম। কামনার আগুনে তখন পুড়ে মরছি আমি। আমি যেন আর আমাতে নেই।
ওর মুখে মুখ নিয়ে ঠোঁটদুটো চুষতে লাগলাম। আর ডানহাতটা দিয়ে আস্তে আস্তে ওর জিপার খুললাম, তারপর খুলতে লাগলাম প্যান্টের হুক। আর সেই সাথে বাড়তে লাগল আমার হার্টবিট, আর সারা দেহে সুখের শিহরন। আঃ আর একটু! অন্তর্বাসটা একটু সরিয়ে দিলেই বেরিয়ে আসবে ওটা! আমার যে আর তর সইছে না!

মুখটা নামিয়ে নিয়ে এলাম ওটার কাছে। এইতো, একহাত দিয়ে ধরে বের করলেই হলো।
আমি হাত ঢুকিয়ে দিলাম অন্তর্বাসের মধ্যে।
সাথে সাথে রাজিব ভাইয়া আমার হাতটি চেপে ধরে উঠে বসলো । বলল, ওরে বোকা ! দরজা খোলা । কেও দেখে ফেললে কেলেংকারি হয়ে যাবে ।

আমি তাড়াতাড়ি দরজা আতকে আসলাম ।
ততক্ষণে রাজিব ভাইয়া পুরো উদোম হয়ে শুয়ে আছে ।
আমি আর দেরি না করে তার বুকে ঝাঁপিয়ে পরলাম । রাজিব ভাইয়া আমার থ্রি কোয়ার্টারের উপর দিয়ে হাট বুলায় ।
আমার টি শার্ট টা একটানে খুলে ছুড়ে ফেলে ।
আমি রাজিব ভাইয়ার বুকে চুমু খাই ।
ভাইয়া আমার মাথা টা তার বুকে চেপে ধরে । আহ আহ করতে থাকে ।
ভাইয়ার মিনারের মত দাঁড়িয়ে থাকা পেনিস টা আমি এক হাতে ধরি ।
ভাইয়া তার হাত আমার প্যান্ট এর ভেতর ঢুকিয়ে আশ্চর্য হয়ে বলে । কিরে ! তোরটা পুরো সাগর কলা হয়ে গেছে ।!
আমি হাসি । কানেকানে বলি, আমি কি সেই ছোটোটি আছি ?
আমাদের দুজনের নগ্ন শরীর লেপ্তে আছে । কখনও আমি উপরে কখনও রাজিব ভাইয়া আমার উপরে উঠে চুমু খাচ্ছি ।
শরীরের এমন কোন জায়গা নেই যেখান টাতে চুমু খাই নি ।
ভাইয়া এবার বলে চল একজন আরেক জনের টা চুষি ।
আমি ভাইয়ার উপরে উঠে তার পেনিস টা আমার মুখে নিলাম ।
ভাইয়া ও নিচ থেকে আমার ওটা চুষতে লাগলো ।
ভাইয়া নিচ থেকে হাল্কা কোমর তুলে ঠেলতে লাগলো । আমার গলায় গিয়ে তার পুরুসাঙ্গ টা থেকছিল ।
আমিও কম যাই না । অনেকদিন পর রাজিব ভাই কে পেয়ে সমান তালে আমার ৭ ইঞ্চি পেনিস টা তার মুখে ঠেলতে থাকি ।
রাজিব ভাই কখনও আমার পেনিস কখনও আমার অণ্ডকোষ চুষতে থাকে ।
আমি কামনার আগুনে তখন পুরছি ।
ভাইয়া হথাত আমার পেনিস মুখ থেকে বের করে বলে ………।আহহহহহহহহহহ! বেশি করে চুস ! আমার টা বেরুবে ।
আমি বললাম, তুমিও আমারতা করো ।
দুজন একসাথে বের করব ।

আমি কথা না বাড়িয়ে ভাইয়ার পেনিস টা দিগুন গতিতে চুষতে লাগলাম । পুরো ঘরে একটা কেমন শব্দ ।
আমাদের দুজনের চুষার তালে তালে খাটটা দুলছিল ।
এবার বুঝলাম আমার বেরুবে ।
আমি ভাইয়ার পেনিস টা সমস্ত শতি দিয়ে চুষা দিলাম …আমার সাদা মালে ততক্ষণে রাজিব ভাই এর মুখ ভরে গেছে ।
সাথে সাথে রাজিব ভাই ও গল গল করে তার বীর্য ফেলল আমার মুখে ।
আমি পুরোটাই চুসে নিলাম ।
এরপর দুজনেই দৌড়ে একসাথে বাথরুমে গেলাম । বেসিনে মুখের মাল ফেললাম । ভালো করে কুলি করলাম ।
পরিস্কার হয়ে দুজন দুজনের বুকে শুয়ে রইলাম । সারাটা রাত ।

One thought on “আমার বড় ভাইয়ার বন্ধুর সাথে গে সেক্স

  1. dosto prothom barer story gular moto ekhonkar tomar sobigula golper sathe relate kore na. hope you’ll take care this section. thanks.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s