সমকামী জীবনের শুরু এখান থেকেই

তখন আমার বয়স ১২ বছর । পড়ি ক্লাস সিক্সে । আমাদের পাশের বাড়িতেই থাকত আমার এক কাজিন । ওর বয়স তখন ২৩ কি ২৪ হবে ।
আমি বুঝতাম আমার কাজিন আমাকে খুব পছন্দ করত ।
ওর কথা বলা চোখের চাহনিতে আমি বুঝতে পারতাম ।
মানুষ খুব অদ্ভুত প্রাণী । কেও তাকে পছন্দ করলে সে বুঝতে পারে ।
যাই হোক । একদিন ভাইয়া আমাকে ডেকে বলল, কি অবস্থা তোমার ? কেমন আছ ?
আমি বললাম, ভালই ।
ভাইয়া বললেন, একটা কথা বলব তোমায় । কিছু মনে করবে নাতো ?
আমি বললাম, আরে না না । আপনি বলতে পারেন ।
উনি বলেন, চল আমাদের বাসায় । ওখানে বলব ।
আমি বললাম, কি এমন কথা যে আপনাদের বাসায় যেতে হবে ?
ভাইয়া কিছু বলেন না । হাসেন ।
আমি তার সাথে তাদের বাসায় গেলাম ।
গিয়ে দেখি তাদের বাসায় কেউ নাই ।
ভাইয়া আমাকে তার রুমে নিয়ে বসালেন । আমি তার বিছানায় আরাম করে বসলাম , বললাম, এখন বলুন কি বলবেন ?
ভাইয়া আমার পাশে বসে । আমার একটা হাত তার হাতে নিয়ে বলেন, তোমার ঠোঁট দুটো খুব সুন্দর । তোমাকে আমার অনেক ভালো লাগে ।
আমি এই কথা শুনে হাসলাম । মনে মনে ভাবলাম লোকটা পাগল নাকি ?
আমি কি মেয়ে নাকি যে সে আমায় এসব কথা বলছে ?
আমি চুপ করে রইলাম। কোন কথা বললাম না । সেদিনের মত অন্য প্রসঙ্গে কথা বলতে শুরু করলাম ।
তারপর বাসায় চলে আসলাম ।
এরপর থেকে আমার সাথে ভাইয়ার মাঝে মাঝে দেখা হলেও উনি এসব ব্যাপারে কোন কথা বলতেন না ।
আমরা দুজনেই এমন ভান করতাম যে এসব নিয়ে কোন কথাই আমাদের মাঝে হয় নি ।

তার কিছুদিন পরের কথা ।
হথাত একদিন আমার কাজিন আমার বাসায় আসে । আমার মাকে বলে, খালা । বাসায় একা একা ভালো লাগে না । তাই আজ তোমাদের বাসায় থাকব । আমার মাও বললেন, তোর যতদিন ইচ্ছা থাক ।
রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমানোর পালা ।
আমাদের বাসায় মত ৩ টা ঘর । একটাতে মা বাবা, একটা তে আমার আপা আর একটাতে আমি একাই থাকি ।
তাই আমার কাজিন আমার সাথেই থাকবেন ।
আমি রাতে দরজা জানালা বন্ধ করে উনাকে নিয়ে শুতে গেলাম ।
দুজন খাতে শুলাম । আমি চুপচাপ ।
হথাত আমার কাজিন আমাকে বলল, তুমি কি অইদিনের কথায় আমার উপর রাগ করেছ ?
আমি বললাম, কই? নাতো ! কিন্তু আমি একটু কনফিউসড ! আমিতো মেয়ে না । আপনি আমাকে এসব কথা বললেন কেন ?
তখন ভাইয়া বলল, ওকে । সরি । আর বলব না ।
আমি বললাম, আচ্ছা । ঠিক আছে ।
লাইট অফ করে দুজন কম্বল গায়ে দিয়ে শুয়ে পরলাম । কখন চোখটা একটু লেগে এসেছে । বুঝি নি ।
ঘুমের মাঝে বুঝতে পারলাম আমার প্যান্ট এর উপর দিয়ে আমার ধন হাতাচ্ছে আমার কাজিন ।
আমি চুপ মেরে থাকলাম । কি করে দেখার জন্য । কিন্তু হথাত সে আমার প্যান্ট এর ভিতর হাত ঢুকিয়ে দিল ।
আমার ধন সাথে সাথে ফুলে ফেঁপে উঠলো ।
আমি বুঝতে পারছিলাম আমার সারা শরীর গরম হয়ে যাচ্ছে । ওটা ততক্ষণে রডের মত শক্ত হয়ে গেছে ।
আমার ভালো লাগা শুরু হল । ভাইয়া যখন বুঝল যে আমি বাধা দিচ্ছি না তখন সে একটানে আমার থ্রি কোয়ার্টার খুলে ফেলল ।
সে আমার উপর উঠে আমাকে জোরে জড়িয়ে ধরল ।
আমার ঠোঁটে তখন তার ঠোঁট । জীবনে প্রথম ঠোঁটের পরশ পেলাম । আমি এতটাই উত্তেজিত যে বলার মত না ।
ভাইয়ার হাত তখন আমার সমস্ত শরীর জুড়ে ঘুরে বেরাচ্ছে ।
আমার কাজিন খুব ভালো মাসাজ করতে পারে তা বুঝতে পারলাম । আমার চোখ বুজে আসছিল আরামে ।
আমিও যে কখন ওকে আদর দিতে শুরু করেছি তা মনে নেই ।
আমিও ওর ঠোঁট দুটাকে প্রানপন চুষতে লাগলাম ।
আমার কাজিন এবার তার সব জামা কাপড় খুলে ফেলল ।
আমি খুব অবাক তার পেনিসের সাইজ দেখে । পুরা একটা বড় শসার মত । আমি মুঠ করে ধরলাম ।
ওটার মাথাটা ভীষণ বড় । আমি আমার একটা আঙ্গুল বুলালাম ওটার মাথায় ।
আমার কাজিন আহ করে উঠলো । সে তার মুখ নামিয়ে আনল আমার বুকে ।
ডান দিকের বুকের বোঁটটা জিব দিয়ে ছুঁয়ে দিতেই আমি শরীর মোচড়াতে লাগলাম । কিন্তু আমার বাম হাতের মুঠোয় তখনও তার ধনটা ।
ভাইয়া তখন আমার দুধের বোঁটা বাচ্চাদের মত চুষতে লাগলো ।
আমিও কম না । আমার কাজিনের বিচি আর ধন মনের আনন্দে টিপতে থাকলাম ।
আমি পুরা পাগল হয়ে গেসি ।
এভাবে কতক্ষণ চুসন চলছে জানি না ।
ভাইয়া আমার বুক থেকে নাভি , নাভি থেকে বালের গোঁড়ায় মুখ নামালেন । আমার তখন হালকা বাল গজিয়েছে ।
আমার কাজিন বালে জিব ঘসে । আমি চিৎকার দিয়ে আমার দু পা ফাঁক করে দিই ।
আমার কাজিন আমার ধোনের মাথায় চুমু দেয় ।
আমি আঁতকে উঠি । উহ । এতো গরম ! মানুষের মুখে ।
এতো আরাম । আমি আস্তে আস্তে তার মুখে আমার ওটা ঠেলতে শুরু করি ।
এরপর আমার কাজিন আমার মুখের কাছে তার ধনটা এনে বলে, এটা চুসে দাও ।
আমি বললাম, আমিতো কখনও চুসিনি ।
ও বলল, আমি যেভাবে চুস্লাম, সেভাবে চুস ।
আমি ওর ধোনের মাথাটা মুখে নিতেই পুরো মুখ ভরে গেল । এতো মোটা তার ধন ।
আমার কাজিন আমার মুখে তার ধন জোরে জোরে ঠেলতে লাগলো আর বলল, দাঁত লাগিও না ।
আমি ওর কথামত দাঁত না লাগিয়ে চুষার চেষ্টা করলাম । ওর বিচিগুলা এতো বড় যে আমার নিচের ঠোঁটে ধাক্কা লাগছিলো । হথাত আমার কাজিন বলে, তোমাকে চুদব ।
আমি ভয় পেয়ে বললাম, ও হ । এতো মোটা ধন আমি কেমন করে নিব ।
ও বলল আমি আরাম করে দিব । আস্তে আস্তে দিব । তুমি ব্যথা পাবা না ।
আমাকে ডগি স্টাইলে বসিয়ে ও আমার পাছায় থুথু দিল । কিছু থুথু দিয়ে ওর ধনেও মাখল ।
তারপর আমার কোমরে হাত দিয়ে তার ধোনের মাথাটা আমার পাছায় ঘষতে লাগলো । হথাত কিছু বুঝে উঠার আগেই এক ধাক্কা দিয়ে তার ধন ঢুকিয়ে দিল ।
আমি শুধু আহ করে উঠলাম । মনে হচ্ছে আমার পাছার ভেতরে কেও মরিচ ধেলে দিসে । আমি দাঁতে দাঁত চেপে রাখলাম ।
আমার সারা শরীর কাপ্তে লাগলো । ও থামল না । আমার দুধে হাত বুলিয়ে থাপাতে লাগলো । কেমন একটা পছ পছ শব্দ হতে লাগলো ।
আমি ব্যথাও পাচ্ছিলাম আবার এক ধরনের মজাও পাচ্ছিলাম । মুখ দিয়ে বললাম, আরও জোরে করো ।
ও বোধহয় এটা শুনার জন্যই তৈরি ছিল । ও মুখে জত বাজে কথা আছে সব বলতে লাগলো আর আমাকে জোরে জোরে চুদতে থাকল ।
এভাবে প্রায় মিনিট বিশেক কাটল ।
আমি বুঝতে পারছিলাম না ওর মাল কখন বেরুবে ।
হথাত খেয়েয়াল করলাম ও চুদার গতি আরও বাড়িয়ে দিল ।
শেষ একটা ধাক্কা দিল জোরে । বুঝলাম ওর মাল ফেলেছে আমার পাছার ভেতর ।
ও মরার মত আমার পিঠে শুয়ে পরল । আমি তখন ব্যথায় শুয়ে আছি । কেমন একটা চিনচিনে ব্যথা ।
ও আমাকে জড়িয়ে ধরে চুমু দিল । একটু পর ওর ধন আবার হট হয়ে গেল পাছার ভেতর । ও এবার আবার চুদতে শুরু করল । এবার সে অনেকক্ষণ করল আমায় ।
সেই থেকে আমি সমকামী জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে গেলাম । এখন সময় পেলেই ওর সাথে সেক্স করি আমি ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s