এখন থেকে আমিই তোমার বয় ফ্রেন্ড

আমি অমি। থাকি উত্তরায় । বয়স ২১ প্লাস চলছে। bangla gay golpo তে আজ আমি আমার জীবনের একটি সত্যি ঘটনা share করব। ঘটনাটা ছিল আমার cousin মুকুল এর সাথে ।
গত রোজার ঈদ এর ঘটনা । ঈদের দিন দুপুর বেলা আমি এবং আমার ছোটো ভাই আমাদের বাড়ি থেকে নানির বাড়িতে চলে আসি। নানির বাড়িতে এসে খুব ভালো লাগছিলো । কারণ তখন দেখি আমার বড় খালা এবং ছোট খালা আর আমার ২ মামা চলে আসছে । আমি মনে মনে বিশাল খুশি । কারন আমার কাজিনদের সাথে আমার সম্পর্কটা ছিল খুবই ভালো। তাই ভাবলাম এবার আমার ঈদ খুবই আনন্দে কাটবে ।
নানির বাড়িতে এসে সন্ধ্যায় আমরা সব কাজিনরা বসছি লুডু খেলতে । আমি খুব ভালো লুডু খেলতে পারি না । তাই বার বার হেরে যাচ্ছিলাম । অনেকেই আমাকে টিটকারি দিতেছে যে কিছু পারি না আবার খেলতেছি ।
আমার খুব রাগ হল । রাগ করে খেলা বাদ দিয়া উঠে গেলাম ।
আমার পিছে পিছে মুকুলও উঠে চলে আসলো ।
আমি ছাদে গিয়া দাড়িয়ে দাড়িয়ে আকাশ দেখছি ।
রাতের আকাশে অনেক তারা ।
হালকা বাতাস । সব মিলিয়ে খুব ভালো লাগছিলো ।
কি মনে করে আমার পিছনে তাকালাম । দেখি মুকুল দাড়িয়ে আছে।
মুকুল আমার কাজিন । বয়স ১৪-১৫ হবে । নাদুস নুদুস । বেবিদের মত চেহারা ।
আমি জিজ্ঞাসা করলাম, কি ব্যপার মুকুল ? তুই এখানে?
ও বলল, তুমি কি খুব মন খারাপ করেছ সবার কথায় ?
আমি হাসলাম । বললাম, একটু !
মুকুল আমার কাছে এসে বলল, ভাইয়া ! তোমার মন খারাপ দেখে আমার ও খারাপ লাগছিলো ।
আমি বললাম, ও । তাই বুঝি ?
মুকুল মাথা নাড়ল । বলল, ভাইয়া আকাশে আজ অনেক তারা !
আমি বললাম, হুম ।
মুকুল আচমকা আমায় জিজ্ঞেস করল, আচ্ছা ভাইয়া তোমার কি কোন গার্ল ফ্রেন্ড আছে?
আমি বললাম , গার্ল ফ্রেন্ড কি রে । আমি মিটিমিটি হাসতে লাগলাম ।
মুকুল আমার দিকে চেয়ে বলল, দেখ ! আমি কিন্তু বড় হচ্ছি । এখন কিন্তু ছোটো নই ।
বুঝলে ?
আমি ওর থুতনিতে হাত রেখে বললাম, আসলেইত তোর মুখে যে গোঁফ উঠছে তাত খেয়াল করি নি !
মুকুল আবার বলল, ভাইয়া বল না !
আমি বললাম, না রে ! আমার মত হনুমান কে কি কেও ভালবাসতে পারে !
মুকুল বলল, কে বলেছে ! তুমি হনুমান ! তুমি দেখতে অনেক cute !
আমি হা হা করে হেসে উঠলাম । বললাম, তুই আজকাল চোখেও কম দেখিস । চোখের ডাক্তার দেখা!
মুকুল কাঁদ কাঁদ গলায় বলে , ভাইয়া একটা কথা বলি ?
আমি অন্যদিকে তাকিয়ে বললাম, আচ্ছা ! বল ।
ও বলল, i love you. ভাইয়া । আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না।
আমি অবাক চোখে তাকালাম । পোলায় কয় কি ?
অবশ্য কয়েকদিন ধরে ইন্টারনেট এ সমকামিতা নিয়ে বেশ কিছু লেখা পরেছি আমি ।
আমার মাঝেও একটা কৌতূহল আছে এই ব্যপারে ।
আমি বললাম কি যা তা বলতেছিস…ছেলে ছেলে কি ভালবাসা হয় নাকি ?
মুকুল বলল , হয় । আমি তোমাকে আমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে ভালোবাসি ।
please আমাকে ফিরিয়ে দিও না ?
আমিতো পুরা shocked । এই পোলায় কয় কি । পাগল নাকি?
মুকুল ততক্ষণে মাথা নিচু করে কান্না করছে ।
আমি এগিয়ে গিয়ে ওর থুতনিতে হাত দিই । কি বলব বুঝে পাই না ।
মুকুল আমাকে জড়িয়ে ধরে কান্না করতে লাগল।
মুকুল ওর মাথাটা উঁচু করে আমার দিকে তাকায় ।
আমি বললাম, কবে থেকে আমায় ভালবাসিস ?
মুকুল বলল, অনেকদিন থেকে । তোমার চোখ । তোমার ঠোঁট । তোমার দাড়ির স্টাইল । তোমার ড্রেস আপ । তোমার হাঁটা চলা । আমার সব ভালো লাগে ।
আমি ওকে বললাম, ছেলে ছেলে কি ভালোবাসা হয়?
ও বলল, কেন হবে না ?
আমি ওকে বললাম একটা মেয়ে আমাকে যা দিতে পারবে । তাকি তুই পারবি ?
ও বলল, তুমি যা চাও । আমি করব ।

আমি এবার ওর থুতনিতে ধরে ওকে একটা কিস করলাম!
আমি ওকে কিস করা অবস্থাতে ওর গেঞ্জির উপর দিয়ে ওর বুকের উপর হাত দিলাম ।
ও নাদুস নুদুস ছিল তাই বুক গুলা বেশ ফোলা ফোলা ।
মেয়েদের কচি দুধের মত ।
আমি ওর বুকের দুধ গুলাতে হাত দিয়ে আস্তে একটা টিপ দিলাম ।
ও একটু ব্যাথা পেল । আহ করে উঠলো । বলল, ভাইয়া আস্তে করো ।
আমি এবার ওর গেঞ্জির ভেতরে হাত ঢুকিয়ে দিলাম !
আস্তে আস্তে ওকে দেওয়ালের নিয়ে পিঠ ঠেকিয়ে ওর গেঞ্জি খুলে ফেললাম!
ওর বুকের ফোলা দুধ গুলা খুব বেশি উঁচু না । কিন্তু ভালো লাগছিলো । বুকে একটাও লোম নেই ।
বুকের বোঁটাগুলা ছিল গোলাপি ।
ছাদে লাইট জ্বালানো ছিল। আমি ছাদের লাইট অফ করে দিলাম । ছাদের গেইটটাও লাগিয়ে আসলাম ।

আমি এখন ওর বুকের বোঁটার চারপাশে চুষতে লাগলাম।
কখনও ডান নিপল কখনও বাম নিপল ।
মুকুল আমার মাথার চুল আঁকড়ে ধরছে ।
আমি সমান তালে ওর বুকের বোঁটা চুসেই যাচ্ছি ।

মুকুল ও ক্রমাগত চিল্লাছে , উফ! আহ! please আর না। আমি আর পারতেছি না। please আমাকে শেষ করে ফেল!আমি আর সহ্য করতে পারতে ছি না please.
আমি বললাম, মুকুল । তুই এসব শিখলি কোথায় । আর তোর দুধ এতো বড় হল কেমন করে ? সত্যি করে বলত ?
মুকুল বলল, আমার এক ফ্রেন্ড এর বড় ভাই আমাকে এসব শিখাইসে । ওই ভাইয়া আমার বুক চুষত ।
আমি বললাম, ও এখন কই ?
মুকুল বলল, ওই ভাইয়া এখন দেশের বাইরে চলে গেসে ।

আমি কথা না বাড়িয়ে ওর প্যান্ট খুলে নিচে নামিয়ে দিলাম!
ওর পাছার ফুটাতে আঙ্গুল ঢুকিয়ে দিলাম ।
ও চিৎকার করে উঠল!
আর এই দিকে আমার অবস্থা তো পুরা tight।
আমার পেনিস পুরা ফুলে ফেপে দাড়িয়ে আছে!
আমি আমার প্যান্ট খুলে আমার পেনিস বের করলাম ।
ও একবার আমার পেনিসটার দিকে তাকাল । হাঁটু গেড়ে বসে পরল ।
আমি কিছু বলার আগেই পেনিসের মাথা চুষতে লাগলো । আবেশে আমার চোখ বুজে আসল ।
উহ । এতো সুখ । আগে জানলে তোকে দিয়ে বাড়া চুসাতাম ।
মুকুল আমার দিকে চেয়ে বলল, এখন থেকে আমিই ওইটা চুসব ।
মুকুল আমার ধন পুরোটা মুখে নিতে পারে না ।
তারপরও চাঁটতে থাকে ।
কখনও বীচি , কখনও আমার বাল । কখন ও আমার পেনিস ।

আমি বললাম , থাম ! আমি তোকে এখন ঢুকাব ।
মুকুল বলল , ভাইয়া আমি মারা যাবো! আমার পাছা ছিঁড়ে যাবে এত বড় টা ঢুকালে।!!
আমি হাসলাম আর বললাম, কিচ্ছু হবে না!
আমি ওকে দেয়ালের দিকে দাড় করালাম । ও দু হাত দেয়ালে দিয়ে ওর পাছাটা আমার দিকে দিয়ে দাঁড়াল।
আমি আস্তে আস্তে আমার পেনিসটা ওর পাছার ফুটাতে ঢুকাতে গেলাম …কিন্তু আমার ৭ ইঞ্চি পেনিসটা ওর পাছাতে ঢুকছিল না!
ও প্রচণ্ড ব্যাথা পেল । ও চিৎকার করে উঠল ।
আমি ওর মুখে হাত দিয়ে চাপ দিয়ে শব্দ আঁটকে দিলাম!
আমার পেনিসটা থুতু দিয়ে ভিজিয়ে নিয়ে আবার চেষ্টা করলাম !
এবার ঢুঁকে গেল । আস্তে আস্তে আমি ফিল করলাম অনেক গরম একটা গর্তে আমার পেনিসটা প্রবেশ করল।
ও বলল, ভাইয়া আস্তে করো প্লিজ । আমার পাছা জলতেছে ।
আমি বললাম ঠিক আছে ।
আমি ওর বুকের বোঁটায় হাত দিয়ে ওকে উত্তেজিত করলাম । ওর ঘাড়ে চুমু দিলাম ।
সাথে সাথে হালকা করে পেনিস টেনে বের করে আবার ধুকালাম ।
ও বলল, উম । এভাবে করো ।
আমি বললাম, তুই যেভাবে চাস সেভাবেই করব । আমি এবার ওর কোমরে হাত দিয়ে আমার পেনিস দিয়ে ওর পাছার ফুটাতে গুতা দিতে লাগলাম ।
মুকুল আমার উরুতে হাত বোলায়।
বলে , ভাইয়া এবার জোরে চুদ ।
আমি এবার জোরে চুদা শুরু করলাম ।
আমি ওকে বললাম, তোর পাছা চুদে মাল দিয়ে ভরিয়ে দিব ।
মুকুল বলল, আমি তাই চাই । কত জোরে চুদতে পার আজ দেখব ।
আমি বললাম, তোর চুদা খাওয়ার এতো সখ আজ মিতাব ।
মুকুল আহ আহ করে ওর পাছা আমার দিকে ঠেলে দেয় ।
ও এখন তার দুই পা দু দিকে দিয়ে দাঁড়ায় । নিচু হয়ে দেয়াল ধরে ।
আমি থামি না । বলি, আজ ফাটিয়ে দেব তোর পাছা ।
মুকুল ওর নুনুতে হাত বুলায় আর বলে, তোমার বিচির সব মাল আজ ঢেলে দাও ।
এ কথা শুনে আমার মাথা আউলাইয়া গেল ।
আমি ওর কাঁধে হাত দিয়ে আমার পেনিস একবারে ঢুকিয়ে আবার বের করে জোরে ঠেলা দিলাম । কয়েকবার এমন করতেই মুকুল বলল, ভাইয়া আমি আর পারছি না । তোমার মাল ঢাল ।
আমি বুঝলাম, ওর কষ্ট হচ্ছে । তাই আর দেরি করলাম না । মাল ছেরে দিলাম ।

আমি তখন খুব ক্লান্ত । ছাদের এক কোনায় বসে । মুকুল উঠে আমাকে কিস করে বলল thank you
আআমি বললাম,আমার জীবনের first গে সেক্স আজ আমি তোর সাথে করলাম।
মুকুল বলল, এখন থেকে আমিই তোমার বয় ফ্রেন্ড ।

2 thoughts on “এখন থেকে আমিই তোমার বয় ফ্রেন্ড

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s