সারা রাত দুজন একফোঁটা ঘুমাই নি

ঘটনাটা বেশ কিছুদিন আগের । অনেকে হয়ত বিশ্বাস করবেন না । কিন্তু মানুষের জীবনে অনেক আশ্চর্য ঘটনা হথাত করেই ঘটে ।
আমি আর আমার এক বন্ধু সেদিন রেল স্টেশনে গেলাম । চট্টগ্রাম যাবার টিকেট কিনতে যাওয়ার জন্য । কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য । কোন টিকেট পেলাম না । এমন সময় খেয়াল করলাম একটা ১৩ -১৪ বছরের একটা ছেলেও টিকেটের জন্য দাঁড়িয়ে আছে । আমাদের দেখে সে এগিয়ে আসল ।
বলল, ভাই আমাকে একটি হেল্প করবেন ?
আমি বললাম, কি হেল্প ?
ছেলেটা বলল, ভাই আমি চট্টগ্রাম যাব । কিন্তু কোন টিকেট পাচ্ছি না । একটা টিকেট মেনেজ করে দিতে পারবেন ?
আমি বললাম, ভাই । আমরাও যাব । কিন্তু টিকেট নাই । ওকে অপেক্ষা করো । কপাল ভালো হলে পেতেও পার । কেও টিকেট ফেরত দিতেও আসতে পারে ।
একটু পরেই একজন টিকেট ফেরত দিতে আসল । কিন্তু সেটা পরদিন সকাল ৭ টা ৩০ মিনিটের ।
মহানগর ট্রেন । ওই ছেলেটা ওই টিকেটটা নিল । কিন্তু আমরা কোন টিকেট পেলাম না ।
ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি রাত ১০ টা বাজে । আমি আর আমার বন্ধু বাসায় ফেরার জন্য রওনা হব ঠিক করলাম ।
তখন হথাত মনে হল ওই ছেলেটা সারা রাত এই স্টেশনে একা একা থাকবে ?
আমার মায়া লাগলো । বললাম, ভাই তোমার প্রবলেম না হলে আমার সাথে আমাদের বাসায় চল ।
সকালে ট্রেনে তুলে দিব ।
ছেলেটা রাজি হল । আমার সাথের বন্ধুটা একটু খেপে গেল । আমার কানে কানে বলল, দেখিস পরে আবার বাসায় কোন ঝামেলা না হয় ।
আমি আমার বন্ধু কে বললাম, দেখ । ছেলেটা ছোটো । ও একা একা সারা রাত কেমন করে এখানে থাকবে ?
আমার বন্ধু বলল, দেখ । যা ভালো বুঝিস ।
একটু পর আমার বন্ধুটা তার বাসায় চলে গেল ।
আমি ওই ছেলেটাকে নিয়ে আমার বাসায় আসলাম ।
বাসায় আসতেই আব্বু আম্মু আমাকে আড়ালে নিয়ে খুব বকাঝকা করল ।
আমার খুব মন খারাপ হল । ঠিক করলাম ওকে খাওয়া দাওয়া করিয়ে স্টেশনে রেখে আসব ।
রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে ওকে নিয়ে আবার বের হলাম । স্টেশনে যাবার জন্য ।
ছেলেটা আমাকে বলল, ভাই । আপনার মা অনেক ভালো । আমাকে অনেক যত্ন করল । তবে একটু পর ও আমার দিকে তাকিয়ে বলল, ভাই । আমি রাতে কেমন করে স্টেশনে থাকব ?
আমার অন্ধকার খুব ভয় লাগে ।
আমার আবার খুব মন কেমন করল । পিচ্চি একটা ছেলে !
আমি আম্মুকে ফোন দিয়ে সব বললাম ।
আম্মু বলল, ঠিক আছে নিয়ে আস । কিন্তু তোমার আব্বু যেন না জানে ।
আমি এবার ওকে নিয়ে বাসায় আসলাম । পা টিপে টিপে সোজা নিজের ঘরে চলে গেলাম। যেন আব্বু টের না পায় ।
এবার ঘুমানোর পালা । ও আর আমি ফ্রেস হয়ে শুলাম । আমি লাইট অফ করে দিলাম ।
আমার কিন্তু ছেলেটার সাথে সেক্স করার কোন ইচ্ছা ছিল না । আমি শুধু ছেলেটাকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম । যাই হোক । শুতেই আমার ঘুম চলে আসল ।
কিন্তু খেয়াল করলাম ছেলেটা আমাকে ঘুমের মাঝে জড়িয়ে ধরছে ।
আমার খুব বাজে স্বভাব । কেউ ঘুমের মাঝে শরীরে হাত দিলে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায় ।
আমি বললাম,কি হল ? ঘুম আসে না ?
ছেলেটা বলল, না ভাই । আমার অন্ধকার ভয় লাগে । তাই ।
আমি বললাম, ঠিক আসে । এখন ঘুমাও ।
কিন্তু এদিকে ওই ছেলেটা আমাকে জড়িয়ে ধরার কারণে আমার শরীর ধীরে ধীরে গরম হয়ে যাচ্ছিল ।
আমিও যে কখন ওকে জড়িয়ে ধরেছি । খেয়াল করি নি ।
আমি জড়িয়ে ধরে ওর সারা শরীরে হাত বুলাতে লাগলাম । আমি বুঝতে পারলাম ওর শরীর টা অনেক নরম ।
ওর নরম ফরসা শরীরটা আমার সারা শরীরে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছিল ।
আমি ওর দেহের দুপাশে দুহাটু দিয়ে তার শরীরের উপর লম্বা হয়ে শুয়ে ওর ঠোঁট চুষতে লাগলাম । নরম লাল ঠোঁট ।
কখনও নিচের ঠোঁট । কখনও উপরের ঠোঁট ।
ঠোঁট থেকে ওর গলায় ঠোঁট বুলাই । কানের লতিতে চুমু দিই । হালকা কামর দিই দাঁত দিয়ে ।
আমি বুঝলাম ও গরম হয়ে গেছে । ও আমার বাড়াটা হাত দিয়ে ধরল । পায়জামার উপর দিয়েই । আমি আর দেরি না করে দুজনের পরনের সব কিছু খুলে ফেলে দিলাম ।
ওর বুক ধরে আমি চাপ দিতে লাগলাম । ওর একটা বুক খামচে ধরে চাপ দিয়ে অন্য বুকটাতে মুখ লাগায়ে চোষতে আরম্ভ করলাম ।
ওর বুকটা ফরসা । লোমহীন । বোঁটা হালকা গোলাপি ।
আমার দেখেই লোভ হল ।
প্রথমে জিব এর আগা দিয়ে হালকা করে বুলিয়ে দিলাম ।
এরপর দুই ঠোঁট এক করে বোঁটা চুষতে লাগলাম ।
ও তার শরীর মোচড়াতে লাগলো ।
কখনও আমার বাড়া কখনও আমার বিচি হাত দিয়ে কচলাতে লাগলো ।
ওর নরম হাতের ছুঁয়ায় আমার বাড়া ফুঁসে উঠলো ।
মনে হচ্ছিল ফেটে মাল বেড়িয়ে যাবে ।
আমি ওর বুক চুষা বাদ দিয়ে ওর নাভির চারপাস চাটি ।
ও শির শির করে উঠে ।
এবার ওর হালকা বালের মধ্যে নাক ডুবাই ।
কেমন একটা মাতাল করা গন্ধ ।
ওর বাড়াটা নেতিয়ে আছে ।
আমি আদর করে বাড়াটা আমার মুখে নিই । বিচিগুলাও হালকা চুসে দিই ।
তারপর ওর পা দুইটা ফাঁক করে ওর পাছার ফুঁটাতে আমার জিভ দিয়ে সুরসুরি দিই।
ও বলে ভাইয়া । আমিতো মরে যাব । আহহহহহহহহহহহহহ ।
আমি কথা বলি না । ওর পাছার ফুঁটাতে জিভ নারতে থাকি ।
এভাবে প্রায় ১ ঘণ্টা চুষলাম ওর সারা শরীর । ওর শরীরের প্রত্যেকটা পার্টস আমি চুসেছি ।
ও শুধু সুখে গোঙাতে লাগলো । আহ আহ করে ।
আমি বললাম, আস্তে চিৎকার করো ।
আমি একবার ওকে কোলে নিয়ে আদর করি । একবার দেয়ালে ঠেসে ধরে আদর দিই । আবার বিছানায় ঠেসে আদর দিই ।

আমার সাড়ে ৬ ইঞ্চি উত্থিত বাড়া তখন তার তলপেটে লম্বা বাশের মত চিপে রইল।
আমি এবার আমার বিশাল বাড়া তার মুখের কাছে এনে বললাম, চোষে দাও ।
ও মুখে নিয়ে চোষতে লাগল ।
আমার মুন্ডি বেশ বড় । ওর চুষতে একটু কষ্ট হচ্ছিল । বুঝতে পারছিলাম ।
তারপরেও সে চুষতে লাগলো । আমার বিশাল বাড়াটা ওর গলার ছিদ্র পর্যন্ত ধাক্কা খাচ্ছিল ।
আমি ওর মাথা ধরে মুখের ভিতর বাড়াটাকে ঠাপালাম ।

তারপর ওকে বিছানায় চিত করে শুয়ালাম । ওর কোমরের নিচে একটা বালিশ দিলাম । আমি ওর শরীরটাকে বিছানায় লাগিয়ে তার পাকে দু টাকে টান টান করে খুটির মত আমার কাঁধে নিলাম ।
আমার বারাটাতে থুথু দিয়ে ওর পাছায় থুথু দিলাম ।
এবার মুন্ডি ফিট করে একটা ঠেলা দিয়ে পুরা বাড়াটা ঢুকিয়ে দিলাম । দিলাম এক ধাক্কা ।
ও উহ করে উঠলো । বলল, ভাইয়া আস্তে করো ।
ওর পাছাটা খুব টাইট ।

এবার ঠাপ দেয়া শুরু করলাম। আস্তে আস্তে । এভাবে ৫ মিনিটের মত গেল ।
এবার শুরু করলাম প্রচন্ড ঠাপ ।
পুরা বাড়া বের করে আবার ঢুকাতে লাগলাম ।
মাঝে মাঝে আমার কলার মত বাড়াটা না ঢুকে ওর পাছার ফুটাতে আঘাত হানে ।

কিছুক্ষন এমনি ভাবে ঠাপ মেরে ওকে উপুড় করলাম ।
তারপর পাছায় বাড়া ঢুকিয়ে ঠাপ মারতে লাগলাম ।
প্রতি ঠাপে ওর পাছার ভিতর থেকে বাতাস বের হতে লাগল ।
ফস ফস করে শব্দ হতে লাগল।
কি যে সুখ এই চোদনে !
ওই ছেলে শুধু আহ আহ করছিল । ওর সারা শরীর আমার থাপের চোটে কাঁপছে ।

আমি আবার চিত করে ঠাপাতে লাগলাম ।, যেন ঠাপ শেষ হবার নয়।
ও সারাক্ষন আহ আহ-হ-হ-হ-হ-হ-হ- ই-হ-হ-হ-হ-হ-হ- করে যাচ্ছে ।
অনেকক্ষন পর আমার শরীররে একটা মোচড় অনুভব করলাম ।
সাথে সাথে আমার থকথকে বীর্য দিয়ে ওর পাছা ভর্তি করে দিলাম ।

একটু পর দুজনে ফ্রেস হলাম । আমি লাইট জ্বালালাম । দেখলাম ওর সারা শরীর আমার কামর আর চুমুর দাগে ভরে গেসে । সারা শরীরে লাল লাল ছোপ । এসব দেখে আমিতো আবারও হট হয়ে গেলাম । আবার ওকে নিয়ে শরীরের খেলা শুরু করলাম । সারা রাত দুজন একফোঁটা ঘুমাই নি । কখন যে ভোর হয়ে গেল টের পাই নি । তাড়াতাড়ি দুজন ফ্রেস হয়ে রেডি হয়ে বেরুলাম । কারণ ওর ট্রেন সকালে ।
স্টেশনে পৌঁছে ওকে ট্রেনে তুলে দিলাম। ট্রেনে উঠার আগে ওর মোবাইল নাম্বার নিলাম ।
ও আমাকে জড়িয়ে ধরল । কেঁদে দিল । বলল, ভাইয়া তোমাকে খুব মিস করব ।
আমি বললাম, বোকা । আমিতো কয়েকদিন পর যাচ্ছি চট্টগ্রামে ।
ও বলল, ভাইয়া এবার গেলে আমাদের বাসায় থাকবেন ।
আমি বললাম অবশ্যই ।
ওর ট্রেন ছেড়ে দেয় । ও জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকে ।
এর ২ দিন পর আমি চট্টগ্রাম যাই । হোটেলে উঠেই ওকে ফোন দিই । আমার ফোন পেয়েই সে আসে দেখা করতে । তার পর শুরু হয় আরেক গল্প । সেটা না হয় আরেকদিন বলব ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s