দীর্ঘশ্বাস

548794_291823480944763_466120522_n

১০-১২ বছর বয়স থেকেই আমি বাংলাদেশের বাইরে থাকি ।
সমকামিতা নিয়ে আমার তেমন কোন ধারনা ছিল না । কিন্তু আমার জীবনের একটা ঘটনা আমার জীবনের মোড়টাকেই ঘুরিয়ে দিয়েছে ।
আপনি গল্প লেখেন । তাই আমি চাই আমার জীবনের গল্পটাও আপনার পেইজে পোস্ট হোক । এভাবেই আমাকে ফোন করে বলছিল হিমেল ।
*************************************************

তখন আমার বয়স ১৫-১৬ হবে । ১৯৯৮ সালের ঘটনা ।
এখনও চোখ বুজলে দেখতে পাই । মনে হয় এইতো সেদিন ।
একটা পার্টিতে গিয়েছিলাম পরিবারের সবার সাথে ।
একটা সময় খেয়াল করলাম এক জোড়া চোখ আমায় খেয়াল করছে ।
আমি যেখানেই যাই সে আমাকে অনুসরন করছে । ছেলেটার বয়স আমার মতই হবে । অনেক কিউট দেখতে । অবশ্য আমিও দেখতে মন্দ নই ।
যাইহোক । পার্টিতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমি একটু নিচে নামতে চাইলাম ।
লিফটের সামনে অপেক্ষা করছিলাম ।
একটু পর দেখি সেও আমার পিছু পিছু আসল ।
আমার পাশে দাঁড়াল ।
লিফট আসলে দুজনেই উঠলাম ।
আমি কোন কথা বললাম না ।
পুরোপুরি চুপ ।
ওই প্রথম হাত বাড়াল, বলল হাই । আমি রাহাত । আপনি?
আমি মৃদু হেসে হাত বাড়িয়ে বললাম, আমি হিমেল ।
আপনাকে অনেকখন খেয়াল করছিলাম আমি , রাহাত বলল ।
আমি বললাম, ও তাই ! কেন ?
রাহাত আমার চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, আপনার চোখ দুইটা অনেক সুন্দর ।
আমি লজ্জা পেলাম । বললাম, থ্যাংকস ।
ও বলল, কিছু মনে না করলে আপনার নম্বরটা পেতে পারি ?
আমি বললাম, অবশ্যই । আমি রাহাতকে আমার বাসার ল্যান্ড ফোনের নম্বর দিলাম । ( আমার তখন সেল ফোন ছিল না )

সেদিনের মত ওর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে চলে আসলাম ।
পরদিন রাহাত ফোন দিল । আমি ফোন ধরলাম ।
ও বলল, কি ব্যপার । ভুলে গেলে নাকি ?
আমি বললাম, আরে নাহ ।
এরপর দুজনে মিলে অনেক কথা বলা শুরু হল ।
কিছুদিনের মাঝেই আমি আর রাহাত খুব ভালো বন্ধু হয়ে গেলাম ।
এমনও রাত গেছে যে আমি আর ও সারারাত কথা বলতাম ।
সকাল ৮ টায় ঘুমাতে যেতাম ।
দুজন এমনভাবে কথা বলতাম যে অনেকেই মনে করত আমরা বোধহয় প্রেমিক প্রেমিকা ।
আমি মাঝে মাঝে ফোন দিলে রাহাতের বাবা ফোন রিসিভ করত । উনি খুব বিরক্ত হতেন । উনি ভাবতেন আমার মুল উদ্দেশ্য হল রাহাতের ছোটো বোনের সাথে প্রেম করা ।
পরে অবশ্য তার সেই ভুল ভেঙ্গে যায় ।
এভাবে টানা দেড় মাস কথা বলি । এর মাঝে আমাদের আর দেখা হয় নি ।
এদিকে দেখতে দেখতে রোজার ঈদ চলে আসল । রাহাত বলল, তুমি এবার আমাদের বাসায় বেড়াতে আস ।
আমি বললাম, ঠিক আছে ।
ঈদের দিন আমি ওদের বাসায় গেলাম ।
ওর বাবা মা সবার সাথে অনেক গল্প করলাম ।
ওর বাবার ভুল ধারনা ভাঙল ।
রাহাত আমায় দেখে অনেক খুশি । ও আমাকে বলে, হিমেল এবারের ঈদটা আমার জন্য অনেক আনন্দের ।
আমিও ওকে থ্যাংকস জানাই ।
তারপর যখন ওদের বাসা থেকে বের হব তখন সে আমায় জড়িয়ে ধরল ।
কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার গালে চুমু দিল ।
আমি একটু অবাকই হলাম ।
সেদিনের মত চলে আসলাম।
এরপর থেকে তার সাথে কথা বলার পরিমাণটা আরও বেড়ে গেল ।
মাঝে দুইদিন ওর সাথে দেখা করি রেস্টুরেন্ট এ ।
আমার টাকা খরচ করার অনেক স্বভাব ছিল ।
ও বলে, দেখ হিমেল । এতো টাকা খরচ করা ঠিক না ।
আমি হাসি ওর কথা শুনে ।
আমাদের বন্ধুত্ব দিন দিন আরও বেড়েই যাচ্ছিল ।
আমাদের দুজনেরই পরিচিত একজন ট্যাক্সি ড্রাইভার ছিল ।
উনার মাধ্যমে ও আর আমি বিভিন্ন গিফট আদান প্রদান করতাম ।
ও কখনও কখনও আমার জন্য খাবার পাঠাত । আমি খেতে অনেক ভালবাসতাম । তাই ।
এর কিছুদিন পর ও আমাকে ফোন করে বলল, হিমেল আমাদের পাশের বাসার রাজিব ভাইয়ারা বাংলাদেশে যাবেন কিছুদিনের জন্য । উনাদের বাসার চাবি আমাদের বাসায় দিয়ে গেছেন । তুমি চাইলে আমরা একসাথে রাতে থাকব আর সারারাত আড্ডা দিব ।
আমি ওর কথায় রাজি হলাম ।
আমি কোনদিন বাড়ির বাইরে থাকিনি । তাই ফ্যামিলি কে অনেক কষ্ট করে রাজি করালাম ।
আমি আমার নতুন কেনা সিলভার রঙের গাড়িটা ড্রাইভ করে ওই বাসায় গেলাম ।
ওটা ছিল সেই বাসা যে বাসায় আমাদের দেখা হয় পার্টিতে ।
ও আমাকে দেখে অনেক খুশি । ও আমাদের জন্য খাবার নিয়ে আসছিল ।
আমরা দুজন রুমে ঢুকে অনেক কথা বলছি । টি ভি দেখছি ।
এভাবে রাতের ডিনারের সময় হয়ে গেল ।
ও রাতের খাবারগুলো টেবিলে সাজিয়ে আমাকে খেতে ডাকল ।
আমরা দুজনেই খেতে বসলাম ।
ও বলল, হিমেল আমি তোমাকে খাইয়ে দিই ।
আমার চোখে জল চলে আসল । এই কথা শুনে ।
ও এগিয়ে এসে আমার মুখে খাবার তুলে দিল ।
আমিও ওর মুখে খাবার তুলে দিলাম ।
দুজনেই খাওয়া শেষ করে শুতে যাব । ঠিক করলাম আমরা আজ লিভিং রুমে থাকব ।
বেডরুমের সব বিছানা পত্র নিয়ে আমরা লিভিং রুমে আসলাম ।
কম্বল দিয়ে জড়িয়ে শুয়ে আমরা একজন আরেকজনের সাথে কথাবলছি ।
ও আমাকে ওপাশ থেকে জড়িয়ে ধরল । আমার ভালো লাগছিলো ।
ও বলল, হিমেল তোমাকে চুমু দিই ।
আমি হাসলাম ।
ও আমার দুই ঠোঁটে চুমু দিল । অনেকক্ষণ । আমিও ওর চুমুতে সাড়া দিচ্ছিলাম ।
চুমু খেতে এতো ভালো লাগে ! রাহাতকে চুমু না খেলে আমি বোধহয় এটা জানতামই না ।
ওর চুমু খাওয়ার ধরন দেখে বুঝা যাচ্ছিল ও আগে কারো সাথে সেক্স করেছে বা চুমু খেয়েছে ।
কিন্তু আমি ওকে কিছুই বললাম না ।
ও আমকে জড়িয়ে ধরল । আমিও বাধা দিলাম না ।
ও আমাকে বলল, হিমেল তোমার ওখানটাতে ধরি ?
আমি বললাম , না ।
ও বলল, একটু ধরি ।
ওর জোরাজোরিতে আমি বললাম, ওকে ধর । কিন্তু কম্বলের উপর দিয়ে ।
ও কম্বলের উপর দিয়েই আমার ওটা ধরল ।
আমার পেনিস ফুলে উঠলো ।
কিন্তু আমি আর বেশিদূর এগুতে দিলাম না ।
ওর হাত সরিয়ে দিলাম ।
ও আবার আমাকে জড়িয়ে ধরল আর চুমুখেতে লাগলো ।
সেই রাতে দুজন অনেক জড়াজড়ি করেছি । সারারাত । সকালে দুজন ঘুমালাম ।
পরদিন চলে আসলাম ।
বাসায় আসার পর বুঝতে পারছিলাম আমার পেনিসের উপরের অংশে হালকা ব্যথা হচ্ছে । কাল রাতে হট হওয়ার পর স্পারম আউট করিনি তাই এমন হইসে ।

এরপর আবার সেই আগের মত কথা চলতে লাগলো । একদিন রাহাতকে আমাদের বাসায় দাওয়াত করলাম ।
ও আমাদের পরিবারের সবার জন্য গিফট নিয়ে আমাদের বাসায় আসল
আমার পরিবারের সবাই ওর খুব আপন হয়ে গেল ।
ধীরে ধীরে আমাদের মাঝে দূরত্ব আরও কমে যেতে লাগলো ।
আমিও ওদের বাসায় নিয়মিত যাই ।
ও আসে ।
একদিন রাতে আমাদের বাসায় থাকার সময় ও আবার পাগলামি শুরু করে ।
আমার ঠোঁট, গলা আর বুকে তার ঠোঁটের আদর দিতে থাকে ।
আমি মাতাল হয়ে গেলাম ।
ও আমার নাভিতে চুমু দিল ।
আমি ওকে বললাম, রাহাত । প্লিজ আর না ।
ও আমার কথা না শুনে আমার প্যান্ট খুলেই আমার পেনিস ওর মুখে নিয়ে নিল ।
আমি অবাক হয়ে ওর কাজ কারবার দেখছিলাম ।
ও আমার পেনিসের মাথার কাছে জিব দিয়ে আদর দিতে লাগলো ।
শিহরণে আমার পেনিস আরও শক্ত হয়ে গেল ।
আমিও সব ভুলে ওর মুখে সমানে চাপ দিতে লাগলাম ।
ও এবার উঠে বসে তার প্যান্ট খুলে আমার পেনিস তার এসহলে নিয়ে বসে পরল ।
আমার আরও বেশী আরাম লাগছিলো ।
জীবনের প্রথম কারো ভেতর আমার পুরুসাঙ্গ প্রবেশ করল ।
ও তখন নেশায় মাতাল ।
জোরে জোরে বসছে আর উঠছে ।
ওর দুলুনির সাথে সাথে আমার পেটের সাথে ওর সেমি হার্ড পুরুষাঙ্গটা ধাক্কা খাচ্ছে
হথাত আমি ওকে বিছানায় ফেলে দিয়ে ওর পা দুইটা কাঁধে নিলাম আর জোরে জোরে থাপ দিতে লাগলাম
ও বলল, প্লিজ আরও আদর দাও । আজ আমাদের ফুলসজ্জার রাত ।
আমি বললাম, তোমার সব আমার ।
ওর ডান পায়ের বুড়ো আঙ্গুল আমার মুখে নিয়ে চুষতে লাগলাম আর কোমর ঠেলতে লাগলাম ।
ও উত্তেজনায় কাঁপছে আর ওর নিজের পেনিস হাত দিয়ে উপর নিচ করছে ।
একটু পরই ওর বীর্য বের হয়ে ওর বুকে ছিতকে পরল
আমি এবার জোরে জোরে কয়েকবার চাপ দিয়ে আমার পেনিস বের করে ওর বুকে পেটে বীর্য ঢেলে দিলাম।
আমি ওর উপর শুয়ে পরলাম ।
ও আমার পিঠে হাত বুলিয়ে বলল, সোনা ! তুমি আমায় অনেক ভালবাস ।
আমি ওর কানের কাছে ফিস ফিস করে বললাম, অনেক ।
ও আমার মাথার চুলে হাত বুলিয়ে বলে, এভাবে সারা জীবন থাকবে ?
আমি বললাম, হুম ।

একটু পর দুজন উঠে বাথরুমে গেলাম ।
দুজন একসাথে সাওয়ারের নিচে দাড়াই । একজন আরেকজনের শরীরে সাবানের ফেলা তুলে দিই ।
হাত বুলিয়ে আদর করি ।
গা মুছিয়ে দিই ।
সেদিন সারা রাত একফোঁটা ঘুমাই নি দুজন । খুনসুটি আর আদরে আদরে কখন যে ভোর হল । টের পাই নি ।
ও আমাকে এতটাই ভালবাসত যে আমার কি লাগবে না লাগবে ও সব বুঝত ।
আমাকে সব কিনে দিতো । ও নিজের বুক হাতে আমার নাম লিখেছিল ।

সব ভালই চলছিল ।
শুনেছি বেশি সুখ নাকি কপালে সয় না ।
আমার বেলাতেও তাই হল ।
একসময় বুঝতে পারলাম ও কেমন বদলে যাচ্ছে । আগের মত নেই ।
আমি গোপনে গোপনে ওর খবর নিতে লাগলাম ।
যা জানলাম । তাতে আমার বুক ফেটে গেল ।
ও ৪৫ বছর বয়সের একজনের সাথে প্রেম করে । উনি বাংলাদেশ সরকারের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন । উনাকে আমিও চিনতাম ।
আমি উনি আর রাহাতের ব্যপারে আরও শিওর হতে চাইলাম ।
গোপনে রাহাতের কারের ভেতর একটা ভয়েস রেকর্ডার ফিট করলাম ।
পরদিন ভয়েস রেকর্ডারে যা শুনলাম তাতে মনে হল রাহাত আর ওই ৪৫ বয়স্ক ভদ্রলোক দুজন একজন আরেকজন কে ভালবাসে ।
আমি সাথে সাথে ওকে ফোন দিলাম ।
বললাম, তুমি কি অন্য কাওকে ভালবাস ?
ও বলল, না ।
আমি বললাম, সত্যি করে বল । আমার কাছে প্রমান আছে ।
ও স্বীকার করল না ।
আমি রাগ করে ফোন কেটে দিলাম ।
সাথে সাথে হাতে যা টাকা পয়সা ছিল তা নিয়ে বেড়িয়ে পরলাম । সাথে নিলাম পাসপোর্ট ।
এয়ারপোর্ট পৌঁছে জানতে পারলাম ১ ঘণ্টা পর একটা এয়ারবাস আছে । যা বাংলাদেশে যাবে । আমি একটা টিকেট পেলাম ভাগ্যক্রমে ।
বিমানে যতক্ষণ ছিলাম আমি শুধুই কেদেছি ।
ঢাকার মাটিতে যখন পা রাখলাম তখন আমার পেটে অনেক ক্ষুধা ।
এয়ারপোর্ট থেকে সোজা বাস স্ট্যান্ড এসে আমাদের গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার টিকেট কিনলাম । পকেটে দেখি আর মাত্র ২০০ টাকা আছে ।
আমি বাসে উঠে গ্রামের বাড়িতে আসলাম । এসে দেখি আমার গ্রামের বাড়ির সবাই আমার জন্য অপেক্ষা করছে ।
কারণ আমার বিদেশের পরিবার ততক্ষণে জেনে গেছে আমি বাংলাদেশে চলে এসেছে । আমি বাড়ি না ফেরায় ওদের মনে সন্দেহ হয় । যার কারণে ওরা পুলিসের সাথে যোগাযোগ করে ।
পুলিস আমার পাসপোর্ট নম্বর থেকে জানতে পারে যে আমি অখান থেকে বাংলাদেশে আসছি । তাই ওরা বাংলাদেশে থাকা সবার সাথে যোগাযোগ করেছে ।

যাই হোক । গ্রামের বাড়িতে এসে আমি খাওয়া দাওয়া করি ।
ওদিকে আমার ফ্যামিলি আমাকে বুঝায় ফিরে আসার জন্য ।
আমি তাই বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই ।
বাংলাদেশ থেকে যাবার পর আমার পরিবারের সবাই আমাকে অনেক বুঝায় । জানতে চায় আমার কি হয়েছিল ।
আমি কিছু বলি না। চুপ করে থাকি ।
আমি পরে জানতে পারি ওরা রাহাত কেও অনেক বার জিজ্ঞেস করেছে ।
কিন্তু রাহাত কিছু বলে নি ওদের কে ।
এভাবে টানা সাত দিন গেল ।
সাত দিন আমি ওর সাথে একটা কথাও বলিনি ।
আমার কাছে তখন আমার পৃথিবীটা অনেক ফাঁকা ফাঁকা লাগত ।
মনে হতো ওকে ছাড়া আমার কিছুই নেই । আমি নিঃস্ব ।
এরপর একদিন ও আমার কাছে আসে । আমার হাতে পায়ে ধরে ক্ষমা চায় ।
আমি ওকে দেখে কান্নায় ভেঙ্গে পরি । ও কাঁদে ।
আমি বুঝলাম আমি ওকে ছাড়া থাকতে পারব না । ও আমার জীবন ।

সব ভালই যাচ্ছিল । ২০০১ সালের দিকে আবার বুঝলাম ও আবারও অন্য কাওকে চায় ।
আমি তাই ওর সাথে বসে আলোচনা করলাম ।
এবার দুজনের সম্মতিতেই ব্রেক আপ হল ।
আমি ক্রমশ ওর কাছ থেকে দূরে যেতে থাকলাম ।
আমি এরপর ওই দেশ ছেড়ে চলে আসি ।
নতুন দেশ । নতুন মানুষ ।
এখানকার মানুষরা খুব ব্যস্ত । ওদের ভালোবাসার সময় নেই ।
আমি অনেকের সাথেই শরীরের প্রয়োজনে শরীর মিলিয়েছি ।
কিন্তু মনের শান্তি পাই নি ।
এখনও চোখ বুজলে ওকে দেখি ।
কত দিন কত রাত সাগরের পারে দুজন থেকেছি তার হিসেব ছিল না।
ও এখন একজন কে নিয়ে আছে ।
ও সুখে থাকুক ।
আসলে প্রথম ভালোবাসার দাগ বোধহয় সবসময়ই মনের আঙ্গিনায় থেকে যায় ।
**************************************

আমি ফোনের এপার থেকে বুঝি হিমেল ভাইয়ের গলা ধরে এসেছে । উনি কাঁদছেন ।
আমি বললাম, সরি ভাইয়া ।
হিমেল ভাই আমাকে বলেন, অনেকদিন পর ওর কথা খুব বেশি মনে পড়ল । আপনিই প্রথম কেও যার কাছে প্রান খুলে সব বললাম ।
আমি শুনতে পেলাম একটা দীর্ঘশ্বাস উনার বুক থেকে বাতাসে মিলিয়ে গেল ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s