সামি এখনও আমাকে আগের মত মিস করে

আমি দেশের বাইরে আছি অনেকদিন ধরেই ।
আজ যে ঘটনাটা বলব সেটা আমার কয়েক বছর আগের । আমি যেখানে থাকতাম সেখানকার বাংলাদেশীদের বেশিরভাগ মানুষই আমায় চিনত ।
কারণ আমি এমনিতেই খুব পরোপকারী । আর বাংলাদেশের কেউ আসলে কথাই নেই । প্রাণপণ ঝাঁপিয়ে পরি সাহায্য করার জন্য ।
যাই হোক । একদিন আমি যেখানে কাজ করি সেখানে বসে আছি ।
তখন আমার পরিচিত একজন বন্ধু আসল । আমার কাছে ।
তার সাথে ১৯-২০ বছরের একটা ছেলে ।
আমাকে ওই ছেলেটার সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে আমার পরিচিত বন্ধু বলল, ভাই । ও সামি ।
কয়েকদিন হল বাংলাদেশ থেকে এসেছে । কোন কাজ পাচ্ছে না । আপনার অনেক চেনাজানা আছে এখানে । যদি একটু সাহায্য করতেন ! ওর অনেক উপকার হতো ।
আমি সামির দিকে তাকালাম । খুব মিষ্টি চেহারার ছেলে । লম্বায় ৬ ফুটের উপর ।
স্মার্ট ছেলে ।
আমি বললাম, সামি । আমি চেষ্টা করব তোমার জবের ব্যপারে সাহায্য করতে ।

সেদিনের মত সামি চলে গেল । আমি সামির ফোন নম্বর আর থাকার ঠিকানা নিয়ে নিলাম ।
কিন্তু এর পর থেকেই সামির কথা রাত দিন মনে হতে থাকল আমার ।
সবে মাত্র কয়েকদিন হল আমার বয় ফ্রেন্ড এর সাথে আমার ব্রেক আপ হল ।
তাই খুব একা একা লাগে ।
রাতে ঘুমাতে গেলেও সামির মুখটা ভেসে উঠত ।
২-৩ দিন পর ঠিক করলাম সামির সাথে দেখা করতে ওর ওখানে যাব ।
একদিন রাত ১০ টার দিকে ও যেখানে থাকে সেখানে গেলাম ।
সামি আমি যেখানে থাকতাম সেখান থেকে ১৫-২০ মাইল দূরে থাকত ।
যাই হোক । আমি সেখানে গিয়ে সামি কে ফোন দিয়ে বললাম, সামি । আমিতো এখন তোমার এলাকায় একটা কাজে আসছি । তুমি কি একটু দেখা করতে পারবে ?
সামি বলল, ভাইয়া দাঁড়ান । আমি আসছি ।
একটু পর সামি আসল ।
সামিকে আমি বললাম, সামি । তুমি আমার এলাকার কাছাকাছি থাকলে তোমার জব তাড়াতাড়ি জোগাড় করে দিতে পারতাম ।
সামি আমার দিকে অসহায় এর মত তাকিয়ে বলল, ভাইয়া । আমার তো থাকার জায়গা নাই । এখানেই আরেকজনের কাছে থাকি ।
আমি সামি কে বললাম, তুমি চাইলে আমাদের সাথে ফ্ল্যাট এ থাকতে পার ।
আমার এই কথা শুনে সামি খুব খুশি হল । সে এক বাক্যে লাগেজ নিয়ে আমার সাথে গাড়িতে করে আমাদের ফ্ল্যাট এ আসল ।
আমাদের পরিবারের সবার সাথে সামির পরিচয় করিয়ে দিলাম ।
আমার ফ্যামিলি জানত আমি মানুষের জন্য উপকার করি । তাই আর কিছু বলল না ।
সামির থাকার ব্যবস্থা হল আমার সাথে , আমার রুমে ।

কয়েকদিনের মাঝে সামি আমাদের পরিবারের সাথে খুব মিশে গেল ।
ও আমার সাথে মাঝে মাঝে আমার কাজের জায়গাতে যেত ।
আমরা বসে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলতাম ।
বাংলাদেশের গল্প করতাম । প্রতিদিন রাতে ওকে নিয়ে বাইরে খাওয়াটা আমার একটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছিল ।
রাতের খাওয়া শেষে আমরা দুজন একসাথে বিচে যেতাম ।
সেখানে রাতের আঁধারে সাগর দেখতাম । কখনও কখনও গান গাইতাম ।

আমি বুঝতে পারছিলাম দিনের পর দিন আমি সামির প্রতি দুর্বল হয়ে যাচ্ছি ।
সামিও আমার সাথে এখন অনেকটা ইজি হয়ে যাচ্ছে ।
এর মাঝে এক সপ্তাহের মাঝে সামির একটা জবের ব্যবস্থা হয়ে গেল ।
কাজ শেষে সামি আমার কাজের জায়গায় চলে আসে ।
দুজনে মিলে আড্ডা দিই ।
মাস খানেক এভাবেই গেল ।
ওর প্রতি আমার টান দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে ।
ওর কিসে ভালো হবে । কিসে মন্দ হবে এসব নিয়ে ভাবতাম আমি ।
ওকে এটা ওটা কিনে দিতাম ।
সামি আমাকে প্রচণ্ড শ্রদ্ধা করত ।
তাই কিভাবে তাকে আমার মনের কথা জানাব বুঝতে পারছিলাম না ।
একটা ভয় কাজ করত মনের মধ্যে ।
ও যদি আমাকে ফিরিয়ে দেয় ।
যাই হোক ।
এক রাতে দুজন একসাথে শুয়েছি ।
আমরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলছি ।
এক পর্যায়ে আমি সামিকে জড়িয়ে ধরি ।
ওকে গালে একটা চুমুও খেলাম দুষ্টুমি করে ।
খেয়াল করলাম সেও আমার গালে কিস করল ।
এতে আমার সাহস একটু বেড়ে গেল ।
কিন্তু সেদিন এর বেশি আর কিছু করলাম না ।
এরপর আরেকদিন রাতের ঘটনা ।
আমি দুষ্টুমি করে ওর গায়ে হাত বুলাই ।
ও প্রথমে বাধা দেয় ।
পরে ইজি হয় ।
আমি এবার সামির ঠোঁটে কিস করি ।
সামি চুপ করে থাকে।
একটু পর সেও কিস করা শুরু করে ।
আমি সামির কানে গলায় আমার ঠোঁট বুলিয়ে আদর দিই ।
সামিও আদর পেয়ে আমায় জোরে জড়িয়ে ধরে ।
আমি সামির বুকে মুখ নামাই । চুমু দিই ।
সামি আমার মাথার চুল খামচে ধরে ।
আমি বুঝতে পারি ও উত্তেজিত হচ্ছে ।
আমি আমার একটা হাত ওর প্যান্ট এর উপর রাখি ।
সামি সাথে সাথে আমার পায়জামার উপর দিয়ে আমার পেনিসে হাত রাখে ।
এবার আমি আর দেরি করি না ।
দুজন দুজনে প্যান্ট খুলে জড়াজড়ি শুরু করি ।
সামি এবার চরম হট হয়ে গেল ।
আমি বুঝলাম যা করার এখনি করতে হবে ।
সামিকে উপুড় করে শুইয়ে দিলাম ।
সামি একটু দোনা মোনা করছিল ।
পরে হয়ত আমার প্রতি কৃতজ্ঞতা থেকে সেক্স করতে রাজি হল ।
আমি সামির ভেতর আমার পুরুসাঙ্গ প্রবেশ করাতেই ও ব্যথায় বালিশ কামড়ে ধরল ।
আমি একটু থেমে ওকে আবার আদর দিই ।
একটু পর স্টার্ট করলাম ।
খেয়াল করলাম ফাক করা শুরু করতেই সামির স্পারম বেড়িয়ে গেছে ।
আমি আস্তে আস্তে ওকে পুশ করতে লাগলাম । যেন সে ব্যথা না পায় ।
এভাবে কিছুক্ষন পর আমি শান্ত হলাম ।
যাই হোক ।
টানা ৩-৪ দিন ওর সাথে সেক্স হল আমার ।
এটা একটা রুটিনে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল ।

কিন্তু ৩-৪ দিন পর থেকে সামি অন্যরকম আচরন করতে লাগলো ।
ও এনাল করা শুরু করতে গেলেই আমাকে সরিয়ে দিত ।
আমি কিছু বলতে পারতাম না ।
নিজেকে খুব অপরাধি লাগত ।
মনে হতো আমি কি সামিকে জোর করছি ?

এদিকে সামি পরদিন বিকেলে তার কাজ সেরে আমার কাজের জায়গায় যায় ।
আমার কাছে ক্ষমা চায় রাতের ঘটনার জন্য ।
এরপর টানা ৪-৫ দিন কোন সেক্স হয়নি আমাদের মাঝে ।
আমি এরপর ওর সাথে খোলাখুলি কথা বললাম ।
বললাম, সামি । আমি কি তোমার উপর জোর করছি ?
সামি বলল, না ভাইয়া । আমার মাঝখানে এসব ভালো লাগে নি । তাই করিনি ।
এরপর থেকে সামি নিজ থেকেই এনাল করতে দিত ।
একটা সময় সে এনাল করাটা খুব এঞ্জয় করত ।
৬-৭ মাস আমরা একসাথে ছিলাম ।
সামিকে মনের অজান্তেই খুব আপন করে ফেলেছিলাম আমি ।
এরপরে আমি ওই দেশ থেকে এখন যেখানে আছি সেখানে চলে আসি ।
আসার সময় সামি আমার হাত ধরে অনেক কান্না কাটি করে ।
আমাকে বলে, ভাইয়া । আমি আপনাকে কখনও ভুলব না ।
সামির সাথে আমার এখনও ফোনে যোগাযোগ আছে ।
কিছুদিন আগে ও বিয়ে করেছে ।
কিন্তু সামি এখনও আমাকে আগের মত মিস করে । ওর কথায় আমি সেটা বুঝতে পারি ।
আসলে মানুষের জীবন খুব অদ্ভুত !

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s