বিদেশে গে সেক্স

ছেলেদের প্রতি কোন আগ্রহ আমার কোন কালেই ছিল না । কিন্তু কেমন করে এই সমকামী জগতে আমার প্রবেশ হল সেটা আমি নিজেও বুঝতে পারি নি ।
আজ আমার প্রথম গে সেক্স এর ঘটনা শেয়ার করব ।

২ বছর আগের কথা । আমি সৌদিতে বেড়াতে যাই । আমার বাবা ওখানে থাকেন ।
যাই হোক ।
ওখানে যাবার পর ভীষণ একা একা লাগত । বাবা সারাক্ষণই ব্যস্ত তার জব নিয়ে । তাই আমাকে শহরটা ঘুরিয়ে দেখানোর সময়টাও পেত না ।
খুব মন খারাপ লাগত ।
বাবা বোধহয় সেটা বুঝতে পেরেছিলেন ।
একদিন বাবার কাছে ৩ জন লোক আসে । দেখা করতে ।
কথা প্রসঙ্গে বাবা তাদের সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দেন ।
এরপর থেকে মাঝেই মাঝেই তাদের সাথে আমার কথা বার্তা হত ।
কারণ প্রায়ই তারা বাবার কাছে আসতেন ব্যবসায়িক কাজে ।

তারই মাঝে একদিন আমি খুব কান্না কাটি শুরু করে দিই ঘুরতে যাবার জন্য ।
সেদিন ওই ৩ জনের মাঝে ২ জন আমাদের বাসায় এসেছিল বাবার সাথে দেখা করতে ।
বাবা আমার কান্না কাটিতে বিরক্ত হয়ে ওদেরকে বলল, রকিকে একটু ঘুরিয়ে নিয়ে আসতে পারবে ?
ওদের মাঝে একজন বলল, ঠিক আছে । আমি ওকে ঘুরিয়ে নিয়ে আসব ।
যাই হোক ।
আমি তখন খুশিতে নাচানাচি শুরু করলাম ।
তাড়াতাড়ি রেডি হলাম ।
বের হবার সময় বাবা আমার হাতে ৫০০ রিয়াল দিয়ে বলল খরচ করতে ।
আমি বাসা থেকে বের হলাম ।

যার সাথে বের হলাম তার নাম ছিল সেলিম ।
রাস্তায় বের হয়ে সেলিম ভাই একটা ট্যাক্সি নিল ।
একটা মার্কেটে গেলাম।
আমি ঘুরে ঘুরে সব দেখছি আর টুকটাক কেনাকাটা করছি ।
একটু পর সেলিম ভাই আমাকে বলল, রকি । আমাকে একটু দরকারে আমার বাসায় যেতে হচ্ছে । চল ।
আমার মন একটু খারাপ হয়ে গেল !
যাও একটু বের হলাম ঘুরতে । এখনই যেতে হবে ?
আমি কিছু বললাম না ।
সেলিম ভাই যেখানটাতে থাকত সেই জায়গাটা মার্কেটের বেশ কাছেই ছিল । সেলিম ভাই রুমে ঢুকে কিছু টাকা নিল ।
সেলিম ভাই বলল, আমার কাছে এক বন্ধু টাকা পাবে । সেটা দেয়ার জন্যই রুমে আসতে হল ।
আমি বললাম, ঠিক আছে । কোন সমস্যা নাই ।
এর মাঝে আমি আর সেলিম ভাই ট্যাক্সির জন্য দাঁড়ালাম ।
আমি এমনিতেই খুব চঞ্চল । রাস্তায় বেরুলেই খালি লাফ ঝাপ করি ।
সেদিনও তাই করছিলাম ।
আচমকা রাস্তার মাঝে যে আইল্যান্ড থাকে সেখানে লাফাতে গিয়ে পড়ে যাই ।
সাথে সাথে অনেক ব্যথা পাই ।
সেলিম ভাই দৌড়ে আসে আমার কাছে ।
আমি ব্যথায় হাঁটতে পারছিলাম না । শুধু কান্না করছিলাম ।
সেলিম ভাই টেনশনে পড়ে গেলেন আমাকে নিয়ে ।
কি করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না ।
এই ভাবে রাস্তায় কান্না কাটি করলে ঝামেলা হতে পারে । তাই তিনি আমাকে নিয়ে আবার তার বাসায় গেলেন ।
সেলিম ভাই আমাকে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে দিলেন ।
সেলিম ভাই এর রুমে তখন একজন রুমমেট আসল ।
সে আমাকে কাঁদতে দেখে সেলিম ভাইকে বলল, ওকে আইস লাগিয়ে দাও ।
এই বলে উনার রুমমেট চলে গেল ।

সেলিম ভাই ওই ভাইয়ার কথামত আইস এনে আমার হাঁটুতে লাগিয়ে দিল ।
সেলিম ভাই আমার প্যান্ট উপরের দিকে টেনে তুলছিল । পারছিল না ।
আমি ব্যথায় আহ করে উঠলাম ।
সেলিম ভাই আমাকে বলে, রকি তোমার প্যান্টটা খুললে ভালো হয় ।
আমাকে একটা লুঙ্গি দিল সেলিম ভাই।
আমি ভাবলাম আমার যেহেতু শর্টস পরা সেহেতু প্যান্ট খুললেও কোন সমস্যা নেই।
তাই আমি বললাম, ভাইয়া লুঙ্গি লাগবে না ।
সেলিম ভাই বলল, ঠিক আছে ।
এর মাঝে সেলিম ভাই সেভলন আর আইস নিয়ে আসল ।
আমি ব্যথায় প্যান্ট খুলতে পারলাম না ।
সেলিম ভাই বলল, ঠিক আছে । তুমি শুয়ে থাক । আমি প্যান্ট খুলে দিই ।
যাই হোক ।
সেলিম ভাই একটান দিয়ে প্যান্ট হাঁটুর নিচ পর্যন্ত নামানোর পর দেখেন আমি শর্টস পরি নাই ।
আমিও অবাক । কারণ ঐদিন বেশি তাড়াহুড়া আর উত্তেজনার কারণে আমি শর্টস পরতে ভুলে গিয়েছিলাম ।
লজ্জায় আমি কিছু বলতেও পারছি না । আবার উঠছিও না । দুই হাত দিয়ে কোন রকমে পুরুষাঙ্গ ঢেকে রাখলাম ।
সেলিম ভাই আমার রানে আর হাঁটুতে আইস চেপে ধরেন ।
একটু পড়ে সেভলন লাগিয়ে দেন ।
আমার ওদিকে পুরুষাঙ্গ শক্ত হয়ে যাচ্ছে । টের পাচ্ছিলাম ।
কারণ সেলিম ভাই আমার রানে হাত বুলিয়ে মলম লাগাচ্ছিলেন ।
বুঝতে পারছিলাম সেলিম ভাইও লজ্জা পাচ্ছেন ।
আমার পুরুষাঙ্গ আমার দু হাত গলে তার মাথা উঁকি দিয়ে সগর্বে জানান দিতে লাগল ।

সেলিম ভাই এবার মুখ খুললেন । বললেন, রকি । তুমি অনেক দুষ্ট ! ব্যথা পাচ্ছ । আবার দুষ্টামিও করছ ।
আমি লজ্জা পেয়ে চুপ হয়ে গেলাম ।
সেলিম ভাই মনে করল আমি বোধহয় রাগ করেছি ।
তাই উনি আমাকে হাসতে হাসতে হালকা কাতুকুতু দিলেন ।
আমি হেসে দিলাম ।
উনি আমাকে হাসানোর জন্য আরও কাতুকুতু দিতে লাগল ।
বিছানায় রাখা একটা চাদর এনে আমার উপর দিলেন ।
দুজনেই তখন একজন আরেকজনকে কাতুকুতু দিচ্ছি ।
একটা সময় খেয়াল করলাম দুষ্টুমি করতে করতে দুজনই চাদরের নিচে ।
সেলিম ভাই আচমকা আমার পেনিস মুঠো করে ধরল ।
আমি অবাক হয়ে গেলাম ।
সেলিম ভাই আমার হাতটা তার জিপারের উপর নিয়ে রাখল ।
দেখলাম তার পেনিস ও পুরা হট !
একটা সময় আমিও তার জিপার খুলে পেনিস বের করে নাড়ানাড়ি শুরু করলাম ।
দুজন দুজনের পেনিস মুঠ করে নাড়ানাড়ি করেই চলেছি ।
সেলিম ভাই আমায় জড়িয়ে ধরতে চায় ।
আমিও সায় দিই ।
এগিয়ে যাই ভাইয়ার দিকে ।
এভাবে কিছুক্ষন জড়াজড়ি করি দুজনে ।
আমার ভালো লাগছিল ।
জীবনে প্রথম কারো সাথে জড়াজড়ি ।
ওই বয়সে জড়াজড়ি করতে দারুন লাগে ।
কেননা আমার বয়স তখন সবে ১৮ শুরু ।
সেলিম ভাই এর বয়স তখন বোধহয় ২৫-২৬ হবে ।
একটা সময় সেলিম ভাই আমাকে উপুড় করে শুইয়ে দিয়ে জড়াজড়ি শুরু করলেন ।
সেলিম ভাই বলল, তোমার কি খারাপ লাগছে ?
আমি বললাম, না ।
সেলিম ভাই তার পেনিস আমার পেছন দিকে ঢুকানোর ট্রাই করলেন ।
আমি বললাম, কি করছেন ? ভাইয়া ! আমিতো ব্যথায় শেষ হয়ে যাব !
সেলিম ভাই বলল, বেশি ব্যথা পেলে দিব না ।
আমি রাজি হলাম ।

সেলিম ভাই নিচু হয়ে আমার পেনিস তার মুখে নিয়ে আদর করতে লাগলেন ।
আমার খুব ভালো লাগছিল ।
মনে হচ্ছিল সারা জীবন কেউ যদি এমন করে চুসে দিত !
সেলিম ভাই আমাকে বলল তার পেনিস চুসে দিতে ।
আমি বললাম, পারব না ।
সেলিম ভাই বলল, আমি যে তোমারটা চুসে দিচ্ছি ?
আমি রাজি হলাম ।
উনার পেনিস মুখে নিতেই কেমন একটা খারাপ লাগা শুরু হল ।
কোন মজাই পাচ্ছিলাম না । কোন রকমে চুষলাম ।
সেলিম ভাইয়া তার পেনিস আর আমার পেছন দিকে পিচ্ছিল কি একটা লাগালেন । বোধহয় কোন লোশন হবে । তারপর আসতে করে আমার পেছনে তার ওটা ঢুকানোর চেষ্টা করলেন । ভাগ্যিস উনারটা বেশি বড় ছিল না । তাই বেশি কষ্ট হল না । হালকা হালকা ধাক্কা দিতে শুরু করলেন ।
আমার কেমন জানি লাগছিল ।
আমিও আমার পেনিস মুঠো করে ধরে আদর করতে লাগলাম ।
সেলিম ভাই এবার খাট থেকে নেমে যান ।
আমার দুই পা কাঁধে নিয়ে আবার তার পেনিস আমার পেছনে ঢুকিয়ে দিলেন ।
আমার কোমর ধরে ঝাঁকাতে লাগলেন । আর এক হাতে আমার পেনিস ধরে খেঁচতে লাগলেন ।
বেশ কিছুক্ষণ পর উনার বের হয়ে যায় ।
কিন্তু আমার তখনও কিছু হয় নি ।
তাই আমি বললাম আমি এবার আপনাকে করব ।
সেলিম ভাই বলল, না সেটা হয় না ।
আমি বললাম, কেন ? আপনি তো আমাকে করেছেন । তাহলে আমি কেন করতে পারব না ?
সেলিম ভাই আমার দিকে ভয়ে ভয়ে তাকায় । বলে, তোমারটা বড় আর মোটা । আমি কখনো নিই নি । ব্যথা পাব ।
আমি বললাম, আমিওত নিই নি । আজ নিলাম তাই না ?
সেলিম ভাই তার পরেও রাজি হয় না ।
আমি এবার বললাম, ভাইয়া । আপনি যদি আপনাকে করতে না দেন তাহলে আমি বাবাকে বলে দিব সব ।
সেলিম ভাই খুব ভয় পেয়ে গেলেন ।
অবশেষে উনি ডগি স্টাইলে বসে তার পাছা আমার দিকে বাড়িয়ে দিলেন ।
আমি মনে মনে খুশি ।
কারণ আমি এইসব কথা বাবাকে কখনই বলতাম না । কারণ এসব কথা কি বলা যায় ?
সেলিম ভাই এর পাছায় বেশ করে থুথু দিয়ে আমার পেনিসেও থুথু দিলাম ।
তারপর দিলাম একটা ধাক্কা ।
সেলিম ভাই জোরে ও মাগো বলে চিৎকার দিলেন ।
আমি তখন থামি না ।
কারণ একটু আগে উনি আমাকে মনের সুখে করেছেন । আমাকে সে একটু আগে যেভাবে করেছে তারই প্রতিশোধ তুলা শুরু করলাম ।
তবে আমার মোটা পেনিসের ধাক্কা খেয়ে উনার অবস্থা শেষ । সেটা বুঝতে পারছিলাম ।
আমি থামি না ।
জোরে ধাক্কা দিই । শব্দ হয় পুরো ঘর জুড়ে ।
একটা সময় আমারও শরীর শিরশির করে উঠে ।
বুঝলাম এবার আমারও বেরুবে ।
শেষবারের মত জোরে রাম ঠেলা দিলাম ।
সেলিম ভাই বালিসে মুখ খামচে ধরেন ।
আমার শরীর ক্লান্ত হয়ে যায় ।
এরপর সেলিম ভাই ব্যথায় নড়তে পারছিল না ।
তারপরেও কোন রকমে হেঁটে বাথরুমে গিয়ে ফ্রেস হয় ।
আমিও ফ্রেস হই । ঘণ্টা দুয়েক পর সেলিম ভাই আমাকে আমার বাসায় দিয়ে আসে ।
এর দুই তিন দিন পর সেলিম ভাই এর সাথে আমার আবার দেখা হয় আমাদের বাসায় ।
কিন্তু সেলিম ভাই আর আগের মত কথা বলেন না আমার সাথে ।
আমি কথা বলতে চাইলেও আমায় এড়িয়ে যান ।
এর কিছুদিন পর আমি দেশে ফিরে আসি ।
মাঝখানে কিছুদিনের জন্য সউদি আরবে আবার যাই ।
তখনও সেলিম ভাই এর সাথে কথা বলার চেষ্টা করি ।
কিন্তু তিনি আমার সাথে আর কথা বলেন না ।
আমি থাকা অবস্থায় উনি আমাদের বাসাতেও কম আসেন ।
তবে এখনও উনাকে আমি মিস করি ।
কারণ আমার সমকামী জীবনের শুরুটা যে তার হাত ধরেই !

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s