ভালোবাসার গল্প

416882_476971795681664_850535241_n
আমি কালাম । গ্রামের ছেলে । ছোটবেলা থেকেই আমার মাঝে কিছুটা মেয়েলিপনা ছিল । তাই গ্রামের অনেক ছেলেই আমাকে আজেবাজে কথা বলত । আমারে মাইয়া কইয়া ডাকত ।
আমি চুপ করে থাকতাম ।
খুব কষ্ট হত । মনে হত আমি এমুন কেন ?
আমি তখন সেক্স বিষয়ে জানতাম না ।
তবে পুরুষ মানুষ দেখলে ভালো লাগত । ইচ্ছা করত জড়িয়ে ধরতে ।
আমার মায়ে যহন ঠোঁটে লিপস্টিক দিতো তহন আমারও ইচ্ছা হইত ।
আমি মাঝে মাঝে লুকাইয়া মায়ের শাড়ি পরতাম । আয়নায় নিজেরে দেখতাম ।
মনে হইত আমি যদি মাইয়া হইতাম । কত বালা হইত !

আমার বয়স তখন ১২ কি ১৩ । ক্লাস ৬ এ পড়ি । গ্রামের স্কুলে ।
আমার সাথে আমার ক্লাসের কেউ মেসে না । আমি একা একাই ক্লাসে যাই । আসি ।
স্কুলে আশা যাওয়ার পথে মালেক ভাই এর সাথে প্রায়ই দেখা হত । একমাত্র উনিই আমার সাথে ভালো করে কথা কন ।
মালেক ভাই খেত খামারের কাজ করতেন । বয়স ৩০কি ৩২ হবে ।
উনি লেখা পড়া করেননি ৷
আমি মালেক ভাই সাথে কথা বলার সময় তার শরীর দেখতাম লুকিয়ে লুকিয়ে ।
উনাকে অনেক সময় ফলো করতাম ।
উনার বুকের ঘন লোম আমার ভালো লাগত ।
উনি যখন উদোম গায়ে লুঙ্গি কাছা দিয়ে মাঠে কাজ করতেন আমি তখন উনার সাথে কথা বলার চেষ্টা করতাম । আবোলতাবোল কথা । কি খাইসেন ? কি করসেন ? এই আর কি !
উনি কাজ করতেন আর আমাকে বলতেন, হুন কালাম। মনোযোগ দিয়া ফরবা । বুজলা । তোমারে অনেক বড় হইতে হইব ।
আমি বাধ্য ছেলের মত মাথা নাড়তাম ।
আমি উনার লোমশ বুকের নিপল দেখতাম । ইচ্ছে করত নিপল গুলো হাতের আঙ্গুল দিয়ে ধরি ।
উনি যখন দাঁড়িয়ে আমার সাথে কথা বলতেন উনার কাছা মারা লুঙ্গির সামনের দিক ফুলে থাকত ।
উনার লোমশ উরু রোদে চকচক করে উঠত ।
আমার ইচ্ছে করত ওখানে হাত বুলাই ।
মুঠ করে উনার সোনাটা ধরি ।

ভাগ্য আমার সহায় ছিল । তাই খুব বেশিদিন অপেক্ষা করতে হয় নি আমায় ।
গ্রামে তখনও পায়খানা হয়নি । সবাই ঝোপে ঝাড়েই কাজ সারত ।
সেদিন আমিও রাত ৮ টার দিকে ঝোপে যাই । প্রাকৃতিক কাজ সারতে ।
ঝোপের কাছেই মালেক ভাই এর বাড়ি ।
আমি মালেক ভাই এর ঘরের পিছনে বসে কাজ সারছি ।
এমন সময় মালেক ভাইদের ঘর থেকে একটা গোঙ্গানির শব্দ পেলাম ।
আমি খুব ভয় পেলাম ।
কি হইল এই ভেবে ।
তারপরও পানি দিয়ে পরিস্কার হয়ে এগিয়ে গেলাম ।
টিনের বেড়ার ফুটোতে চোখ রাখলাম ।
যা দেখলাম তাতে আমি নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারলাম না ।
আমি দেখলাম মালেক ভাই তার চকির উপর দুই পা মেলে বসা । তার পাশেই বসা মালেক ভাই এর বন্ধু হারুন ভাই ।
দুজনের গায়ে কোন লুঙ্গি নাই ।
ঘরের কুপি বাতির আলোয় দেখলাম দুজন একজন আরেকজনের সোনা ধরে খেচতেসে ।
মালেক ভাই এর সোনাটা অনেক মোটা আর লম্বা । খেতের শসার মত । হারুন ভাই এরটা ছোট ।
মালেক ভাই মাঝে মাঝে কোমর তুলা দিচ্ছে ।
এর মাঝেই হারুন ভাই এর সোনা থেকে কি জানি ছিটকে ছিটকে বেরুতে লাগলো ।
হারুন ভাই আহ আহ করতে লাগলো ।
মালেক ভাই কইল, দোস্ত তোর দুই রানের ফাঁকে না দিলে আমার মাল বেরুবে না ।
হারুন ভাই কইল, ঠিক আসে । তাই কর ।
আমি বুঝলাম হারুন ভাই এর যা বের হইসে সেইটারে মাল বলে ।
হারুন ভাই চিত হয়ে শুল । তার দুইপা একসাথে করা ।
মালেক ভাই সেইখানে তার সোনার আগাটা ঢুকিয়ে দুই রানের চিপায় ধুকাল ।
আমার খুব হিংসা হচ্ছিল ।
মনে হচ্ছিল হারুন ভাইরে সরিয়ে দিয়ে আমি সেখানে শুই ।
আমার বুকের ভেতরটা জ্বলে যাচ্ছিল ।
যাই হোক ।
আমি আর দেখলাম না । দৌড়ে বাসায় চলে আসলাম ।
বাসায় এসেই আমার খুব কান্না পেলো ।
কেন মালেক ভাই ওকে এভাবে আদর দিলো ।
আমি মালেক ভাইকে আর কারো সাথে ভাগ করতে পারবো না ।
সেদিন সারা রাত ঘুমাই নি ।
পরদিন সকালে ১০ টার দিকে স্কুলে যাবার পথে মালেক ভাই এর সাথে দেখা হল ।
আমি বললাম, মালেক ভাই । আইজ সন্ধ্যায় আপনের সাতে আমার আলাপ আসে । জরুরী আলাপ । আপনি নদীর ঘাটে আইবেন ।
মালেক ভাই হেসে বলে আইচ্চা । আমুনে ।

সন্ধ্যায় নদীর ঘাটে আমিই আগে গেলাম ।
আমার পরনে মেলায় কেনা নীল রঙা লুঙ্গী । গায়ে সবুজ শার্ট ।
গায়ে তিব্বত পাউডার দিসি হালকা ।
একটু পরে আন্ধার করে আসলো চারপাশ । ঘুটঘুটে আন্ধার ।
আমার কেমন জানি ডর লাগতাসিল ।
তখনই দেখলাম মালেক ভাই একটা বিড়ি ধরিয়ে একটা গান গেয়ে আসছে ৷

পৌষের সন্ধ্যা । তাই অল্প ঠাণ্ডা ।
মালেক ভাই ধানের খেতের আলে সাবধানে পা ফেলে আসে ।
মালেক ভাই আমার কাছে আসে ।
বলে, কি কালাম । কি জরুরি আলাপ । কও ।
আমি কিভাবে শুরু করুম বুঝতে পারতেসিলাম না ।
আমতা আমতা করে বললাম , মালেক ভাই । আফনেরে আমার বালা লাগে ।
মালেক ভাই আমার দিকে অবাক চোখে তাকায় ।
এইসব কি কথা কও তুমি ? পাগল হইস ?
আমি এবার মুখ তুলে উনার চোখের দিকে তাকিয়ে বলি । কাইল রাইতে আমি বেবাক কিছু দেখছি । টিনের বেড়ার ফাঁক দিয়া । আফনে আর হারুন ভাই যা যা করছেন সব দেখছি ।
মালেক ভাই লজ্জা পেলেন ।
চুপ করে রইলেন ।
আমি কইলাম, আমি আপনেরে আপন কইরা পাইতে চাই ।
মালেক ভাই কিছু বলার আগেই আমি উনাকে জড়িয়ে ধরলাম ।
মালেক ভাই আমাকে বুকে জাপটে ধরেন ।
আমার চুলে হাত বুলান ।
মাথা নিচু করে আমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখেন ।
আমি উনার বিড়ি খাওয়া ঠোঁটে আদর নিই ।
আমার গলায় চুমু খান । মালেক ভাই আমারে কন, তোমার সইলে কি সুন্দর গন্দ ।
আমি বলি, আফনের বালা লাগছে ?
মালেক ভাই কথা বলে না ।
মালেক ভাই এর হাত আমার কোমরে ।
আমি শিহরিত হই ।
আমি আরও শক্ত করে উনাকে আঁকড়ে ধরি।
মালেক ভাই আমাকে বলেন, তুমি কি আমারে বালা ফাও ?
আমি বললাম , হুম ।
মালেক ভাই বলেন, কেমুন বালা ফাউ ?
আমি কইলাম, অনেক । অনেক । আফনের জৈন আমি সব পারুম ।
মালেক ভাই আমার ঠোঁট চুষে ।
মনে মনে খুব আনন্দ হচ্ছিল ।
স্বপ্ন পূরণ হলে যা হয় ।
মালেক ভাই খুব উত্তেজিত । আমি বুঝতে পারলাম ।
আমি কইলাম, আমি আপনের সোনাটা ধরি ?
মালেক ভাই হাসে । বলে আইজ থেইকা এইডা তুমার । আমার ডান হাত তার লুঙ্গির উপর রাখে ।
আমি কেঁপে উঠি । শক্ত আর গরম শাবলের মত । এতো বড় ?
আমি চাপ দিই । মোলায়েম করে ।
মালেক ভাই আহ করে উঠে ।
উনার শরীর থেকে বিড়ি আর ঘামের গন্ধ আমার নাকে লাগে ।
কেমন একটা বুনো গন্ধ । পুরুষ মানুষ হলে এমনই হতে হয় ।
মালেক ভাই আমার পরনের শার্ট খুলে ঘাসের উপর রাখেন ।
আমাকে বসান । উনিও পাশে বসেন ।
উনি তার লুঙ্গিটা কোমরের উপর তুলেন ।
আমি অবাক হয়ে চাঁদের হালকা জোছনায় তার কালো চকচকে সোনা দেখি ।
প্রান ভরে ।
আহ ! কতদিন এটার অপেক্ষায় ছিলাম!
সোনার গোঁড়ায় কালো কালো বাল ।
আমি হাত বুলাই । চোখ বুজে অনুভব করি ।
মালেক ভাই এবার কয় ।
একটু চুইসা দিবা ?
আমি মাথাটা এগিয়ে দিই । সোনার আগাটা মুখে নিই ।
কেমন একটা নেশা ধরানো গন্ধ ।
দুই ঠোঁটের ফাঁকে সোনার মাথাটা চুসি ।
মালেক ভাই আহ করে উঠে । বলে, কালাম । তুমি আমার বউ । সোনা বউ ।
আমি আমার ছোট মুখে তার সোনাটা নিই আস্তে আস্তে ।
আমার দম বন্ধ করে আসে । তারপরও নিই ।
কারণ আমি তখন মালেক ভাই এর প্রেমে অন্ধ ।
উনি আমারে আজ সোনা বউ কইসে ।
আমার কি যে ভালো লাগছিল ।
মালেক ভাই দুই পা ছড়িয়ে বসে দুই হাতে ভর দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে ।
আমি আলতো করে উনার সোনায় আদর দিই ।
আমি মালেক ভাইরে হারাতে চাই না ।
তাই ইচ্ছে করেই এমন আদর দিই । যেন উনি আর হারুন ভাই এর কাছে না যায় ।
আমি এবার উনার সোনার বিচি চুষি । লজেন্সের মত কইরা ।
মালেক ভাই চিৎকার করে উঠে ।
বলে, বউ । আর চুইস না । আমি পাগল হইয়া যামু ।
মালেক ভাই এর মুখে বউ ডাক শুনে আমি আরও মাতাল হয়ে যাই ।
কখনও বিচি কখনও সোনা জোরে জোরে চাটি ।
দুই ঠোঁটে চেপে চেপে আদর দিই পুরোটা সোনার শরীর জুড়ে ।
একটু পর মালেক ভাই আর পারেন না । গল গল করে উনার সাদা গরম মাল ঢালেন আমার মুখে ।
আমিও চুষে নিই ।
পরে পাশে ফেলে দিই ।

মালেক ভাই ক্লান্ত । ঘাসের উপর শুয়ে আছেন ।
উনার লুঙ্গিটা এখনও কোমরের উপরে ।
আমি যত্ন করে উনার লুঙ্গিটা টেনে দিই ।
উনার মাথা আমার কোলে নিই ।
মালেক ভাই চোখ বুজেই থাকে ।
আমি হাত বুলাই । মালেক ভাই এর ঝাঁকড়া চুলে ।
কপালে চুমু দিই । বলি, আমারে সারাজিবন এমুন কইরা বউ ডাকবেন ।
মালেক ভাই চোখ মেলে ।
আমার হাত ধরে তার বুকে নেয় ।
আমায় বলে, তুমি চাইলে বলব ।
আমি আবেগে কান্না করে দিই ।
আমার চোখ থেকে টপটপ পানির ফোঁটা মালেক ভাই এর চোখে ঠোঁটে পরে ।
মালেক ভাই আমার মাথাটা তার মাথার কাছে টেনে বলে, বউ কাইন্দ না । আমি তোমায় অনেক আদর দিমু ।
আমি চোখের পানি মুছি । বলি, এমুন কইরা জনম জনম আফেনেরে বালাবাসুম আমি ।
মালেক ভাই আমার ঠোঁটে হাত বুলিয়ে বলে । আমিও সোনা বউ তোমারে বালাবাসুম ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s