ছাত্রের বাবার সাথে গে সেক্স


আমি পিয়াল । পড়াশুনা করি একটা প্রাইভেট ভার্সিটিতে ।
থাকি রামপুরা এলাকায় ।
আমি নিজের খরচটা টিউশনি করে চালানোর চেষ্টা করি ।
গত তিন মাস আগে নতুন এক টিউশনি পেয়েছি ।
ছাত্রকে সপ্তাহে তিন দিন পড়াতে হয় । আমার ছাত্র তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে ।
আমার ছাত্রের বাবা নাদিম সাহেব । বড় ব্যবসায়ী। অনেক টাকার মালিক।
ছাত্রের মা মারা যাবার পর উনি আর বিয়ে করেননি ।
যাই হোক । ভদ্রলোকের সাথে প্রথম যেদিন দেখা হয় সেদিনই আমি তার প্রেমে পড়ে যাই ।
ভদ্রলোক যথেষ্ট হ্যান্ড সাম । খুব নিয়ম মেনে চলেন । সেটা বুঝা যায় । উনার পেশি দেখলেই বুঝা যায় এখনও ব্যায়াম করেন নিয়মিত ।
উনি মাঝে মাঝে টি শার্ট পরে যখন আমার সামনে এসে ছাত্রের ব্যপারে কথা বলেন । তখন আমি অবাক হয়ে উনার সুথাম বুক দেখি ।
উনার বুকটা এতটা আকর্ষণীয় । টি শার্ট এর বাইরে বুকের নিপল বুঝা যায় ।
আমি নিজেকে ধরে রাখতে পারি না । আমার প্যান্ট এর সামনের দিক ফুলে যায় ।
যাই হোক । ভদ্রলোকের প্রতি আমার আকর্ষণ দিন কে দিন বেড়েই যাচ্ছিল ।
আমি সারা রাত ঘুমাতে পারি না । উনাকে স্বপ্ন দেখি । উনাকে ভেবে ভেবে হাত মারি । কল্পনা করি উনার পেনিস কেমন হবে ।
আমার ধারনা উনার পেনিস খুব মোটা আর লম্বা হবে ।

একদিন ছাত্রের কাছ থেকে তার বাবার ফোন নম্বর নিলাম ।
রাতের বেলা আমার মোবাইলে নতুন কেনা বাংলালিংক সিম লাগালাম । বুকটা দুরু দুরু কাঁপছিল ।
কি করব বুঝতে পারছিলাম না ।
একটা কল দিলাম ।
তখন রাত ১২ টার বেশি বাজে ।
আমার ছাত্রের বাবা ফোন ধরলেন । বললেন , হ্যালো ।
আমি এপাশ থেকে কিছু বললাম না ।
চুপচাপ লাইনটা কেটে দিলাম ।
বুদ্ধি করে একটা মেসেজ দিলাম ।
লিখলাম, hi vaiya . kemon achen ? ami apnar sathe bondhutto korte chai .
ভয়ে ভয়ে সেন্ড করে দিলাম ।
অপেক্ষা করতে লাগলাম । কি হয় দেখার জন্য ।
উনি রিপ্লাই দিলেন, apnake thik cinlam na . ke apni ?bondhutto korte hole eke oporke jante hoy . jante chai apnake .
আমি খুব খুশি । যাক প্রথম টোপটা কাজে লাগলো ।
আমি লিখে পাঠালাম, vaiya . ami jahid..age 24..malibag thaki ..study kori ..ami khub hotash..amar baba mayer charachari hoye gese..tai upset…apni ki amar bondhu hoben ?
সেন্ড করে দিলাম ।
২ মিনিট পর ছাত্রের বাবা মেসেজ দিল…so sad..hotas hoyo na jahid…jibon emoni..ami nadim..age 34..eka thaki..amar ekta chele ase..vai aj ghumabo…pore kotha hobe…

এভাবে আমাদের মেসেজ দেয়া নেয়া চলতে থাকল ।
একদিন উনি আমার সাথে কথা বলার জন্য ফোন দিলেন ।
আমি ফোনটা ধরব কি ধরব না এই ভেবে শেষ পর্যন্ত ধরেই ফেললাম ।
ছাত্রের বাবা আমাকে বলেন, কি কর?
আমি গলার স্বর কিছুটা পাল্টে বলি, কিছু না ভাইয়া ।
উনি এবার আমাকে বলেন, এভাবে রাত জাগা কি ঠিক ?
আমি বললাম, আমার ভালো লাগে ।
আমি আরও বললাম, ভাইয়া। একটা প্রশ্ন করি ?
নাদিম সাহেব বলেন, কর ?
আমি বললাম, এই যে আপনি একা । ভাবি নাই । কিভাবে থাকেন । মানে সেক্স উঠলে কি করেন ?
নাদিম সাহেব হা হা হা করে হেসে উথেন ।
আমায় বলেন, কি আর করব ? আমার হাতে কাজ চালাই ।
আমি বললাম, দুধের স্বাদ কি ঘোলে মিটে ।
নাদিম সাহেব এবার বলেন, ছেলেটার দিকে চেয়ে আর বিয়ে করি নি । কি করব বল ? মাঝে মাঝে খুব মাথা গরম হয়ে যায় । তখন হাত মারি ।
ভাইয়ার এসব কথা শুনে আমি বললাম, ভাইয়া । আমিও হাত মারি ।
নাদিম ভাইয়া হা হা করে হাসেন ।
বলেন, আজ রাখি ।

এভাবে প্রতিদিন কথা হতে লাগল । কখনও সেক্স কখনও রাজনীতি কখনও আমার লাইফ ।
আমি খেয়াল রাখতাম যেন উনি আমায় না চেনেন ।
যাই হোক ।
সব ভালই যাচ্ছিল ।

একদিন নাদিম সাহেব বাসায় ঢুকেই আমাকে বললেন , পিয়াল , তোমার ছাত্রের ব্যাপারে একটু কথা আছে। পড়ানো শেষ হলে একটু বস।
বলেই উনি ফ্রেস হতে চলে গেলেন। কাজের লোক আগেই চলে গেছে। আমার ছাত্র পড়া শেষ করে বাইরে গেল খেলতে।
আমি একা একা ড্রয়িং রুমে অপেক্ষা করতে থাকলাম।
কিছুক্ষণ পর নাদিম সাহেব আসলেন।
শুধু একটা লুঙ্গি পরা।
উনার বুকের নিপল দেখে আমি শিউরে উঠছি ।
ফরসা বুক । তাতে গোলাপি লিপল । বুকের চারপাশে হালকা লোম ।
লোমগুলো নাভি পর্যন্ত নেমে গেসে ।
আমি কল্পনা করছি নাভির নিচে কি আছে ?
টের পাচ্ছি আমার পেনিস ফুলে উঠছে ।
উনি আমাকে উনার ছেলের পড়ালেখার খোঁজখবর নিলেন।
আমি তাকিয়ে আছি নাদিম সাহেবের বগলের দিকে । সেখানে কিছু কালো যৌন কেশ । ইচ্ছে করছিল হাত বুলাই ।
ওখানে নাক ঘষি ।
এবার না্দিম সাহেব সেটা খেয়াল করলেন ।
উনি বসা থেকে উঠে এসে আমার সামনে দাঁড়িয়ে তার সেল ফোন থেকে একটা নম্বর দেখিয়ে বললেন, এটা কার নম্বর ।
আমি চুপ করে রইলাম । আমার মাথা বন বন করে ঘুরছে । মনে হচ্ছে আমার পায়ের তলায় মাটি নাই ।
এবার নাদিম সাহেব আমাকে বলে, কি হল । চুপ কেন ? উত্তর দাও । শোন যতই লুকানোর চেষ্টা কর । লাভ নাই । ধরা পড়েছ তুমি ।
আমি কি করব বুঝতে না পেরে বললাম, সরি । ভাইয়া । প্লিজ মাফ করে দেন । আর ভুল হবে না ।
নাদিম ভাই আমার পাশে বসেই আমার হাত নিয়ে তার লুঙ্গির উপরে রাখল ।
আমি অবাক ।
আমি কি স্বপ্ন দেখছি নাতো ?
আমি মুঠো করে তার ধোন ধরলাম ।
এবার উনি আমার গাল, গলা, কানের লতি, ঠোঁটে মিষ্টি করে আদর শুরু করলো।
আমি গোঙাচ্ছি ।
উনার মত পুরুষের আদর পাওয়া যে কোন গে এর জন্য ভাগ্যের ব্যপার ।
আমি শার্ট খুলে ফেলি ।
অর্ধউলঙ্গ অবস্থাতে উনার আদর খাচ্ছিলাম ।
আমি এবার সক্রিয় হলাম ।
উনার ঠোঁট চুষতে থাকি ।
উনি ও পাগলের মত ঠোঁট কামরাতে থাকেন ।
আমি এবার উনার দুই রানের উপর বসে উনার বুকের নিপলে মুখ দিই ।
উহ । কত দিনের ইচ্ছা !
আমি নিপলের চারপাশে জিবের পরশ দিই ।
টের পাই উনার পুরুষাঙ্গ আমার পাছার নীচে শক্ত হয়ে উঠছে ।
আমি নিপল থেকে বগলের লোমে ঠোঁট বুলাই ।
সদ্দ গোসল করেছেন । তাই বগলের লোম থেকে সুন্দর একটা গন্ধ পাচ্ছিলাম ।
আমি উনার বগল চুসি আর আমার কোমর দুলাই উনার ধোনের উপর ।
উনি এবার বলে উঠে । পিয়াল, আমি পারছি না আর । আমার বাড়া ফেটে যাচ্ছে । প্লিজ চুষে দাও ।

এবার আমি বিন্দুমাত্র সময় নষ্ট না করে ওনার লুঙ্গির গিট খুলে দিলাম ।
অমনি ওনার লম্বা বাড়াটা ইলেকট্রিক পোস্টের মতো সটান খাড়া হয়ে দাড়িয়ে পড়লো।
আমি আর লোভ সামলাতে না পেরে যেই উনার বাড়াতে হাত দিয়েছি ।
আমার মনে হলো উনার গোটা শরীর দিয়ে একটা বিদ্যুতের ঝলক বয়ে গেল ।
উনিও শিহরণে গোঙাতে গোঙাতে লাগলো ।
এবারে উনি বসা থেকে দাড়িয়ে আমার মাথাটা ধরে জোর করে ওর বাড়াটার কাছে নিয়ে গেল।
আমি হাঁটু মুড়ে বসলাম আর উনার বাড়াটা হাতে নিয়ে ধরে ওনার বাড়াটার উপর থেকে নিচে চুমু খেতে শুরু করলাম।
নাদিম সাহেবের পেনিসটা সত্যিই খুব সুন্দর ।
কালো বাড়াটা লম্বায় প্রায় ৭ ইঞ্চি আর চওড়ায় ২ ইঞ্চির বেশি মোটাতো নিশ্চই হবে ।
আর এত শক্ত যে ওর সরু শিরা উপশিরাগুলো ওর উপর থেকে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল।
আমি ওনার বাড়াটার মুন্ডিটাকে ঠোঁটে ঠেকিয়ে একটা মিষ্টি কিস করলাম।
নাদিম সাহেবের গোঙানো তখন উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে ।
আস্তে আস্তে আমি ওনার বাড়ার মুন্ডিটাকে মুখে ঢুকিয়ে চুষতে শুরু করলাম।

এই সময়ে আমার জিভ ওনার মুন্ডির ছোট্ট ফুটোতে হাল্কা হাল্কা আঘাত করছিল আর ওনার মুখের আওয়াজ বেড়ে যাচ্ছিল ।
আমি বুঝতেই পারছিলাম যে উনার যা অবস্থা তাতে যে কোনো সময় উনি চরম সীমায় পৌছে যাবে।
আমি ওনার গোটা বাড়াটাকে মুখে ঢুকিয়ে নিয়ে হাল্কা আর মিষ্টি করে চুষতে শুরু করি আর তারপরে মুখ দিয়েই বাড়াটাকে বাইরে ভিতরে করতে করতে ঠাপাতে থাকি।
কিছু সময় অন্তর মুখ থেকে বাড়াটা বের করে হাত দিয়ে নাড়াতে থাকি আবার ফের মুখে নিয়ে ঠাপাতে থাকি।
হাত আর মুখ দিয়ে ঠাপানোর সময় ওনার বিচির বল দুটো আমার ঠোঁটে আর আঙ্গুলে আঘাত করতে থাকে ।
আর নাদিম সাহেবের তখন যৌনতার শিহরণে প্রায় কেঁদে ফেলার অবস্থা হয়ে গেছে ।
উনি বলতে লাগলেন, তুমি যে এত সুখ দেবে বুঝতে পারিনি । তোমার ভাবি মারা যাবার পর এতো আরাম পাই নি । তুমি এখন থেকে আমার বউ এর মত থাকবে ।
আমি বললাম, আমি তাই চাই । আপনার সব কিছু আমার ।
আমিও সেই সময় প্রচন্ড গরম হয়ে গেছিলাম ।
আমার প্যান্ট খুলে উলঙ্গ হয়ে গেলাম ।
নাদিম সাহব এবার আমাকে সোফায় শুয়ে দিলেন ।
আর আমি আমার পা দুটোকে ছড়িয়ে দিয়ে উনার কাঁধে দিলাম।
উনি ড্রেসিং টেবিল থেকে ভেসলিন এনে আমার পাছার ফুটোতে ভেসলিন মেখে নিলেন ।
ধোনেও ভেসলিন মাখলেন ।
এবার বাড়াটা হাতে নিয়ে আমার পাছায় ঠেকিয়ে জোরে একটা চাপ মারলেন ।
আমার পাছার ভেতরে বাড়াটা চড়চড় করে প্রায় অর্ধেকটা ঢুকে গেল ।
উফ ! কি ব্যথা ! আর আরাম !
ব্যথায় আমার চোখ দিয়ে জল এসে গেল ।
আসলে উনার বাড়াটা এতটা লম্বা আর মোটা ।
নাদিম সাহেব ঠাপাতে শুরু করলেন ।
আমি আমার আঙ্গুল দুটো দিয়ে ওনার বুকের নিপিল ধরে হাল্কা হাল্কা করে আঁচড়াতে থাকি ।
আমাদের দুজনের মুখ থেকেই একসাথে গোঙানোর আওয়াজ বেরোতে শুরু করলো।
উনি আমাকে বলেন, এতদিন কই ছিলে সোনা । তুমি যে আমাকে চাও সেটা আগে বলতে । তাহলে আমাকে হাতে ধোন এর রস বের করতে হত না !
আমি কোন কথা বলি না । আমার ধোন খেঁচতে থাকি আর উনার থাপ খেতে থাকি ।

নাদিম সাহেব এবার আমাকে দাঁড় করিয়ে আবার পিছন ঘুড়িয়ে দিলেন।
সামনে টেবিল দেখিয়ে ওটাতে হাত ভর দিয়ে দাঁড়াতে বললেন। আমি উনার কথামত পজিশন নিলাম। উনি পিছন থেকে আমার পাছায় বাড়া সেট করে ঠাপানো শুরু করলেন।
আমি ড্রেসিং টেবিলের আয়নায় দেখছি ।
উনার মত একটা তাগড়া পুরুষ আমায় চুদছে ।
এই দৃশ্য যে কত যৌন উত্তেজক । সেটা বলার মত না ।
আমার মুখে অশ্লীল কথা চলে আসলো, বললাম, চোদ শালা । আরও জোরে চোদ ।
নাদিম সাহেব এসব শুনে আরও জোরে জোরে চুদতে শুরু করলেন ।
উনার এত বড় ধোনের চুদা খেয়ে চোখ বন্ধ করে ফেললাম।
উনি শুরু থেকেই বেশ জোরে জোরে ঠাপাচ্ছিলেন।
আমি টেবিলে দু হাত ভর দিয়ে পা দুটো ফাঁকা করে উনার ঠাপ খাচ্ছিলাম।
উনি দুই হাত দিয়ে আমার কোমর ধরে উনার পাছা দুলিয়ে দুলিয়ে ঠাপানো শুরু করলেন।
আহা কি চোদন!চোদনের থেলায় আমার মাল বেড়িয়ে গেল ।
আমি চোখ বন্ধ করে আমার ছাত্রের বাবার চোদন খাচ্ছিলাম।
আমার পাছায় তার বাড়ার ঠাপনে ঘরজুড়ে এক শব্দ তৈরী হল।
সেই সাথে আমার খারাপ কথাতো আছেই।
এক সময় ঠাপনের স্পীড আরো বেড়ে গেল।
বিশাল কয়েকটা ঠাপ দিয়ে নাদিম সাহেব আহ আহ করে চিৎকার দিলেন ।
উনার মাল ছাড়লেন।
মাল ছেড়েই উনি আমার পিঠের উপর ঝুঁকে পরলেন।
টানা ২৫ মিনিট সেক্স করে আমিও বেশ ক্লান্ত।
এরপর থেকেই যখন ইচ্ছা করে আমি আমার ছাত্রের বাবার সাথে সেক্স করি ।
বলতে গেলে আমি এখন উনাকে মনে প্রানে ভালোবাসি । উনিও আমাকে ভালবাসেন ।

One thought on “ছাত্রের বাবার সাথে গে সেক্স

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s