****কথা দিলাম ****

আমি তখন ক্লাস সেভেনে ।
আমি ছোটবেলা থেকেই স্মার্ট ভাবে চলাফেরা করতে লাইক করি ।
দেখতে শুনতেও আমি তেমন খারাপ না । ভালই বলা চলে ।
যাই হোক ।
এক দিনের কথা ।
আমাদের বাসায় আমার এক মামাতো বোন তার হাসব্যান্ড আর সাথে তার এক আত্মীয়কে নিয়ে বেড়াতে আসে ।
জানতে পারলাম সাথে আসা ছেলেটি আমার দুলাভাই এর কাজিন ।
তাই উনাকে ভাইয়া বলেই ডাকলাম । উনার নাম ছিল পলাশ ।
দেখতে লম্বা । ফর্সা ।
দুপুরে খাওয়া দাওয়ার পর বাসার সবাই হালকা ঘুম দিচ্ছে ।
আমার ছোটবেলা থেকেই দুপুরে ঘুমাতে ইচ্ছা করে না ।
তাই ছাদে গেলাম ।
ওখানে হাঁটছি আর কানে হেড ফোন লাগিয়ে একমনে গান শুনছি ।
একটু পর দেখি পলাশ ভাইয়া ছাদে আসছে ।
পলাশ ভাইয়া আমাকে বলল, কি ব্যপার ! চোখে ঘুম নাই ?
আমি হাসলাম । বললাম, ভাইয়া । আমার দুপুরে ঘুমাতে ভালো লাগে না । তাই ।
তা কোন ক্লাসে পড় তুমি ?
ক্লাস সেভেনে ।
হুম । ভালো ভালো ।
এরপর একথা সেকথা বলে আড্ডায় জমে গেলাম ।
পলাশ ভাইয়া কথার এক ফাঁকে বললেন, তোমাদের এলাকাটা আমি তেমন চিনি না । যদি একটু ঘুরে দেখাতে । খুশি হতাম ।
আমি বললাম, অবশ্যই দেখাব । কখন যাবেন ? বলুন !
পলাশ ভাইয়া ছাদের রেলিং এ হাত রেখে বললেন, বিকেল হোক । রোদ টা যাক । আমার আবার রোদে ঘুরতে ভালো লাগে না ।
আমি বললাম, ঠিক আছে ভাইয়া । তাই হবে ।

বিকেল বেলা আম্মুকে বলে ঘুরতে বের হলাম পলাশ ভাইয়াকে সাথে নিয়ে ।
পলাশ ভাইয়ার সাথে যতই ঘুরছি আমি ততই উনার প্রতি দুর্বল হয়ে যাচ্ছি । সেটা ভেতরে ভেতরে বুঝতে পারছিলাম ।
কিছু কিছু মানুষের ভেতর আশ্চর্য সম্মোহনী ক্ষমতা থাকে । পলাশ ভাইয়ার ভেতর সেটা আছে ।
উনার হাসি । কথা বলার স্টাইল । উনার হাঁটা চলা কেন জানি আমার বুকের ভেতর ঝড় তুলতে লাগলো ।
এর আগে আমি সমকামিতা সম্পর্কে অল্প বিস্তর শুনেছি । শুনেছি সমকামিদের নাকি এমন অনুভূতি হয় । তবে কি আমি সমকামী !
নিজের ভেতর একটা অপরাধবোধ টের পেলাম ।
পলাশ ভাইয়া আমার দিকে তাকিয়ে কথা বলেন আর আমি মন্ত্র মুগ্ধের মত শুনি ।
যাই হোক ।
এভাবে ঘুরে টুরে সন্ধ্যায় বাসায় আসলাম দুজনে ।
বাসায় এসে সেদিন আর পড়তে বসলাম না ।
পলাশ ভাইয়ার সাথে টি ভি দেখতে বসলাম ।
আমি এক মুহূর্তও উনার চোখের আড়াল হতে চাচ্ছিলাম না ।
একে কি প্রথম দেখায় ভালবাসা বলে ?
নিজেকে কেমন পাগল পাগল লাগছিল বলে বুঝাতে পারব না আমি ।

রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে ঘুমানোর পালা ।
আম্মু বলল, আজ পলাশ তোর সাথে ঘুমাবে ।
আম্মুর এই কথা শুনে আমিতো মহা খুশি ।
মনে হল আমি বোধহয় আকাশের চাঁদ হাতে পেতে যাচ্ছি ।
মনে মনে আমি ধিতাং ধিতাং করে নাচা শুরু করেছি ।
আমি আমার রুমে এসে বিছানা ঠিক করলাম ।
পলাশ ভাইও আসল ।
উনার বালিশ ঠিক করে দিয়ে বললাম, ভাইয়া । শুয়ে পরুন । অনেক ঘুরাঘুরি করলেন আজ ।
পলাশ ভাইয়া শুলেন । আমাকে বললেন, তুমি শুবে না ?
আমি বললাম, এইতো আসছি । লাইট নিভিয়ে আসি । আমি লাইট জ্বালিয়ে ঘুমাতে পারি না ।
লাইট নিভিয়ে দুজন পাশাপাশি শুয়ে গল্প করছি ।
একটু পর যা ঘটল সেটার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না ।
পলাশ ভাইয়া অন্ধকারে আমার হাত ধরে তার বুকে চেপে ধরে বললেন, একটা কথা বলি ? তুমি কি আমাকে ভালবাসবে ? আমাকে আদর দেবে ?
আমি পুরাই অবাক পলাশ ভাইয়ার কথা শুনে ।
এতো মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি । আমি নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না ।
আমি কোন কথা না বলে চুপ করে থাকলাম ।
পলাশ ভাই পাশ থেকে উঠে আমার বুকের উপর শুলেন ।
আমার ঠোঁটে চুমু দিলেন আলতো কর । বললেন, এই ঠোঁট দুটো আমার আজ থেকে ।
আমি কোন কথা বলছি না ।
শুধু অনুভব করছি প্রথম চুম্বনের স্বাদ । অবর্ণনীয় ।
পলাশ ভাইয়া আমার ঠোঁট থেকে গলায় তার ঠোঁট বুলান ।
আমি আরও অস্থির হয়ে যাই । মনে হচ্ছিল আমি সুখে মারা যাচ্ছি । কারও আদর পেতে এত ভালো লাগে সেটা আগে জানা ছিল না ।
পলাশ ভাইয়ার অস্থির আঙ্গুল আমার টিশার্ট এর মাঝে ঢুকে আমার টি শার্ট খুলে ফেলে ।
উনার টি শার্টও খুলে ফেলে দেন ।
আমার লোমহীন মসৃণ বুকে উনার লোমশ বুক ।
উহ । সে যে কি আনন্দ ! উনি যতবার আমায় জড়িয়ে ধরছেন ঠিক ততবার আমি শিউরে উঠছি । ভালো লাগায় ।
পলাশ ভাইয়ার পিঠ খামছে ধরছি আমি ।
সমকামিতায় এতো মজা ! আগে বুঝি নি ।
পলাশ ভাইয়া আমার আর তার বাকি আবরণটুকুও ফেলে দেয় ।
আমি আর পলাশ ভাইয়া তখন হাওয়ায় ভাসছি ।
কখনও উনি আমার উপর আবার কখনও আমি উনার উপর ।
আমার শরীর জুড়ে অসহ্য সুখের ঝড় । মনে হচ্ছিল সব কিছু ছুড়ে ফেলি । লণ্ডভণ্ড করে ফেলি চারপাশ । দেহের ভেতর এতো আগুন এতদিন কোথায় ছিল ।
পলাশ ভাইয়া আমার কানে কানে বলল, তুমি এতো সুন্দর কেন ?
আমি উনার মাথায় চুলে আদর দিয়ে বলি, তোমার জন্য । আমার সবকিছু আজ তোমায় দিলাম ।

পলাশ ভাইয়া আমাকে তার কোলে নেয় ।
আমি ভুলে যাই আমি ক্লাস সেভেনে পড়া একজন কিশোর ।
আমি উনার গলা জড়িয়ে ঠোঁটে ঠোঁট ডুবাই ।
পলাশ ভাইয়া রুমের জানালা খুলে দেন ।
জানালার ফাঁক দিয়ে চাঁদের আলো আমাদের দুজনের গা ভাসিয়ে দেয় ।
আমি উনার বুকে হাত বুলাই ।
উনি হেসে বললেন, আমায় সারাজীবন ভালবাসবে ?
আমি উনার ঠোঁটে আঙ্গুল রেখে বলি । এখনও এই প্রশ্ন ? তুমি বুঝ না ? তোমাকে যখন প্রথম দেখেছি তখনই বুকের ভেতর চোরা স্রোত বয়ে গেছে । আমি বুঝে গেছি তোমার বুকেই আমার সর্বনাশ লেখা আছে ।
পলাশ ভাই বলল, আর ?
আমি বললাম, তুমি আমাকে যেভাবে চাও আজ রাতে আমি তাই হব । আমার কষ্ট হলেও হব ।
পলাশ ভাইয়া বলল, তুমি কি পারবে ?
আমি বললাম, আমার ভালবাসার জন্য আমি সব পারব ।
পলাশ ভাইয়া আমাকে উপুড় করে বিছানায় শুইয়ে দেন ।
আমার নিতম্বে চুমু খান ।
আমার পায়ের আঙ্গুল মুখে নিয়ে আস্তে আস্তে আদর দেন ।
আমি সুখে কাতরাতে থাকি ।
উনি এবার আমার কাঁধের বাম পাশে আদর দেন ঠোঁট দিয়ে ।
আমি চিৎকার করে উঠি সহ্য করতে না পেরে ।
পলাশ ভাইয়া বলেন, আমি কি তোমার শরীরে প্রবেশ করব ।
আমি বললাম, হুম ।
পলাশ ভাইয়া এবার আস্তে আস্তে চেষ্টা করতে লাগলেন । হচ্ছিল না ।
উনি বললেন , থাক আজ । পরে একদিন হবে সব ।
আমি বললাম, না । যা করার আজই করবে । আজ আমার বাসর রাত ।
আমি আজই তোমার সব পেতে চাই ।
পলাশ ভাইয়া আমার কানের লতিতে কামড় দিয়ে বলে, সোনা । তুমি কষ্ট পাবে ।
আমি বলি, আমি যা বলছি তাই কর ।
পলাশ ভাই এবার মুখের লালা দিয়ে আমার ভেতর উনার যৌন দণ্ড প্রবেশ করার চেষ্টা করেন ।
আমি বিছানার চাদর খামচে ধরে মুখ বন্ধ করে রাখি ।
আমি বুঝতে পারছিলাম আমার খুব কষ্ট হচ্ছে ।
পলাশ ভাই বুঝলেন আমার কষ্ট ।
উনি কিছুটা প্রবেশ করিয়েই থেমে গেলেন ।
এবার আবার শুরু করলেন শরীরে শরীর মেলান ।
আমার আস্তে আস্তে অন্যরকম একটা অনুভূতি হচ্ছিল ।
আমার নিঃশ্বাস গাড় হয়ে আসে ।
বিছানার সাথে আমার পুরুষাঙ্গ ঘষা খেয়ে আমার বীর্য বেরিয়ে যায় ।
পলাশ ভাইয়াও আমাকে আঁকড়ে ধরেন তার সর্বশক্তি দিয়ে ।
আমি বুঝলাম, উনিও তার সব আমায় দিলেন ।
পলাশ ভাইয়া আমার পিঠে শুয়ে আছেন ।
আমার হাত দুটো তার হাতের মুঠোয় ।
আমি অনুভব করতে পারছিলাম উনার লোমশ বুকের পরশ আমার পিঠ জুড়ে ।
আমার কানের কাছে মুখ নিয়ে পলাশ ভাই বললেন , তুমি আমার । আজ থেকে সত্যি তুমি আমার !

বাইরে তখন অনেক জ্যোৎস্না । দুধ সাদা জ্যোৎস্না । আমি জানালার শরীর জুড়ে রাতের আকাশ দেখি ।
আমি পলাশ ভাইয়া কে বলি, কোন দিন কষ্ট দিও না আমায় । ছেড়ে যেও না আমায় । কথা দিলাম আমি আজ থেকে সম্পূর্ণই তোমার ।

One thought on “****কথা দিলাম ****

  1. sotti jodi emon hoto sarajibon dujon dujonar thakte parto tahole r kichui hoto na. but practical life tai onno rokom .

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s