পার্কে সেক্স


আমি হৃদয় ।
থাকি মহাখালিতে । একটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বি বি এ করছি ।
আমি সমকামি । ছোটবেলায় এক আঙ্কেলের মাধ্যমে আমি সমকামীদের প্রতি আকৃষ্ট হই ।
যাই হোক ।
মূল ঘটনায় আসি ।
ঘটনাটা ১ মাস আগের ।
এটা এমনই এক লজ্জাজনক ঘটনা আমি কারও কাছে শেয়ারও করতে পারছি না ।

সেদিন ছিল বুধবার । হালকা বৃষ্টি হয়েছিল সন্ধ্যায় । আমি এর আগে কোনদিন কোন পার্কে যাইনি সন্ধ্যার পর । অনেকের কাছেই শুনেছি ঢাকা শহরের বিভিন্ন পার্কে সন্ধ্যার পর নাকি সমকামীদের পাওয়া যায় ।
যাই হোক । কৌতূহলের বশে আমি সেদিন সিদ্ধান্ত নিই কোন একটা পার্কে যাব ।
আমি সংগত কারনেই পার্কের নামটা বলছিনা ।
পার্কে যাবার পর দেখি অনেক লোক ।
অনেকেই জগিং করছে । অনেকে বেঞ্চিতে বসে আড্ডা দিচ্ছে ।
কেউ কেউ হাঁটছে ।
আমিও আমার কানে হেড ফোন লাগিয়ে গান শুনছি আর হাঁটছি ।
পার্কের আলো ছায়া পথ ধরে হাঁটতে বেশ লাগছিল ।
তার উপর বৃষ্টি হওয়াতে কেমন একটা সুন্দর গন্ধ পাচ্ছিলাম চারপাশ থেকে ।
এক জায়গায় দেখলাম সারি সারি অনেক লোক দাঁড়িয়ে আছে । অন্ধকারে ।
পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় খেয়াল করলাম সবাই আমার দিকে কেমন চোখে তাকাচ্ছে । মনে হচ্ছে যেন আমাকে গিলে খাবে ।
কেউ কেউ আবার আমায় দেখে তাদের প্যান্ট এর উপর দিয়ে হাত বুলাতে লাগল ।
আমি বুঝলাম । ওরা সবাই সমকামী । হয়ত সেক্স পার্টনার খুঁজতে আসছে । কিন্তু ওদের দেখে আমার ভালো লাগল না ।
কেমন যেন ক্লাস লেস মনে হল ।
আমি হাঁটতে লাগলাম ।
বুকের ভেতর একটু ভয় ভয়ও লাগতে লাগল । এই প্রথম রাতের বেলা কোন পার্কে আসলাম ।
কি হয় ! কি হয় !

একটু পর পেছন থেকে একজন বলে উঠল, এক্স কিউজ মি ! কথা বলতে পারি ?
আমি পেছন ফিরে দেখলাম একজন মধ্য বয়সী পুরুষ । পরনে ফরলাম ড্রেস । চোখে চশমা । দেখেই বুঝা যাচ্ছে উনি অফিস থেকে এসেছেন ।
সত্যি কথা বলতে উনাকে আমার ভালো লেগেছিল প্রথম দেখাতেই ।
উনার চেহারাতেই বুঝা যায় উনি ভদ্রলোক ।
আমি হাত বাড়িয়ে উনার সাথে হ্যান্ড শেক করলাম ।
হাই আমি হৃদয় । আপনি ?
আমি রায়হান । একটা বেসরকারি ব্যাংক এ আছি । আমি কি তোমাকে তুমি করে বলতে পারি হৃদয় ?
ও শিওর । আমি একটা ভার্সিটিতে বি বি এ করছি ।
দেটস গুড । তা এখানেকি প্রায়ই আস নাকি ?
না না । আমি আজই প্রথম ।
ও । গুড । তা কোনটা লাইক কর হৃদয় ?
সবকিছু ।
হা হা হা । গুড গুড ।
চল আমরা ওদিকটাতে একটু বসি ।
আমি রায়হান ভাইয়ার সাথে একটা বেঞ্চিতে বসলাম ।
এদিকটায় তেমন আলো নেই ।
রায়হান ভাইয়া আমাকে বসেই একটা চুমু দিলেন ।
আমি একটু ভয় পেয়ে বললাম , ভাইয়া । কি করছেন । কেউ দেখে ফেলবে ।
হা হা হা । ভয়ের কিছু নেই । এখানে সবাই এমন । আর আমরা যেখানে বসেছি সেটা দূর থেকে বুঝা যায় না ।
আমি কিছু বললাম না ।
রায়হান ভাইয়া আমায় জড়িয়ে ধরেন । চুমু খান । ঠোঁটে কামড় দেন ।
আমার একটা হাত নিয়ে উনি উনার পেনিসের উপর দেন ।
আমি লজ্জা পাই হালকা ।
উনি আমাকে বলেন, লজ্জা কিসের । আমরা এখানে সবাই এঞ্জয় করতে আসছি ।
আমি রায়হান ভাই এর পেনিস এর স্পর্শ উপভোগ করছিলাম ।
উনি ফরমাল প্যান্ট পরা । তাই উনার পেনিসের বিশালতা বুঝতে পারছিলাম ।
বিশাল সাইজ হবে বোধহয় ।
উনি ইশারায় বললেন, কি দেখবে নাকি !
আমি বললাম, না থাক । কে না কে এসে পড়বে ।
আরে ধুর ! তুমি আজাইরা ভয় পাও । এখানে সমানে লাগালাগি করছে । আর আমরা শুধু ধরাধরি করব । এর বেশি কিছু না ।
আমি রায়হান ভাই এর পেনিস মুঠো করে ধরি । ভাইয়া আহ করে উঠে ।
আমি বুঝতে পারি রায়হান ভাই ক্রমশ উত্তেজিত হয়ে যাচ্ছেন ।
উনি উনার দুই পা দুদিকে ছড়িয়ে বসেন ।
আমি আবার ডান হাত দিয়ে ফরমাল প্যান্ট এর উপর দিয়েই পেনিস পাম্প করতে থাকি ।
উনার পেনিস এখন পুরাই গরম । হাতে সেটার উষ্ণতা টের পাচ্ছি ।
রায়হান ভাই তার হাতে প্যান্টের চেইন খুলে দেন ।
আমি এবার তার খোলা চেইন এর ভেতরে হাত ঢুকাই ।
আন্ডার ওয়্যার এর উপর দিয়েই পেনিসে আদর দিই ।
উনি গোঙাতে থাকেন । উনি বলেন, হৃদয় প্লিজ একটু মুখে নাও ।
আপনি কি পাগল হলেন ? পার্কে কেউ মুখে নেয় ?
প্লিজ একটু নাও । আমি আর পারছি না । মনে হচ্ছে ধোন ফেটে যাবে ।
এসব বলতে বলতে রায়হান ভাই নিজেই নিজের আন্ডার ওয়্যার টেনে ধোন বের করে আনলেন ।
আমি আবার ডান হাত দিয়ে ধোনটা চটকাতে লাগলাম ।
আমার শরীর গরম হয়ে গেছে । রায়হান ভাই এর একটা হাত নিয়ে আমার প্যান্ট এর উপর দিয়ে দিলাম ।
রায়হান ভাই আমার পেনিসে চাপ দিতে লাগলেন ।
আমি টের পেলাম রায়হান ভাই এর ধোন এর মাথাটা রসে চপচপ করছে । উনার কামরস বেরুচ্ছে ।
আমি আমার বুড়ো আঙ্গুলে উনার ধোনের মাথায় বুলাতে লাগলাম ।
উনি আহ করে উঠলেন ।
উনি বললেন, হৃদয় প্লিজ । একটু চুষে দাও ।
ভাইয়া , আমি পারব না । এই জায়গায় কারও ধোন চুষা আমার পক্ষে পসিবল না ।
প্লিজ । কিছু হবে না । আমি চারপাশে দেখছি । তুমি একটু মুখে নাও ।
আমি ভেতরে ভেতরে প্রচণ্ড উত্তেজিত । তাই রায়হান ভাই এর কথায় রাজি হলাম ।
সেক্স খুব খারাপ জিনিস । মানুষের বিবেক বুদ্ধি সব লোপ পেয়ে যায় সেক্সের সময় । তার প্রমান আমি ।
আমি রায়হান ভাই এর ধোনটা মুঠ করে ধরে চারপাশ সতর্ক দৃষ্টিতে তাকালাম ।
একটু ভয় কাজ করছিল ।
মুখটা নামিয়ে উনার ধোনের কাছে নিয়ে ধোনের মাথাটা চুষলাম ।
রসে আমার মুখ ভরে গেল ।
রায়হান ভাই আমার মাথাটা তার ধোনে চেপে ধরে নিচ থেকে তার কোমর ঠেলা দিতে লাগলেন ।
আমি একটু একটু করে রায়হান ভাইয়ের পুরোটা ধোন মুখের ভেতর নিলাম ।
মাঝে মাঝে দম আটকে আসছিল ।
এমন সময় রায়হান ভাই তাড়াতাড়ি আমার মাথা তুলে দিলেন তার ধোন থেকে ।
আমি মাথা তুলে সোজা হয়ে বসতেই খেয়াল করলাম কয়েকজন দৌড়ে আমাদের দিকে আসছে ।
আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই রায়হান ভাই দৌড়ে অন্ধকারে পালিয়ে গেল ।
ঘটনার আকস্মিকতায় আমি একটু হতবাক ।
আমার সামনে ৩ জন গার্ড দাঁড়ান ।
এই এখানে কি করছিস মাগি ? একটা গার্ড আমাকে বলল ।
সরি ! ভদ্র ভাষায় কথা বলুন । দেখতেই পাচ্ছেন আমি বসে আছি ।
গার্ড তার লাঠি আমার দিকে তাক করে বলে, জানি জানি । একটু আগে কার ধোন চুষতেছিলি । শালা মাগি ।
দেখুন । আপনারা যা ভাবছেন তা না । আমরা দুজন গল্প করছিলাম ।
ও তাই নাকি ! তাহলে ঐটা পলাইয়া গেল কেন ।
আমি কি জানি ?
ঐ বেশি কথা না কইয়া চা পানি খাবার টাকা দে ।
আমি কেন আপনাদের টাকা দিব । আশ্চর্য !
পার্কে বইয়া চুদা চুদি করবা । আর আমাগোরে টাকা দিবি না । তাই হয় নাকি !
ভাইয়া । আমার কাছে টাকা নেই । আমি মানিব্যাগ নিয়ে আসিনি । পকেট থেকে ৫০ টাকার নোট বের করে দেখিয়ে বললাম, এটা আমার বাস ভাড়া ।
দাঁড়া মাগি । পুটকিতে লাঠির বাড়ি পড়লেই বুঝবি কেমুন লাগে ।
আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই আমার পায়ে ধাম ধাম করে লাঠির বাড়ি পড়ল কয়েকটা ।
আমি ব্যথায় বসে পড়লাম ।
এর মাঝে একটা গার্ড আমার পিছন দিকে একটা লাথি দিয়ে আমায় মাটিতে ফেলে দিল ।
আমি আমার ৫০ টাকার নোট টা ওদের দিকে বাড়িয়ে দিলাম ।
ওদের মাঝে একজন টাকাটা খপ করে নিল ।
বলল, শোন । পার্কে আসলে আমাগো জন্য টাকা নিয়া আসবি । বুঝলি !
ওরা তিনজন চলে গেল ।
আমি কোনরকমে বসে থেকে উঠলাম ।
পায়ে প্রচণ্ড ব্যথা ।
খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছি । চারপাশের কিছু ছেলে পেলে দূর থেকে আমাকে দেখছে ।
তাকিয়ে আছে আমার দিকে । কেউ এগিয়ে আসল না । একটা বারের জন্যও ।
অথচ ওরাও আমার মত সমকামী ।
ওরাও আমার মত এখানে শরীর খুঁজে বেড়ায় ।
নিজের উপর ঘেন্না হল আমার ।
আজ উত্তেজনার বসে এসব না করলে এতো বড় অপমানের শিকার আমাকে হতে হত না ।
আমি কাঁদছি । চোখ দিয়ে টপ টপ করে পানি পড়ছি ।
পার্ক এর বাইরে বের হয়ে এসে সি এন জি অটোরিকশা নিলাম একটা । বাসায় ফিরে ভাড়া দিতে হবে । কারণ পকেটে একটা টাকাও নেই ।
বাসায় এসে বাথরুমে ঢুকে গোসল দিলাম ।
গোসল দিয়ে বাথরুম থেকে বের হয়ে বিছানায় শুয়ে ছাদের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে মনে মনে বললাম, প্রতিজ্ঞা করছি । আর কখনও পার্কে যাব না । আজ রাত এর ঘটনা আমার সারা জীবন মনে থাকবে ।

***( এখানে যেসব সমকামী ভাইরা নতুন নতুন পার্কে যান । তাদের সতর্কতার জন্যই এই গল্পটি দেয়া )

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s