টিনের চালে প্রথম সমকামিতার খেলা

543703_357185377718991_1683575185_n
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
আমার নাম রনক।
ঢাকার একটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে বি.বি.এ ৩য় বর্ষে পড়ছি।
আমার ঘটনাটা ঘটে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার পর।
ছেলেবেলা থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত আমি গ্রামে ছিলাম।
গ্রামে বেশি ঘুরা ফিরা করার অভ্যাস আমার ছিল না।
হতে পারে আমার বন্ধু বান্ধব কম ছিল বলে।
কাছের বন্ধু বলতে ছিল দুইটা আর বাকি সব কলেজ ফ্রেন্ড।
পরীক্ষা শেষ, হাতে অজস্র সময়, তাই প্রতিদিন আমার ঐ বন্ধুদের পাড়াতে আড্ডা দিতে যেতাম।
ঐ পাড়াতে যাবার পথে পড়তো এক বড় ভাই এর বাড়ি।
বয়সে তিনি আমার ৩ বছরের বড় হবেন। উনার সাথে দেখা হলে সবসময় খোঁজ খবর নিতেন আমার।
কথা হত তবে তেমন কিছু না, এই কেমন আছি , কি করছি কেমন যাচ্ছে জীবন।
এই সব নিয়ে কথাবার্তা হতো আমাদের। কিন্তু আমি খেয়াল করতাম।
উনি যখন আমার সাথে কথা বলতেন, আমার হাতে হাত রাখতেন।
শরীরের বিভিন্ন জায়গায় স্পর্শ করতেন যদি ও আমি এইটা স্বাভাবিক ভাবেই নিতাম।
ভাবতাম হয়তো ওভাবে কথা বলা উনার অভ্যাস।
যাই হোক এই ভাবে কাটতে থাকে আমার অবসর সময় গুলো।
সময়টা ছিল বর্ষা কাল, মাঝে মাঝে চারদিক কালো করে বৃষ্টি নামতও মুষলধারে।
আমাদের বাড়ীটা ছিল বেশ বড় কয়েকটা ঘর নিয়ে আমাদের বসতি।
বাড়ীতে প্রবেশদ্বারে ছিল একটা বিশাল ঘর। যদিও ওটা তেমন একটা ব্যাবহার করা হত না।
ও ঘরে মাঝে মাঝে দুপর বেলায় খাবার পর আমি গিয়ে শুয়ে থাকতাম।
এক দিন বিকেল বেলায় সবে মাত্র হাল্কা বৃষ্টি নামছে, আমি শুয়ে আছি ও ঘরটায়।
একটু পরে দেখলাম ঐ ভাইয়াটা তাড়াতাড়ি করে ঘরে ঢুকলও।
কিছুটা অবাক হয়ে প্রশ্ন করলাম আরে ভাইয়া আপনি এ সময়?
ভাইয়া বলল যাচ্ছিলাম একটা কাজে, দেখ না বৃষ্টিটা নামার আর সময় পেলো না।
আমি আবার ছাতা ও আনলাম না সাথে।
তাই বাদ্য হয়ে তোমাদের ঘরে এসে উঠতে হল আমায়।
কি কোন অসুবিধা নাই তো তোমার?
আরে না না কি যে বলেন ভাইয়া। আপনি বসুন বৃষ্টি থামলে যাবেন।
উনি বসলেন কিন্তু আমার শরীর ঘেঁষে।
উনার অভ্যাস বরাবর এর মত খোঁজ খবর নিতে লাগলেন।
আজও শরীরে হাত বোলাতে ভুল হল না উনার।
আজ উনার স্পর্শে আমার শরীর উত্তেজিত হতে লাগলো।
হতে পারে আবহাওয়াটার জন্য ও রকম টিন ছালে বৃষ্টির মাতল করা শব্দ, ঠাণ্ডা একটা পরিবেশ।
আর সাথে আমিতো নূতন যৌবন প্রাপ্ত টগবগে যুবক।
সবমিলিয়ে অন্যরকম একটা অনুভূতি বয়ে যাচ্ছিলো আমার শরীরে।
আর মজার বিষয় হল আমাদের দুইজনের পরনে ছিল লুঙ্গি।
এক পর্যায়ে উনার হাত আমার পেনিসের উপর চলে গেল।
আমি বুজতে পেরে ও শুয়ে আছি না বুজার বান করে।
দেখতে চাচ্ছিলাম উনি আর কি করে, যদিও আমার খারাপ লাগছিলো না।
এই প্রথম কেউ আমার পেনিস ধরল। উনার হাতের ছোঁয়াতে আমার পেনিস পুরাপুরি উত্তেজিত হয়ে গেলো।
আমি লজ্জা পেয়ে তার হাতটা সরিয়ে দিলাম। কিন্তু উনি জোর করে আবার ধরল।
এইবার হেঁচকা টান মেরে আমার লুঙ্গী খুলে ফেলল।
আমি বললাম ভাইয়া এমন করছেন কেন?
উনি বলে বাহ খুব ভালো সাইজ বানিয়েছ-তো।
এত বড় পেনিস আগে দেখিনি আমি।
তোমার পেনিসটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে বলে, আমার ঠোঁটে কিস করতে লাগলেন।
প্রথমে একটু অনীহা লাগছিল কিন্তু বুজতে পারলাম আমার ভিতর থেকে ভালো লাগা শুরু হল।
আস্তে আস্তে আমার সারা শরীরে কিস করতে লাগলেন।
এক পর্যায়ে আমার পেনিসটা মুখে নিয়ে চুষতে লাগলেন।
যেন উনি একটা বাচ্চা আর আমার পেনিস টা ললিপপ।
আমি তাকে বললাম ভাইয়া কি করছ আমার পেনিস মুখে নিলে যে।
এই গুলা তো মেয়েরা করে, ব্লু ফ্লিম এ দেখেছিলাম।
সে একটু হেসে বলে, একটা মেয়ে পারলে আমি পারবো না কেন।
শুনো আজ আমি তোমাকে বুজাবো একটা মেয়ে, একটা ছেলেকে যা দিতে পারে।
আমি তার চেয়ে ও বেশি দিতে পারবো।
এই বলে আমার পেনিসটা আবার চুষা শুরু করলেন তিনি।
আমি আনন্দে আহ আহ শব্দ করতে লাগলাম।
এদিকে বাহীরে বৃষ্টিটা তেড়ে আসলো।
তিনের ছালে বৃষ্টির শব্দের সাথে আমাদের কামনার শব্দ মিশে,
পরিবেশটা কামনার নিশাটা বাড়িয়ে দিল কয়েক গুণ।
ভাইয়া পেনিসটা মুখ থেকে সরিয়ে বলে, তোমার পেনিস আমার পাছায় নিবো।
আমি হেসে বললাম ভাইয়া পাগল হয়েছ তুমি।
আমার এত বড় আর মোটা পেনিস নিতে পারবে তো?
ভাইয়া বলে খুব পারবো। আমার ভয় হচ্ছিলো জানি না কি দশা হয় তার পাছার।
এইবার উনি আমাকে বলে রেডি হও তোমার এই বিশাল বাঁশটা আমাকে ঢুকিয়ে দাও।
এই বলে উনি আমার পেনিস এর উপরে এসে বসলেন।
তার দুই পা দুই দিকে চড়িয়ে পোজ টা ঠিক করে নিলেন।
উনার মুখ থেকে কিছু লা লা নিয়ে আমার পেনিসটাকে পিচ্ছিল করে নিলেন।
খানিকটা উনার পাছার ফুটোতে মাখলেন।
বুজতে পারলাম আমার কামানটা রেডি করে নিলেন।
উনি আস্তে আস্তে আমার পেনিসের মাথায় বসে চাপ দিতে লাগলেন।
আমিতো উত্তেজনায় পাগল প্রায়, এক পর্যায়ে দেখলাম,
আমার বিশাল পেনিসটা উনার পাছার মাঝে হারিয়ে গেলো।
আমিতো পুরাই থ হয়ে গেলাম। বুজতে পারলাম উনার বিশাল গঙ্গার মাঝে আমার চোট তরী কিছুই না।
আমিও পাকা খেলোয়াড় যদিও আগে কক্ষনো সেক্স করিনি।
কিন্তু ব্লু ফ্লিম এর সব গুলা স্টেপ মুখস্থ আমার।
উনি আমার পেনিসের উপরে উঠা বসা করতে লাগলেন।
আমি ও নীচ থেকে ঠাপ মেরে যাচ্ছিলাম অবিরত।
এভাবে দুই মিনিট চালালাম তারপর বললাম ভাইয়া ডগি স্টাইল এ মারবো উনি তো রেডি।
উনি ডগের মত তার পাছাটা আমার দিকে তাক করে রাখলেন।
আমি আমার পেনিসে আরও থুথু লাগিয়ে মারতে লাগলাম রাম ঠাপ।
তার পাছাটাকে দু হাতে ছেপে ধরে আমার পেনিসটাকে পুরা পুরি ঢুকাতে আর বাহীর করতে লাগলাম।
উনি মুখ থেকে শব্দ করছে আমিও করছি আহ হু সাথে বৃষ্টির শব্দ।
আগে জানতাম না ছেলেদের পাছায় এত সুখ।
আমার সতের বছরের উপোষ থাকা পেনিসটা আহার খুঁজে পেলো ঐ পাছার মাঝে।
এইভাবে চলতে থাকলো ৫ মিনিট এর মত।
এইবার বললাম ভাইয়া চলো পজিশনটা পরিবর্তন করি।
উনার দুই পা আমার কাঁদে তুলে নিলাম।
পাছার নীচে দিলাম একটা বালিশ এই বার খেলা পুরাপুরি জমছে।
আমার মোটা পেনিসটা ঢুকছে আর বের হচ্ছে।
তার পাছার একটা গরম ভাব অনুভব করছিলাম।
আমি ঠাপ মারতে লাগলাম মনের দুখে।
এইবার আমার ঠাপানোর গতি বাড়িয়ে দিলাম।
বুজতে পারলাম আর ধরে রাখতে পারবো না।
ভাইয়ার মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম উনি কাম সুখে পাগল আমি ও তাই।
মাল বের হয়ে যাচ্ছে আমি আরও জোরে মারছি ঠাপ।
উনিও বলতে লাগলেন জোরে আরও জোরে আহ উ আহ।
আমিও আহ উ করে উঠলাম।
হেঁচকা টান মেরে আমার পেনিসটা বের করে নিলাম তার পাছা থেকে।
তারপর হাতে মেরে তার বুকের উপরে আমার সাদা ধব ধবে মাল ছেড়ে দিলাম।
মুখে একটা প্রশান্তির নিঃশ্বাস ছাড়লাম।
এইবার উনিও হাত মেরে মাল বের করলেন।
এর পর থেকে ২ এক দিন পর পর আমরা সেক্স করতাম।
কত জায়গায় যে সেক্স হয়েছে আমাদের বলে শেষ করা যাবে না।
পুকুর পাড়, পাট ক্ষেত নদীর ধারে যেখানে সুযোগ পেতেম।
সেখানেই মেতে উঠতাম কাম বাসনাতে।
সত্যি কথা বলতে কি আমি তখনো জানতাম না ছেলে ছেলে সেক্স করতে পারে।
তাদের সমকামী বলে, তাদের আলাদা একটা জগত আছে।
ঢাকায় আসার পর জানলাম, তারপর থেকে শুরু হল আমার সমকামিতার ১৬ কলা পূর্ণ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s