তুমি জানবে না কোন দিন…।।


মোবাইলের রিং এ ঘুম ভেঙে গেলো, আরে এত সকালে কে ফোন করে।
শীতের সকাল কম্বলের নীচে একটু আরামে ঘুমচ্ছিলাম।
কার পাকা ধানে মই দিয়েছিলাম কে জানে।
মোবাইল খুঁজে পাচ্ছি না, চোখ বন্ধ করে খুঁজলে, না পাওয়ারই কথা।
ইতিমধ্যে কয়েকবার রিং হয়ে গেছে, মেজাজটা খারাপ হয়ে গেলো।
ফোনটা ধরলাম, ভাবছিলাম ফোন ধরেই দিবো একটা জাড়ি।
উল্টো জাড়িটা আমিই খেয়ে গেলাম।
ঐ শালা ফোন ধরিস না কেন। কতো বার রিং করেছি তোকে?
প্রান্ত তুই এত সকালে, কি জন্য ফোন করছিস?
শুন ১৫ মিনিট সময় দিচ্ছি, রেডি হয়ে বাসায় চলে আয়।
মা বসে আছে তোর জন্য, এক সাথে নাস্তা করব।
কি হয়েছে বলবি তো এত সকালে চেঁচাচ্ছিস কেন?
শুন একটা মহা জামেলা হয়ে গেছেরে দোস্ত, তুই ছাড়া উপায় নেই।
কথা শেষ না করেই ফোন কেটে দিলো প্রান্ত।
মনে মনে বলতে লাগলাম, আচ্ছা আর কতো জ্বালাবি আমাকে?
সেই শিশু শ্রেণী থেকে আজ পর্যন্ত জ্বালাচ্ছিস।
তোকে প্রাইমারী স্কুল থেকে দেখে আসছি।
তুই বরাবরই একটু জেদি যা ছেয়েছিস তা পেতেই হবে তোকে।
ক্লাস এ স্যার এর হাতে কত মাইর খেয়েছিস তারপর ও বদলাশনি।
বদলাবি ও না হয়ত কোন দিন।
ক্লাসে আমি ছাড়া তোর কোন বন্ধু ছিল না।
ক্লাসে খুব কম ছেলেই ছিল যারা তোর হাতে মাইর খাইনি।
আমিও যে খাইনি তা নয়। কিন্তু তোর প্রতি আমার বিশেষ একটা টান।
অনুবভ করতাম স্কুল জীবন থেকে। আজ অব্ধি বোধয় সেই টানটা রয়েই গেছে।
যার জন্য তোকে ছেড়ে যেতে পারিনা।
তোর বখাটে স্বভাবটার জন্য হয়তো তোকে আমার বেশি ভালো লাগতো।
কারণ আমি ছিলাম শান্ত স্বভাবের।
দেখতে দেখতে প্রাইমারী থেকে হাই স্কুলে উঠে গেলাম।
কিন্তু তোর সাথে আমার সম্পর্ক টা রয়েই গেল।
আমার বাসায় তোকে পরিবারের এক জন মনে করে।
তোর পরিবার ও তাই মনে করে আমাকে।
তোর পরিবার বল-তেতো, তোর সেই স্কুল শিক্ষিকা মা।
বাবা মারা গেছে বেশ কয়েক বছর হয়ে গেলো।
তোর মা তোকে অনেক কষ্ট করে মানুষ করেছে। খুব ভয় পাস তুই মাকে।
কিন্তু আমি একদম ভয় পেতাম না তোর মাকে।
আমাকে তোর চেয়ে বেশি আদর করতেন।
এই জন্য হিংসায় মরতিস তুই। এই জন্য কতো মেরেছিস আমাকে।
বলতিস তুই আমার বাসায় আর আসবি না।
কিন্তু তুই নিজেই আমকে নিয়ে যেতি বার বার।
দুষ্টামির জন্য ক্লাস এ পড়া পারতিস না।
সবসময় মাইর খেতে হত তোকে।
বিনা কারণে তোর জন্য আমি ও কম মাইর খাইনি।
তারপর ও তোকে পরীক্ষার হলে আমার খাতা দেখে লিখতে দিতাম।
তোর মনে আছে কিনা জানি না, ক্লাস এ আমাদের সবাই বউ জামাই বলে ডাকতো।
আমি খুব লজ্জা পেতাম, কারণ সবাই বউটা আমাকে বানাতো।
তোর এমন কোন ব্যাপার নাই যা আমি জানি না। আমার ক্ষেত্রে ও তাই।
কলেজে পড়ার সময় একবার কি কথা নিয়ে তোর সাথে আমার খুব জগরা হয়।
২ দিন কথা বলিনি তোর সাথে। কলেজে ও যাইনি ঐ ২ দিন।
সেই দিন রাতে দেখি তুই তোর মাকে নিয়ে আমার বাসায় চলে এসেছিস।
তুই জানতিস তোর মাকে আমি অনেক ভালোবাসি তাই অ্যান্টির কথা আমি ফেলতে পারবো না।
অ্যান্টি আমাকে বলে, শাহিন আমাকে বলতো কি হয়েছে তোদের।
প্রান্ত কি বলেছে তোকে আমাকে বল আমি ওকে তোর সামনে দুইটা থাপ্পড় লাগিয়ে দিচ্ছি।
আমি বললাম না অ্যান্টি কিছু হয়নি। তুই তখন অপরাধীর মত মাটির দিকে তাকিয়ে ছিলি।
অ্যান্টি বলল তোদের দুজনকে এক রুম এ রেখে গেলাম।
যা হয়েছে মিটিয়ে বের হবি রুম থেকে তার আগে নয়।
অ্যান্টি দরজাটা লাগিয়ে দিয়ে চলে গেলেন। তুই ভয়ে ভয়ে আমার পাশে বসেছিস ।
আমার দিকে তাকিয়ে আছিস একটু পর আমাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেললি।
আমি অবাক হয়ে গেলাম কারণ এতো গুলো বছর তোকে কখনো কাঁদতে দেখিনি।
বাচ্চা ছেলেদের মত বল্লি দোস্ত মাপ করে দে। এমনটি আর করবোনা।
তুই তো জানিস তুই ছাড়া আমার কোন বন্ধু নাই। তুই আমার সাথে ২ দিন কথা বলিসনি।
আমার মনে হচ্ছিল পৃথিবীতে আমি অনেক একা।
দোস্ত তুই সারাজীবন আমার সাথে থাকিস।
কি থাকবি তো?
আমি ও কেঁদে ফেললাম, মনে মনে বলতে লাগলাম প্রান্ত তুই হয়তো জানিস না,
আমি তোকে কতটা ভালোবাসি।
স্কুল জীবন থেকে আমরা দুই জন টিফিন ভাগাভাগি করে খেতাম।
আমি মার্কেট এ গেলে তোর জন্য কিছু না কিনে ফিরতাম না।
এমন অনেক বার হয়েছে আমি একটা জামা পরেছি তোর ভালো লেগে গেছে।
ঐ অবস্থায় খুলে দিয়ে এসেছি তোকে।
তোর কোন অসুখ হলে তোর মায়ের সাথে সারা রাত আমি ও জেগে থাকতাম।
মায়ের সাথে রাগ করে রাত বিরাতে আমার বাসায় এসে উঠতি।
তোর সাথে হাতে হাত রেখে, তোর পায়ের সাথে পা মিলিয়ে, হেঁটেছি অনেক জায়গায়।
কত রাত কাটিয়েছি একই বিছানায়।
কোন মানুষের শরীরের স্পর্শে আমার ঘুম ভেঙ্গে যেতো।
তাই কারো সাথে বিছানা শেয়ার করতাম না।
কিন্তু তুই কখনো আমাকে না জড়িয়ে ধরে ঘুমাতি না।
এক সময় দেখি আমার ও অভ্যাস হয়ে গেছে।
কিন্তু একটি রাতের কথা আমি আজো ভুলিনি, হয়তো ভুলবো না কোন দিন।
তুই আমি দুই জন মিলে গিয়েছিলাম তোর গ্রামের বাড়ীতে।
উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষে।
সময়টা ছিল পোষের মাজা মাজিতে চারিদিকে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা।
প্রান্ত তোর মনে আছে, ভরা পূর্ণিমা রাতে তোদের পুকুর পাড়ে খেজুরের রসের পায়েস রান্নার কথা।
তোর চাচাতো ভাই, কি যেন নাম ছিল তার ও সাদেক ভাই। ধরুন গাঞ্জুরি ছিল লোকটা।
তোকে খাইয়ে দিলো গাঁজা, একটু খেয়ে মাথা ধরে গেল তোর।
তোদের পুরাণ বাড়ির কাছারি ঘরে ছিলাম তুই আর আমি।
প্রতিদিনের মত আজো আমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমচ্ছিস।
কিন্তু ঐ দিন পাগলামিটা বেড়ে গেল তোর।
রাতে আমাকে কিস খেতে লাগলি।
প্রথমে তোকে বাঁধা দিয়েছিলাম, কিন্তু পরে ভাবলাম আমার মন তো তাই চায়।
কতো দিন অপেক্ষা করতে হয়েছে তোর কিস এর জন্য।
একটু পর খেয়াল করলাম তুই আমার সারা শরীরে কিস খাচ্ছিস।
আমি ও পাগলের মত তোকে কিস করে যাচ্ছিলাম।
আমার মনের বাসনা পূর্ণ করলি ঐ দিন। আমাকে উপহার দিলি অসাধারণ কিছু সময়।
আমি ও সব উজাড় করে দিয়েছিলাম। যা তোকে কোন দিন মুখে বলতে পারিনি।
বন্ধুত্ব হারানোর ভয়ে। কিন্তু ঐ দিন আমি প্রথম সেক্সের স্বাদ নিলাম তোর কাছ থেকে।
তারপর থেকে আমাদের মাঝে মাঝে সেক্স হত। তুই আমাকে ভালোবাসতি আমি বুজতে পারতাম।
কিন্তু কখনো কেউ কাউকে মুখে বলিনি।
তাই ভাবছি আমি তোকে বলে দিবো প্রান্ত আমি তোকে অনেক ভালোবাসি।
তোকে নিয়ে আমি ছোট একটা ঘর বাঁধবো তুই আর শুধু আমি।
কিন্তু সেইটা হয়তো আমাদের দেশে সম্ভব নয়।
তাই তোকে নিয়ে দেশের বাহীরে চলে যাবো আমি।
টাকা পয়সার সমস্যা হবার কথা নয়।
পেশায় আমি এখন ডাকতর শুধু U.S.A থেকে একটা PHD নিয়ে আসলেই হল।
অনেক দিন যাবো যাবো করছি, কিন্তু যেতে পারছি না তোর জন্য।
তোকে ছেড়ে আমি একা থাকতে পারব নারে প্রান্ত।
তুই নেজেও একজন উকিল, এখনো তেমন একটা নাম করতে পারিসনি।
তাতে কি আমি জানি তুই পারবি এক দিন। তোর সাথে আছে আমার ভালোবাসা।

এই যা কি সব চিন্তা করছি আমি, প্রান্ত বলেছে ১৫ মিনিটের মধ্যে যেতে।
ঈশ দেরি করে ফেলেছি আজ আমার কপালে দুঃখ আছে।
তাড়াতাড়ি রেডি হয়ে গেলাম প্রান্তর বাসায়।
কলিং বেল ছাপতেই দরজা খুলে দিল প্রান্ত।
প্রান্ত বলে, ঐ শালা তোকে বললাম ১৫ মিনিট এখন কয়টা বাজে।
সরি দোস্ত দেরি হয়ে গেছে। অ্যান্টি কি নাস্তা নিয়ে এখনো বসে আছে?
প্রান্ত বলে, টেবিলে গিয়ে দেখ শালা।
অ্যান্টি মাপ করে দাও ঘুমে ছিলাম তাই দেরি হয়ে গেছে।
অ্যান্টি বলে, আচ্ছা মাপ পরে হবে আগে নাস্তা করে নেয়।
কি রেঁধেছ আজ, এ কি আমার পছন্দের হালুয়া ও বানিয়েছ দেখছি।
ঘটনা কি? সকাল সকাল এত ঘোষ দেয়া হচ্ছে যে?
অ্যান্টি বলে, আরে বলছি বলছি আগে খেতে বস না।
ওয়াও দারুণ হয়েছে হালুয়াটা এবার বলো সকাল সকাল এত জরুরী তলব?
অ্যান্টি প্রান্তর দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলে, তোর বন্ধুর বিয়ে।
আমার হাত থেকে হালুয়ার চামচটা পড়ে গেল, হঠাৎ করে দাড়িয়ে পড়লাম।
অ্যান্টি বলে, আরে কি হল তোর, এখনো কথা বার্তা চলছে।
প্রান্ত তোকে ছাড়া মেয়ে দেখতে যাবে না। তাই তোর জন্য অপেক্ষা।
আমি একটু মিছে হাসার চেষ্টা করে প্রান্তর দিকে তাকালাম।
দেখলাম আনন্দে অর চোখ মুখ জ্বল জ্বল করছে।
আমি বরাবরই শান্ত স্বভাবের তাই প্রান্তকে কিছু বুজতে দিলাম না।
প্রান্ত বলে, কিরে তুই খুশি হসনি? যাবি তো আমার সাথে নাকি?
দেখ দোস্ত তুই ছাড়া আমার আর কোন বন্ধু নাই। সুতরাং যা করার তোকেই করতে হবে।
আমি আর চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না।
চোখের পানি হালুয়াতে গিয়ে পড়লো অ্যান্টি খেয়াল করলো।
আমি বললাম অ্যান্টি সরি আমার জিবে কামড় পড়ে গেছে।
বললাম সরি আমাকে টয়লেট যেতে হবে।
টয়লেটে গিয়ে পানির কল খুলে কাঁদতে লাগলাম।
হায়রে কাকে ভালবাসলাম এত গুলা বছর।
যে আমাকে ছেড়ে হাসতে হাসতে বিয়ে করতে যাচ্ছে।
নিজেকে নিয়ন্তন করার চেষ্টা করলাম।
কষ্ট বুকে ছাপা দিয়ে গেলাম প্রান্তর বউ দেখতে।
অ্যান্টি এবং প্রান্তর দুজনের পছন্দ হয়ে গেলো। বিয়ের কথা বার্তা রেডি।
দুই মাস পর বিয়ে। আমার অবস্থা ভালো নয়।
প্রান্ত বলে কি রে তুই খুশি হস নি।
বললাম আরে না খুশি হব না কেন, আমার বেস্ট ফ্রেন্ড এর বিয়ে।

কান্না আর নির্ঘুম ভাবে কাটতে থাকে আমার সময়।
বাসার কাউকে বুজতে দিলাম না আমার কি হয়েছে।
প্রান্তর বিয়ের বাজার করতে গেলাম বাধ্য হয়ে।
সে বাসায় এসে বসে আছে না গিয়ে পারলাম না।
প্রান্ত আমাকে জিজ্ঞাস করলো আচ্ছা শাহিন তোর কি হয়েছে।
তুই কেমন যেন বদলে গেছিস।
আমি একটু হেসে বললাম না রে আমি ঠিক আছি।
প্রান্তকে কিছুতেই বুজতে দেওয়া যাবে না। যে আমি তাকে ভালবাসি।
হয়তো আমি ভুল করেছি এক তরফা ভালোবাসা ছিল আমার।
এ দিকে রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে আমার শরীর ভেঙে পড়লো।
এত কষ্ট সহ্য করতে পারছিলাম না।
যাকে ভালোবাসি তাকে অন্যর হাতে তুলে দেয়ার জন্য আমি সব আয়োজন করছি নিজের হাতে।
চিন্তা করলাম প্রান্তকে বাসর রাতে পাঠিয়ে অনেক গুলা ঘুমের বড়ি খেয়ে ঘুমিয়ে পরবো চিরকালের জন্য।
কিন্তু আত্মহত্যা করলে আমার ভালোবাসার পরি সমাপ্তি ঘটবে তা আমি চাই না।
তাই বাহীরে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম। P.H.D করবো বাসার সবাইকে জানালাম।
অবাক করা বিষয় ভিসাটা পেয়ে গেলাম খুব তাড়াতাড়ি।
আগামী মাসের ১৪ তারিখ রাত ৪.১৫ মিনিটে ঢাকা ছেড়ে যাবো U.S.A এর উদ্দেশ্যে।
কাগজ পত্র জোগাড় করতে করতে সময় ঘনিয়ে আসলো।
১৭ তারিখে প্রান্তের গায়ে হলুদ, ১৯ তারিখে বিয়ে।
কথাটা মনে পড়তে আবার পানি এসে গেলো চোখে।
প্রান্ত তুই সারা জীবন আমাকে জ্বালিয়েছিস বাকি জীবনটা চোখের জ্বলে ভাসাবি আমাকে।
আমি কিছুতে সহ্য করতে পারবো না যে তুই অন্য একটা মেয়ের বুকে মাথা রেখে ঘুমচ্ছিস।
অন্য এক জনের সাথে তোর ভালোলাগা খারাপ লাগা শেয়ার করছিস।
তোর বিয়ের সব আয়োজন করে দিয়েছি নিজের হাতে তোকে ভালোবাসি বলে।
আমার ভালোবাসাকে আমার বুকে কবর দিয়েছি।
কিন্তু তুই অন্য এক জনকে নিয়ে বাসর ঘরে হেঁটে যাচ্ছিস।
এই দেশ্য দেখার মত সাহসিকতা আমার নেই।
পালিয়ে যাচ্ছি তোকে না বলে।
কারণ নিজের ভালোবাসাকে নিজের হাতে মেরে,
তার কূলখানি খাওয়া আমার পক্ষে সম্ভব নয় রে প্রান্ত।
শিমুল মস্তফার কবিতাটা মরে পরে গেলো…।
তুমি জানবে না কোন দিন।
কোথায় আছি একলা আমি কেমন করে।
তুমি জানবে না কোন দিন।
তোমায় ডাকি কেন আজো ঘুমের গোরে।
তুমি জানবে না কোন দিন।
কেন কাঁদি আড়ালে, আমি তোমার চিঠি পরে।
তুমি জানবে না কোন দিন।
একলা কেন আকাশ দেখি শেষ বিকেলে।
তুমি জানবে না কোন দিন।
বুকের ভীতর পুরনো সুর কেন বাজে।
তুমি জানবে না কোন দিন।
কেন আমি পালিয়ে বেড়াই নিজের মাঝে।
তুমি জানবে না কোন দিন… কোন দিন…।
তাই নিজের কষ্ট গুলো নিয়ে চোরের মত পালিয়ে যাচ্ছি তোকে ছেড়ে।
তুই ভালো থাকিস প্রান্ত।
তোর ভালোবাসা হারিয়ে যেতে দিব না কোন দিন তাই আত্মহত্যা করলাম না।
সরে গেলাম তোর জীবন থেকে… চিরদিনের মত…।
একবার মনে হল আচ্ছা আমি ভুল করছি নাতো?

One thought on “তুমি জানবে না কোন দিন…।।

  1. sotti sahin! tomar kahini pore chokhe jol ese gelo. Jug jug jio tomar valobasha………………………………

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s