অন্য এক জীবন

১৯৯০ সালে পাপিয়া কে নিয়ে অ্যামেরিকায় আসলেন জামিল সাহেব।
নূতন বিবাহিত জীবন এক প্রকার আনন্দেই কাটছিল তাদের দিন গুলো।
জামিল সাহেব ব্যস্ত হয়ে গেলেন চাকুরী নিয়ে।
চার দেয়ালের মাঝে দিন কাটতে লাগলো পাপিয়ার।
তাই পাপিয়া আবার পড়ালেখা শুরু করলেন।
বছর দেড়েক এর মাথায় তাদের ঘর আলো করে জন্ম নিলো একটি ফুটফুটে ছেলে।
নামটা দিলেন জামিল সাহেব।
নিজের আর পাপিয়ার নামের সাথে মিল রেখে। পাপিয়া থেকে প,
জামিল থেকে ল = পিয়াল।

কর্মজীবী বাবা মায়ের সংসারে বড় হতে লাগলো পিয়াল।
২০০২ সালে স্ট্যান্ড ১০ এ উঠে গেল পিয়াল।
দেখতে অনেক সুন্দর নাদুস নুদুস।
ভদ্র এবং মিষ্টি ভাষীদের মধ্যে তার অবস্থান।
অনেক শান্ত স্বভাবের তাই সবার সাথে বন্ধুত্বটা জমে উঠে না পিয়ালের।
স্কুল শেষে বাসায় বসে থাকে।
অন্য ছেলেদের মত খেলা কিংবা আড্ডাতে তেমন উৎসাহ ছিল না।
কিন্তু একটা ব্যাপার সে লক্ষ্য করতো।
মেয়েদের প্রতি তার আকর্ষণ তেমন একটা নাই।
মেয়েদের কাচা-কাছি আসার অনেক চেষ্টা করেছে সে।
কিন্তু মেয়েদের কাছে গেলে তার শরীর থাকে নিস্তেজ।
অপর দিকে একটা ছেলে সাথে রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে,
একটু ধাক্কা খেলেও পিয়ালের শরীর নেশা ধরে যায়।
ব্যাপারটা নিয়ে সে অনেক চিন্তিত।
তার কোন সমবয়সী বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারে না।
এখনে পরিবার বলতে তো শুধু মা আর বাবা।
কিন্তু তাদের সাথে শেয়ার করা অসম্ভব।
তাই মাঝে মাঝে খুব মন খারাপ থাকতো পিয়ালের।
কেঁদে কেঁদে বুক ভাসিয়েছে অনেক বার।
কিন্তু এই অদ্ভুত ধরনের অনভুতির কোন সমাধান সে খুঁজে পেলো না।
মনে মনে ভাবতে লাগলো, হয়তো এইটা একটা মানসিক রোগ।
পিয়াল থিক করলো, একটা মানসিক ডাকতর এর কাছে যাবে।
দিনে দিনে তার মাঝে ব্যাপারটা বিশাল আকার ধারণ করতে লাগলো।
অন্য আট দশ জনের মত, তার ও তো সুন্দরী একটা গার্ল ফ্রেন্ড থাকতে পারতো।
অন্য সবার মত সে কেন স্বাভাবিক নয়?
ঘুণ পোকার মত তার ভীতরে কুড়ে কুড়ে খেতে লাগলো প্রশ্ন গুলো।
২০০৮ সালে সতের বছরে পা রাখলও পিয়াল।
স্কুল জীবন শেষ।
উচ্চতর পড়া লেখার জন্য জামিল সাহেব ইতিমধ্যে,
ইউনিভার্সিটি গুলোতে খোঁজ লাগিয়ে দিয়েছেন।
কিন্তু পিয়াল কিছুতেই স্বাভাবিক হতে পারছে না।
সে একজন মানসিক ডক্টরের কাছে গেল।
ডাকতর তাকে বুঝাতে লাগলেন সমকামিতা কোন রোগ নয়।
অনেকের মাঝে সমকামিতা আছে।
এবং সমকামী হয়েও স্বাভাবিক জীবন যাপন করা যায়।
তারপর ও পিয়াল স্বাভাবিক হতে পারলো না।
পিয়ালের দূরসম্পর্কের এক মামাতো ভাই থাকতো ফ্লোরিড়াতে।
তার নাম মনসুর, পিয়ালের চেয়ে ৫ বছরের বড় মনসুর।
তারপর ও পিয়ালের সাথে ভালো একটা সম্পর্ক।
তার সাথে সব কিছু শেয়ার করতো পিয়াল।
কিন্তু আজ অবধি ঐ একটা ব্যাপারে কিছু বলতে পারলো না।
বড় দিনের ছুটিতে মনসুর আসলো পিয়ালদের বাসায় বেড়াতে।
এক দিন পিয়াল তার ঘরে বসে কাঁদছিল।
এমন সময় মনসুর পিয়ালের ঘরে প্রবেশ করে।
পিয়াল মনসুর কে দেখে নিজেকে সামলাতে চেষ্টা করল।
কিন্তু মনসুর দেখে ফেলে পিয়ালের চোখে পানি।

-কিরে কাঁদছিস কেন, কি হয়েছে?
-না কিছু হয়নি মনসুর ভাই।
-তাহলে কাঁদছিলি কেন?
-এমনি ভাইয়া। তুমি দাঁড়িয়ে কেন, চেয়ারটায় বস।
-না কিছু একটা তো হয়েছে। তা না হলে তোর চোখে পানি কেন? দেখ পিয়াল আমি তোর বড় হলেও তোর বন্ধুর মত। আমাকে খুলে বল। দেখবি মনটা হালকা লাগবে।
-বললাম না ভাইয়া কিছু হয়নি।
-আচ্ছা কোন মেয়ের প্রেমে পড়ছিস নাকি। আর ছ্যাঁক খাইলেও বলতে পারিস। আমি কিচ্ছু মনে করবো না।

পিয়াল মনে মনে ভাবতে লাগলো আসলে ও তাই।
ব্যাপারটা নিয়ে মনসুর ভাইয়ের সাথে কথা বললে কেমন হয়।
নিশ্চয় সে কোন সমাধান দিতে পারবে।
কিন্তু সে যদি মা বাবাকে বলে দেয়। না থাক বলবো না।
-কি রে বলবি না?
বলতে পারি আগে কসম কেটে বলতে হবে।
তুমি ঐ ব্যাপারটা নিয়ে কারো সাথে কথা বলতে পারবা না।
এমন কি বাবা মার সাথে ও না।
-আচ্ছা প্রমিস করলাম এইবার বল।
সত্যি বলবা নাতো?
-বললাম-তো না।
মনসুর ভাই একটু আগে তুমি বলেছিলে না কোন মেয়ের প্রেমে পড়েছি কিনা।
আসলে ভাইয়া আমার কোন মেয়ের সাথে সম্পর্ক নেই।
কারণ আমার মেয়েদের ভালো লাগে না।
কোন মেয়েকে দেখলে আমার কোন যৌন অনুভূতি কাজ করে না।
কিন্তু ছেলেদের প্রতি আমার অন্য রকম একটা আকর্ষণ।
যেটা আমি ছোট বেলা থেকে আমার মাঝে টের পাই।
-কি? তুই গে?
এই যে দেখ তুমিও ।।
এই জন্য এই আমি বলতে চাইনি।
আমি জানি তুমি এখন আমাকে ঘেন্না করবে।
মনসুর ভাই দয়া করে বাবাকে বলে দিও না। প্লীজ।
তুমি আমার কথা শুনে দাঁড়ীয়ে গেলে কেন?
আমি জানি আমি খারাপ কারণ আমার মাঝে সমকামিতা আছে।
ভাইয়া প্লীজ আমাকে দয়া করো।
-আচ্ছা বলবো না। তুই কাঁদিস না। আর শুন এইটা এক প্রকার মানসিক রোগ।
মাথা থেকে জেরে ফেলতে চেষ্টা কর। তোর ভালোর জন্যই বলছি পিয়াল।
এই ঘটনার দুই দিন পরের কথা।
বড় দিনের ছুটি শেষে মনসুর চলে যাচ্ছে। বাসার সবাই সামনের রুমে বসে আছে।
মনসুর সোপার এক কণে দাঁড়ানো, জামিল সাহেব আর পাপিয়া বসে আছে চুপ করে।
এমন নিস্তব্ধ হয়ে আছে রুমটা মনে হচ্ছে একটা পিন পরলে ও শব্দ হবে।
পিয়াল কিছু বুঝে উঠার আগে, জামিল সাহেব তাকালেন পিয়ালের দিকে।
-কিরে কি শুনছি এগুলো?
পিয়াল বুঝতে পারছে না মনসুর আমন কেন করল।
ইচ্ছা করছে এক দৌড়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে।
চোখের টল মল জল নিয়ে তাকালও বেঈমান মনসুরের দিকে।
পিয়ালের চোখের দিকে তাকিয়ে চোখ ফিরেয়ে নেয় মনসুর।
জামিল সাহেব এবার গলার শ্বর উঁচু করে চিৎকার দিয়ে বলল।
-কি রে কথা কানে যায়না? কত দিন ধরে ভুগছিস এই রোগে। বেয়াদব ছেলে এক থাপ্পড় দিয়ে তোর সব রোগ ছুটিয়ে দিবো।
-এই তুমি থামো। তাকে যা বলার আমি বলবো।
পাপিয়া পিয়ালের দিকে এগিয়ে আসতে লাগলেন।
পিয়াল এক দৌড়ে নিজের ঘরে ঢুঁকে দরজা আঁটকে দিল।
পাপিয়া ছেলের পিছন পিছন এসে দরজায় ধাক্কা দিতে লাগলো।
এ দিকে একরোখা জামিলের সাহেব আরও জোরে চিৎকার দিয়ে বলছে।
-এই নির্লজ্জ ছেলের মুখ আমি দেখতে চাই না।
তাকে আমার বাড়ী থেকে বের হয়ে যেত বল।
মনসুর চলে গেল, জামিল সাহেব ও বাড়ীর বাহীরে।
পাপিয়া পিয়ালের ঘরের সামনে এখনো দাঁড়িয়ে আছে।
পিয়াল দরজা খুলে মাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে লাগলো।
-মা আমাকে তুমি বাঁচাও। আমি এই যন্তনা থেকে মুক্তি চাই।
-কি বলছিস পাগলের মত। আমি আছি তোর পাশে বাবা।
তুই নিশ্চয় ভালো হয়ে যাবি।
জামিল সাহেব পিয়ালের সাথে এক টেবিলে খেতে বসে না।
পিয়ালের সাথে কথা বন্ধ করে দিয়েছে সেইদিন থেকে।
নিজের ঘরের মানুষ গুলোকে আজ কাল অচেনা লাগতে শুরু করলো।
ধম বন্ধ হয়ে আসতে লাগলো পিয়ালের।
এই কারাগার থেকে বের হবার চেষ্টা করতে লাগলো পিয়াল।
শেষ পর্যন্ত ঠিক করলো নিউইয়র্ক গিয়ে থাকবে।
ওখানটার কোন একটা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার নাম করে,
পিয়াল নিউইয়র্কে চলে আসলো।
একা একা কষ্টের কঠিন বাস্তবতার মুখামুখি হয়ে দিন পার করতে লাগলো পিয়াল।
নিজের জীবনের প্রতি নিজেরই ঘেন্না চলে আসলো।
ইউনিভার্সিটি তে ভর্তি হল পিয়াল।
আগের মত ক্লাসমেটদের সাথে কথা বলা থেকে বিরত রাখতো নিজেকে।
পিয়ালের কথা বার্তা চালচলনে কিছুটা মেয়েলী ভাব ছিল।
তাই ক্লাস এ সবাই তাকে গে বলে রাগাত।
কিন্তু তমাল ছাড়া। তমালের বাড়ী কুষ্টিয়াতে,
গত বছর স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে পড়তে এসেছে নিউইয়র্কে।
কিছুদিনের মাঝে তমালের সাথে ভালো সম্পর্ক হয়ে যায় পিয়ালের।
দুজন মিলে এক সাথে সময় কাটাত।
পিয়াল বুঝতে পারতো তমাল গে না।
তারপর ও কেন যেন তমালের কাছাকাছি আসতে লাগলো পিয়াল।
আস্তে আস্তে জেগে উঠে পিয়ালের মাঝে ঘুমিয়ে থাকা প্রথম প্রেম।
খুঁজে বেড়াতে লাগলো ভালোবাসার আশ্রয় তমালের মাঝে।
এক রাতে তমাল পিয়ালকে তার বাসায় নিয়ে যায়।
রাতে মুভি দেখে আর ড্রিঙ্ক করছিল দুজনে।
মাতাল অবস্থায় এক পর্যায়ে তমাল পিয়ালকে জড়িয়ে ধরে কিস করে।
পিয়ালের সমকামী জীবনের প্রথম কিস।
ড্রিঙ্ক করে কিছুটা মাতাল হয়ে গেছে পিয়াল।
তমাল সে সুযোগটা নিলো।
পিয়ালকে জড়িয়ে ধরে অনবরত কিস করে যাচ্ছে সারা শরীরে।
পিয়াল প্রথম কাম বাসনায় নিজেকে উৎসর্গ করে দিল তমালের হাতে।
পিয়াল জীবনের প্রথম সমকামিতার স্বাদ নিয়ে বাসায় ফিরল অনেক রাত করে।
তাই সকালে ক্লাস এ যেতে দেরী হয়ে গেল।
ক্লাস এ প্রবেশ করে একটু অবাক হল।
কারণ সবাই চিড়িয়াখানার জন্তু দেখার মত করে তার দিকে তাকিয়ে আছে।
হাসির শব্দে ক্লাসরুম ফেটে যাওয়ার মত অবস্থা।
পিয়াল কিছুই বুঝতে পারছিলো না।
সবাই মোবাইল দেখে আর তার দিকে তাকিয়ে হাসছে কেন। একটু পর এক জন বলল।
-বাহ বেশ সেক্সি পাছা তো তোর পিয়াল।
আরেকজন বলে।
-কিরে সমকামী আমাকে খাওয়াবি নাকি এক বেলা।
এক জন কাছে এসে বলল কিরে তুই তো ইউটিউব হিট হয়ে গেলি।
তোর সেক্স ভিডিও এখন ফেসবুক ইউটিউবে।
পিয়ালের পৃথিবীটা তার চারদিকে ঘুরতে লাগলো।
অন্ধকার দেখতে লাগলো সব কিছু।
ধিক্কার দিতে ইচ্ছা করলো নিজেকে।
ব্যাগটা হাতে ধরে এক ছুট, ছুটতে বাসায় চলে এলো পিয়াল।
দরজা বন্ধ করে কাঁদতে লাগলো।
ভাবতে লাগলো কি অপরাধ করেছিলাম তমালের কাছে।
কেন সে কাল রাতের সব কিছু ভিডিও করে অনলাইনে দিয়ে দিল।
মানুষ এত খারাপ হতে পারে জানা ছিল না।
পিয়াল নিজের জীবনের একটা সোজা হিসাব কষার চেষ্টা করলো।
কিন্তু কিছুই মিলাতে পারলো না।
পিয়াল নিজেকে প্রশ্ন করতে লাগলো, সমকামী হওয়াটা সত্যি কি অপরাধ?
আমিতো সমকামী ইচ্ছা করে হয়নি।
আমার মাঝে এই অনুভূতিটা কে দিল?
ছেলেবেলা থেকে প্রতিটা পদে পদে অপমান, অবহেলা আর কষ্ট ছাড়া কি পেয়েছি জীবনে।

পিয়ালের হাতে ১ গ্লাস পানি, সাথে মুঠো ভর্তি ঘুমের ওষুধ।
বন্ধ চোখ দুটিতে পানির অজর বন্যা বয়ে যাচ্ছে।
মায়ের মুখটা মনে পড়ছে খুব।
কিন্তু এই নিষ্ঠুর পৃথিবীতে কষ্টের পাহাড় নিয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে,
পিয়াল বেছে নিলো অন্য এক জীবন।
ঘড়িতে ঠিক সকাল ৯ টা দরজায় কলিং বেলের আওয়াজে ঘুম ভেঙ্গে গেল জামিল সাহেবের।
দরজা খুলে দেখল পুলিশ একটা বক্স হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
বক্সে রাখা আছে পিয়ালের ব্যবহিত জিনিষ পত্র আর জামা কাপড়।
পিছনের কফিনে রাখা আছে পিয়ালের লাশ।

কয়েক দিন পরের ঘটনা।
অস্বাভাবিক আচরণ করতে লাগলো এক মাত্র ছেলেকে হারিয়ে পিয়ালের মা।
গভীর রাতে পিয়ালের রুমে বসে,
তার ব্যবহিত জামা কাপড় গুলো বুকে নিয়ে নিঃশব্দে কাঁদতে থাকে।
ঐ বক্সের ভীতরে ছিল পিয়ালের লেখা ডাইরি।
প্রতি রাতে পিয়ালের মা ঐ ডাইরি পড়ে আর বুকে চেপে ধরে রাখে।
শেষ পাতাটায় লেখা ছিল এমন।
“আমার জন্ম যেন আজন্মের পাপ।
যে মায়ের রক্ত শিরায় নিয়ে বেঁচে আছি সে জন্মদায়ী মা নিজেই চিনতে পারলো না আমাকে।
মা, কি দোষ করেছিলাম আমি? কেন সমকামী ছেলে জন্ম দিলে তুমি।
আমিতো ইচ্ছা করে সমকামী হই নি মা।
মাগো, ক্ষুদ এ জীবনে কষ্ট ছাড়া কি পেয়েছি পৃথিবী থেকে।
মা পারলে পৃথিবীর সব মাকে বলে দিও তারা যেন সমকামী ছেলে জন্ম না দেয়।
আর যদি দেয়, তাহলে তারা যেন গ্রহণ করতে শিখে তাদের সন্তানকে”।

পিয়ালের মা চোখ মুছে উঠে দাঁড়ালো।
ইন্টারনেট এ খুঁজতে লাগলো গে সংগঠন গুলার ওয়েব সাইট।
সিদ্ধান্ত নিলেন, সবার মাঝে সচেতনতার কাজে নিজেকে নিয়জিত রাখবেন বাকীটা জীবন।
অনাদরে অবহেলায় আর কোন তাজা প্রান পৃথিবী থেকে হারিয়ে না যায়।
সন্তান গে হোক আর যাই হোক সে সন্তান। সে মানুষ।
স্বাভাবিক ভাবে জীবন ধারণের অধিকার সবার থাকা উচিৎ।
নিজের এক মাত্র সন্তানকে হারিয়ে বুঝতে পারলেন তিনি। সন্তান হারানোর বেদনা কি?
যেন কোন বাবা মা কিংবা পরিবার তাদের সন্তান সমকামী বলে অবহেলা না করে।
নতুন করে হোক অন্য এক জীবনের সূচনা…।

টীকা: পিয়ালের মত নিজের জীবন শেষ করে দেয়ার মানে কোন সমস্যার সমাধান নয়।
তাই কেউ ঐ ধরনের চিন্তা মাথায় আনবেন না।
সমকামী হলেও আপনি, আমি, আমরা সবাই মানুষ।

2 thoughts on “অন্য এক জীবন

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s